img

সিলেট নির্বাচন কর্মকর্তার হাতে পর্তুগাল প্রবাসী লাঞ্ছিতের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র নেতৃবৃন্দ

প্রকাশিত :  ১৬:৫৪, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সিলেট নির্বাচন কর্মকর্তার হাতে পর্তুগাল প্রবাসী লাঞ্ছিতের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র নেতৃবৃন্দ

বৃটেনের কমিউনিটি সংগঠন গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র প্রেট্রন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. হাসনাত এম হোসেইন এমবিই, গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে\'র প্রেট্রন সিনিয়র সাংবাদিক কে এম আবু তাহের চৌধুরী, গ্রেটার সিলেট এর সাবেক চেয়ারপার্সন  বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী নুরুল ইসলাম মাহবুব ও সাবেক সেক্রেটারি ৭১এর বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আব্দুল কাইয়ুম কয়সর, গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে\'র কেন্দ্রীয় কনভেনর কমিউনিটি লিডার মোহাম্মদ মকিস মনসুর, কো কনভেনর আলহাজ্ব মসুদ আহমদ, সদস্য সচিব ড.মুজিবুর রহমান ও অর্থ সচিব এম আসরাফ মিয়া,সাউথ ইস্ট রিজিওনাল কনভেনর হারুনুর রশিদ, কো- কনভেনর জামাল হোসেন ও সদস্য সচিব তাজুল ইসলাম সহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় ও রিজিওনাল নেতৃবৃন্দ  শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে সিলেটের আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংক্রান্ত সেবা নিতে এসে জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তার হাতে এক প্রবাসী শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হওয়ার চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। সবার সামনে পর্তুগাল প্রবাসী ওই যুবকের দু\'গালে সিলেট আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীনের চড় মারার ঘটনায় তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। 

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রেমিট্যান্স যোদ্ধারা প্রবাসে দিনরাত কষ্টার্জিত অর্থ দেশে পাঠিয়ে জাতীয় অর্থনীতির মূল চাকা সচল রাখছেন। অথচ নিজ দেশে সরকারি সেবা নিতে এসে সরকারি দপ্তরগুলোতে প্রবাসীদের পদে পদে এভাবে শারীরিক ও মানসিকভাবে লাঞ্ছিত হতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত। সিলেট আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়ে একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার হাতে প্রবাসী যুবকের প্রহৃত হওয়ার ঘটনা প্রবাসীদের অধিকার, মর্যাদা ও সম্মানের ওপর সরাসরি আঘাত।

গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে\'র কেন্দ্রীয় কনভেনর ও ইউকে বিডি টিভির চেয়ারম্যান  মোহাম্মদ মকিস মনসুর, 

অবিলম্বে এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করে দোষী আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান। প্রবাসীদের ওপর এমন অমানবিক আচরণে জড়িত দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকর্তাদের দ্রুত চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। একই সাথে সরকারি অফিসগুলোতে প্রবাসীদের হয়রানি ও হেনস্তা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে প্রবাসীদের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় আগামীতে কঠোর কর্মসূচির নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ।

পর্তুগাল থেকে দেশে ফিরে এনআইডি সংক্রান্ত জ-টিলতা সমাধান করতে গিয়ে সিলেট আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়ে চর-ম হেন-স্থার শি-কার হয়েছেন এক প্রবাসী। জকিগঞ্জের এই প্রবাসীকে সবার সামনে দুই গালে চ-ড় মা-রার গু-রুতর অ-ভিযোগ উঠেছে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীনের বিরু-দ্ধে। 

ভু-ক্তভোগী প্রবাসীর অ-ভিযোগ, প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র নিয়ে হাজির হওয়ার পরও তার এনআইডির সম-স্যার সমাধান করা হয়নি। উল্টো কথা কা-টাকাটির একপর্যায়ে তাকে সবার সামনে অ-পমান করা হয় এবং শারীরিকভাবে লা-ঞ্ছিত করে দুই গালে চড় মা-রা হয়, যা নিয়ে স্থানীয় সেবা প্রার্থীদের মাঝে তী-ব্র ক্ষো-ভের সৃষ্টি হয়েছে।



সিলেটের খবর এর আরও খবর

img

জগন্নাথপুরে কাজ না করেই অর্থ উত্তোলনের চেষ্টা, ৯ প্রধান শিক্ষককে শোকজ

প্রকাশিত :  ১১:০২, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার ৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্ষুদ্র মেরামতের কাজ না করেই অসম্পূর্ণ ভাউচার দাখিল করে টাকা উত্তোলনের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষকদের বিরুদ্ধে। অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্ত ৯ প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

নোটিশপ্রাপ্ত বিদ্যালয়গুলো হলো- আশারকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুবাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাড়গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দিঘলবাক (খ) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জামারগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মক্রমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গণেশ্বরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মিরপুর মহল্লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং মোহাম্মদপুর সেরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ক্ষুদ্র মেরামত কাজের জন্য উক্ত ৯টি বিদ্যালয়ের বিপরীতে মোট ১২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি বিদ্যালয় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা করে বরাদ্দ পায়, যা দিয়ে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সংস্কার কাজ সম্পন্ন করার কথা ছিল। তবে কোনো প্রকার কাজ সম্পন্ন না করেই বরাদ্দকৃত অর্থ তুলে নিতে শিক্ষকরা ভুয়া ভাউচার জমা দেন বলে তদারকিতে উঠে আসে।

গত ৩ সেপ্টেম্বর জগন্নাথপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহবুবুর আলম স্বাক্ষরিত ওই নোটিশে আগামী ৫ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে কুবাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিপেশ দাস এবং মক্রমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুরজ্জন বর্মন দাবি করেন, তারা বিদ্যালয়ে সংস্কার কাজ শেষ করার পরই ভাউচার জমা দিয়েছিলেন।

এ বিষয়ে জগন্নাথপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহবুবুর আলম বলেন, ‘সরকারি বরাদ্দের স্বচ্ছতা রক্ষায় কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। কাজ না করেই অফিসে ভাউচার জমা দেওয়ার বিষয়টি তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। আগামী ৫ কার্যদিবসের মধ্যে শোকজের সন্তোষজনক জবাব পাওয়া না গেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সিলেটের খবর এর আরও খবর