img

হবিগঞ্জে কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা: দুই জনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত :  ০৮:২৫, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 হবিগঞ্জে কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা: দুই জনের মৃত্যুদণ্ড

হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জে কিশোরী জুবা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল-৩-এর বিচারক সৈয়দা মিনহাজ উম মুনীরা এ রায় ঘোষণা করেন। ফাঁসির দণ্ডাদেশের পাশাপাশি আসামিদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- নবীগঞ্জ উপজেলার হরিনগর গ্রামের মিরাশ উদ্দিনের ছেলে খলিল উদ্দিন (৩০) এবং একই গ্রামের ইশ্বাদ উল্লার ছেলে গোলাম হোসেন (৪৫)। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

আদালত ও মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২১ সালের ২৬ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে হরিনগর গ্রামের সুফি মিয়ার মেয়ে জুবা আক্তারকে (১৭) অপহরণের পর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যা করা হয়।

নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের পর অপরাধীরা কিশোরীর হাত-পা বেঁধে মরদেহ নবীগঞ্জ উপজেলার কাজীর বাজার-মার্কুলি সড়কের পাশের একটি ধানক্ষেতে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

এই ঘটনায় পরদিন নিহতের বাবা সুফি মিয়া বাদী হয়ে খলিল ও গোলাম হোসেনকে অভিযুক্ত করে নবীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ ঘটনার তদন্ত শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। রাষ্ট্রপক্ষের ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত আজ এই চূড়ান্ত রায় প্রদান করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট কামাল উদ্দিন সেলিম।

সিলেটের খবর এর আরও খবর

img

সুনামগঞ্জে পৃথক স্থান থেকে বৃদ্ধা ও যুবকের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত :  ১২:৪৩, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সুনামগঞ্জের দুটি পৃথক স্থান থেকে এক বৃদ্ধা ও এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার সকালে সদর উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের ধলাইড়পাড় থেকে বৃদ্ধার এবং দুপুরে শান্তিগঞ্জ উপজেলার ভিমখালী ইউনিয়নের কুতুবপুর কৃষ্ণতলা এলাকা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন- দোয়ারাবাজার উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের মনফর আলীর স্ত্রী খাইরুন নেছা (৬৫) এবং জামালগঞ্জ উপজেলার ভিমখালী ইউনিয়নের কালিপুর গ্রামের প্রয়াত গুরুসদয় দত্তের ছেলে সুমন দত্ত (৩৩)।

সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. রতন শেখ বলেন, সকালে ধলাইপাড়ের উত্তরে স্কুলের পাশের ডোবায় এক নারীর লাশ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

লাশ উদ্ধারের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি দিয়ে নারীর পরিচয় জানতে চায় পুলিশ। পরবর্তীতে ছবি দেখে পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশ।

তিনি বলেন, প্রথমে অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে লাশের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

শান্তিগঞ্জ থানার ওসি অলিউল্লাহ বলেন, শুক্রবার রাতে নিখোঁজ ছিলেন সুমন দত্ত। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তাকে না পেয়ে জামালগঞ্জ থানা পুলিশকে অবগত করেন স্বজনরা।

এদিন সকালে কুতুবপুর কৃষ্ণতলার পাশে খালে সুমনের লাশ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন স্বজনরা। দুপুরে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বিলাপ করছেন সুমন দত্তের মা সরস্বতি দত্ত।

অলিউল্লাহ বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য লাশ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে এ ঘটনায় স্বজনদের কেউ এখনো থানায় অভিযোগ করেননি।


সিলেটের খবর এর আরও খবর