img

সেই বিউটি পাল এবার গুণী শিক্ষক সম্মাননা পাচ্ছেন

প্রকাশিত :  ১২:১৩, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 সেই বিউটি পাল এবার গুণী শিক্ষক সম্মাননা পাচ্ছেন

সিলেটে জেলা পর্যায়ে ‘গুণী শিক্ষক’ নির্বাচিত হয়েছেন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার পিঠাইটিকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিউটি রানী পাল। সম্প্রতি একটি গানের সঙ্গে হাঁটাহাঁটির ভিডিও ফেসবুকে প্রকাশ করে দেশজুড়ে আলোচনায় এসেছিলেন তিনি।

জানা যায়, সিলেট জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচন জেলা ও বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়। বিউটি পাল ছাড়াও আরও সাতজন শিক্ষক এ সম্মাননা পাচ্ছেন।

সিলট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে বাছাইকৃত শিক্ষকদের মধ্য থেকে চারজনকে জেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। নির্বাচিতরা হলেন- সিলেট সদর উপজেলার জহিরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জামাল উদ্দিন লস্কর, ওসমানীনগর উপজেলার আদমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছাম্মত নুরজাহান বেগম, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার পিঠাইটিকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিউটি রানী পাল এবং গোলাপগঞ্জ উপজেলার ১নং চৌধুরীবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আদরী রানী দাস।

এ বিষয়ে ২১ সেপ্টেম্বর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাখাওয়াত এরশেদ স্বাক্ষরিত এক স্মারকে নির্বাচিত শিক্ষকদের তথ্য বিভাগীয় কার্যালয়ে পাঠানো হয়।

অন্যদিকে, বিভাগীয় উপপরিচালকের কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, সিলেট বিভাগের চার জেলার মধ্যে থেকে তিনজন শিক্ষককে বিভাগীয় পর্যায়ে গুণী শিক্ষক হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। তারা হলেন- মৌলভীবাজার সদর উপজেলার গিয়াসনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লতিফা নিলুফার, হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার গজনাইপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ডলি রানী দেব এবং সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার নয়াবন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল আলম।

বিভাগীয় উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) এ কে এম সাইফুল হাসান স্বাক্ষরিত ২২ সেপ্টেম্বরের পত্রে বলা হয়, আগামী ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায়ে এ নির্বাচন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।

এদিকে, জেলা পর্যায়ে নির্বাচিতদের মধ্যে ফেঞ্চুগঞ্জের পিঠাইটিকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিউটি রানী পাল ২০২৬ সালে সিলেট জেলার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক হিসেবেও সম্মাননা পান। তিনি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী।

গত জুলইয়ে বিউটি রানীর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে একটি গোষ্ঠীর তোপের মুখে পড়েন সিলেটের স্কুল শিক্ষিকা বিউটি রানী পাল। ফেসবুকে তাকে নিয়ে ট্রল-হেনস্তা করছেন কেউ কেউ। এমনকি ভিডিও করার কারণে জেলা পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ এই স্কুল শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি ওঠে।

তবে এমন পরিস্থিতিতে বিউটি পালের পাশে দাঁড়ান তার সহকর্মীসহ নানা পেশার মানুষজন। অভিনব পন্থায় বিউটি পালকে নিয়ে ট্রলের প্রতিবাদ জানান সারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শিক্ষকসহ নানা পেশার মানুষ। বিউটি পালের সাথে সংহতি জানিয়ে ফেসবুকে গানের সাথে নিজের ভিডিও আপ করন তারা।


সিলেটের খবর এর আরও খবর

img

শ্রীমঙ্গলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষক পেলেন ‘গুণী শিক্ষক’ স্বীকৃতি

প্রকাশিত :  ০৭:০৩, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সংগ্রাম দত্ত: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে উপজেলা পর্যায়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ‘গুণী শিক্ষক নির্বাচন-২০২৬’ সম্পন্ন হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষায় অবদান, পাঠদানে দক্ষতা, শিক্ষার্থীদের প্রতি দায়িত্বশীলতা এবং বিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রমে ভূমিকার মতো বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নিয়ে তিন শিক্ষককে ‘গুণী শিক্ষক’ হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচিত তিন শিক্ষক হলেন কুঞ্জবন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. একরামুল কবীর, ভাড়াউড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কল্যাণ দেব এবং ফটকি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নাদিরা আক্তার।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে এ নির্বাচন প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয়। এতে সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম। এ সময় উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা জ্যোতিষ রঞ্জন দাস উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচন প্রক্রিয়ায় শিক্ষকদের প্রাথমিক শিক্ষায় অবদান, পাঠদানের দক্ষতা, শিক্ষার্থীদের প্রতি দায়িত্বশীলতা এবং বিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রমে তাঁদের ভূমিকা বিবেচনা করা হয়। এসব ক্ষেত্রে সামগ্রিক অবদানের ভিত্তিতে তিন শিক্ষককে উপজেলা পর্যায়ে ‘গুণী শিক্ষক’ হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের স্বীকৃতি শিক্ষকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে উৎসাহিত করার পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।


সিলেটের খবর এর আরও খবর