img

শ্রীমঙ্গলে চা শ্রমিক কলোনির বসতঘরে ঢুকে পড়া পদ্ম গোখরা উদ্ধার

প্রকাশিত :  ০৭:০৪, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শ্রীমঙ্গলে চা শ্রমিক কলোনির বসতঘরে ঢুকে পড়া পদ্ম গোখরা উদ্ধার

সংগ্রাম দত্ত: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে একটি বসতঘরে ঢুকে পড়া প্রাণঘাতী বিষধর পদ্ম গোখরা সাপ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে উপজেলার ভুড়ভুড়িয়া চা-বাগানের শ্রমিক কলোনিতে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় বাসিন্দা সুসেন মুন্ডার বসতঘরে সাপটি ঢুকে পড়লে পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন। পরে বিষয়টি গণমাধ্যম কর্মী রাজেশ ভৌমিককে জানানো হলে তিনি বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনকে খবর দেন।

খবর পেয়ে ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল ও পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব দীপ ঘটনাস্থলে যান। তাঁরা সাপটি উদ্ধারের কাজ শুরু করেন। একপর্যায়ে একটি বস্তার নিচ থেকে শব্দ শুনতে পান তাঁরা। বস্তাটি সরিয়ে দেখা যায়, সেখানে একটি পদ্ম গোখরা অবস্থান করছে।

পরে সতর্কতার সঙ্গে সাপটিকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা পদ্ম গোখরাটি শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, কোনো এলাকায় পশুপাখি ধরা পড়লে কিংবা কোনো বন্যপ্রাণীকে আহত বা অসুস্থ অবস্থায় পাওয়া গেলে স্থানীয় বাসিন্দাদের নিজেরা সেটি ধরার চেষ্টা না করে দ্রুত নিকটস্থ বন বিভাগে খবর দেওয়া উচিত। প্রয়োজনে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনকেও বিষয়টি জানানো যেতে পারে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, শ্রীমঙ্গলে সাম্প্রতিক সময়ে বিষধর সাপের পাশাপাশি বড় আকৃতির অজগরও প্রায় প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে উদ্ধার হচ্ছে। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

তবে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল বলেন, সাপ বা অন্য কোনো বন্যপ্রাণী লোকালয়ে ঢুকে পড়লে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত তাঁদের খবর দিতে হবে। খবর পাওয়ার পর তাঁরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে বন্যপ্রাণীটি নিরাপদে উদ্ধারের চেষ্টা করবেন।


সিলেটের খবর এর আরও খবর

img

সুনামগঞ্জে নিজ ঘর থেকে এনসিপি নেতার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত :  ০৭:৫৬, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৮:১৬, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলায় নিজ বসতঘর থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলা সদরের পশ্চিমপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. শাহীন কাদির (৪৮) ওই গ্রামের মৃত সুনু কাদিরের ছেলে। তিনি এনসিপির ধর্মপাশা উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রাত ৮টার দিকে শাহীন কাদির বসতঘরের একটি কক্ষে ঢুকে ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেন। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে পরিবারের সদস্যরা তাকে খাবারের জন্য ডাকাডাকি করেন। সাড়া না পেয়ে একপর্যায়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে কক্ষের তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান স্বজনরা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতের ভাতিজা আসিফ আহমেদ বলেন, তার চাচা দীর্ঘদিন ধরে মেরুদণ্ডের সমস্যায় ভুগছিলেন এবং প্রায়ই ব্যথায় কাতরাতেন। চিকিৎসা করেও তেমন সুফল পাননি।

এনসিপির ধর্মপাশা উপজেলা শাখার আহ্বায়ক আজিজুল হক বলেন, “কেন তিনি এমন পথ বেছে নিলেন, তা বুঝতে পারছি না। তার মৃত্যুতে আমরা শোকাহত।”

ধর্মপাশা থানার উপপরিদর্শক রফিকুল ইসলাম বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সিলেটের খবর এর আরও খবর