img

শ্রীমঙ্গলের ভুরভুরিয়া ছড়ার পাড়ে শরতের শুভ্র কাশফুল, মুগ্ধ পর্যটকেরা

প্রকাশিত :  ১৬:২২, ২৯ আগষ্ট ২০২৬

শ্রীমঙ্গলের ভুরভুরিয়া ছড়ার পাড়ে শরতের শুভ্র কাশফুল, মুগ্ধ পর্যটকেরা

সংগ্রাম দত্ত: প্রকৃতিতে এখন শরতের রাজত্ব। নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা, বাতাসে দুলছে শুভ্র কাশফুল। শরতের এই অপরূপ রূপ-লাবণ্য চারপাশকে সাজিয়ে তুলেছে অনন্য সৌন্দর্যে। প্রকৃতির এই রূপ মনে করিয়ে দেয় কবি জীবনানন্দ দাশের অমর পঙ্‌ক্তি—‘বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই পৃথিবীর রূপ খুঁজিতে যাই না আর।’

চায়ের স্বর্গরাজ্য ও পর্যটননগর হিসেবে পরিচিত শ্রীমঙ্গলও এখন সেজেছে কাশফুলের শুভ্রতায়। শহরের ভানুগাছ সড়কের বেলতলী এলাকায় সবুজ চা-বাগানের ভেতর দিয়ে বয়ে চলা ভুরভুরিয়া ছড়ার দুই পাড়জুড়ে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে উঠেছে বিশাল কাশবন। শহর থেকে মাত্র আড়াই কিলোমিটার দূরে বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিটিআরআই) সংলগ্ন ভুরভুরিয়া ছড়ার পাড় ঘেঁষে প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ফুটেছে সাদা কাশফুল। বাতাসে দুলতে থাকা এই শুভ্র কাশফুল যেন হাতছানি দিয়ে ডাকছে প্রকৃতিপ্রেমী ও পর্যটকদের।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, ভানুগাছ সড়কের বেলতলী সংলগ্ন বিটিআরআই এলাকার বিস্তীর্ণ বালুচর ছেয়ে গেছে কাশফুলের শুভ্রতায়। বিশাল কাশবনে বাতাসে দুলছে অসংখ্য সাদা কাশফুল। নীল আকাশ, সাদা মেঘ আর কাশফুলের শুভ্রতা মিলেমিশে তৈরি করেছে নয়নাভিরাম দৃশ্য। এই সৌন্দর্য মুগ্ধ করছে দর্শনার্থীদের।

শরৎকালে নীল আকাশে সাদা মেঘের আনাগোনার সঙ্গে কাশফুল প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে তৈরি করে অন্য রকম আবেদন। তাই প্রতিদিন মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠছে বেলতলীর কাশফুলের বালুচর। বিভিন্ন বয়সী মানুষ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী এবং দূর-দূরান্ত থেকে আসা পর্যটকদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে উঠছে এলাকাটি।

শুক্রবার বিকেলে পরিবারের সদস্য ও বন্ধুবান্ধব নিয়ে অনেককে কাশফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেখা যায়। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও দল বেঁধে ঘুরছিলেন কাশবনে। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ কাশফুলে হাত বুলিয়ে নিচ্ছেন, আবার কেউ ব্যক্তিগত গাড়ি সড়কের পাশে থামিয়ে উপভোগ করছেন প্রকৃতির এই স্নিগ্ধতা। অনেকে মুক্ত বাতাসে পুরো বালুচর ঘুরে বেড়াচ্ছেন। সড়কের পাশে গাড়ি থামিয়ে কাশফুলের সঙ্গে ছবি তুলতেও দেখা যায় অনেক পথচারীকে।

কাশবনে ঘুরতে আসা কয়েকজন পর্যটক বলেন, ‘চা-বাগানের ফাঁকে ছড়ার পাশে দিগন্তজোড়া কাশফুল যেন এক অন্যরকম সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে। শুভ্র কাশফুলের দোল খাওয়ার দৃশ্য চোখ ও মন দুটোই ভরিয়ে দেয়। তা স্বচক্ষে দেখতেই এখানে আসা।’

কিশোরগঞ্জ জেলা শহর থেকে ঘুরতে আসা রনি ধর বলেন, ‘ঋতু পরিক্রমায় বাংলার প্রকৃতিতে এখন শরৎকাল। এ সময় রাশি রাশি কাশফুল তার অপরূপ সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে। শরতের এই শুভ্র সৌন্দর্য উপভোগ করতেই এখানে আসা।’

শ্রীমঙ্গলের ইছবপুর এলাকার বাসিন্দা ও প্রধান শিক্ষক কল্যাণ দেব বলেন, ‘ভুরভুরিয়া ছড়ার পাড় ঘেঁষে বিশাল এলাকাজুড়ে প্রস্ফুটিত সাদা কাশফুল হাতছানি দিয়ে ডাকছে প্রকৃতিপ্রেমী ও পর্যটকদের। শুভ্র কাশফুল যেন প্রকৃতিকে সাজিয়ে তুলেছে অনন্য রূপে। বাতাসে দোল খাওয়া কাশফুলের মনোরম দৃশ্য পর্যটকদের আকর্ষণ করছে।’

গণমাধ্যমকর্মী ও শ্রীমঙ্গল প্রেস ক্লাবের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এএফএম আব্দুল হাই বন বলেন, ‘দিগন্তজোড়া কাশফুলের মনোরম দৃশ্য যে কাউকে আন্দোলিত করে। শরৎ ঋতুর অন্যতম বৈশিষ্ট্য কাশফুল পর্যটন আকর্ষণেও বড় ভূমিকা রাখছে।’

শহরের ব্যবসায়ী প্রণব চক্রবর্তী বলেন, ‘শ্রীমঙ্গলের কাশবন স্থানীয়দের পাশাপাশি পর্যটকদের কাছেও প্রতি বছর প্রায় দুই মাসের জন্য দারুণ আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। শরতের ঝকঝকে আকাশের নিচে হাওয়ায় দোল খায় শুভ্র কাশফুল—এ দৃশ্য উপভোগ করতে ছুটে আসেন নানা বয়সী মানুষ।’

উদ্ভিদবিজ্ঞানীদের মতে, কাশফুল এক ধরনের বহুবর্ষজীবী ঘাসজাতীয় উদ্ভিদ। এটি সাধারণত প্রায় ৩ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। নদী বা ছড়ার তীরে ফুটে থাকা শ্বেতশুভ্র কাশবন দেখতে অত্যন্ত মনোরম।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আগস্টের মাঝামাঝি থেকে শুরু হয়ে সেপ্টেম্বরজুড়ে কাশফুলের এই মেলা থাকে। বিশেষ করে সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে এখানে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। শরতের এই সাময়িক সৌন্দর্য উপভোগ করতে শ্রীমঙ্গল ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ ছুটে আসেন।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি শ্রীমঙ্গল। চায়ের রাজ্য ও পর্যটননগর হিসেবে দেশের মানুষের কাছে এই উপজেলার আলাদা পরিচিতি রয়েছে। চা-বাগান, পাহাড়, বনাঞ্চল ও বৈচিত্র্যময় প্রাকৃতিক পরিবেশের কারণে সারা বছরই এখানে দেশ-বিদেশের পর্যটকদের আনাগোনা থাকে। উপজেলা শহর হলেও দেশের কোনো কোনো বিভাগীয় শহরের চেয়েও শ্রীমঙ্গল গুরুত্বপূর্ণ ও উন্নত জনপদ হিসেবে পরিচিত। প্রতিদিন শত শত দেশি-বিদেশি পর্যটক এখানে ভ্রমণে আসেন। শরতে সেই পর্যটন আকর্ষণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে ভুরভুরিয়া ছড়ার পাড়ের এই প্রাকৃতিক কাশবন।

তবে কাশবনের সৌন্দর্য রক্ষায় দর্শনার্থীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশবাদীরা। তাঁদের মতে, কাশফুল না ছিঁড়ে এবং কাশবনের ক্ষতি না করে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করা উচিত। পাশাপাশি বালুচর ও ছড়ার পাড়ে ময়লা-আবর্জনা না ফেলার বিষয়েও দর্শনার্থীদের সচেতন থাকা প্রয়োজন।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দর্শনার্থীদের সচেতনতা ও দায়িত্বশীল আচরণে শ্রীমঙ্গলের এই প্রাকৃতিক কাশবন আরও দীর্ঘদিন টিকে থাকবে। শরতের শুভ্রতায় প্রতিবছরই প্রকৃতিপ্রেমী ও পর্যটকদের মুগ্ধ করবে ভুরভুরিয়া ছড়ার পাড়ের এই কাশফুলের রাজ্য—এটাই তাঁদের প্রত্যাশা।




সিলেটের খবর এর আরও খবর

img

হঠাৎ হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, এক চিকিৎসককে স্থায়ী বরখাস্তের নির্দেশ

প্রকাশিত :  ১২:৪০, ২৯ আগষ্ট ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৩:৪১, ২৯ আগষ্ট ২০২৬

কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ঝটিকা পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। আজ শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে হাসপাতালে গিয়ে বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন তিনি। এ সময় রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার বাস্তব চিত্র, হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ও নানা অনিয়মের বিষয়ে সরাসরি খোঁজ নেন মন্ত্রী।

পরিদর্শনকালে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় হাসপাতালের ফার্মাসিস্ট রিগান হোসেনকে স্ট্যান্ড রিলিজের নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মাহবুবুল আলম সঙ্গে সঙ্গেই তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ করে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বদলি করেন।

এ ছাড়া হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের সাময়িক বরখাস্তকৃত মেডিক্যাল অফিসার ডা. মেহেদী হাসান দীর্ঘ আড়াই বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করায় তাকেও স্থায়ীভাবে বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী।

হাসপাতালের একটি ওয়ার্ড পরিদর্শনের সময় এক শিশু রোগীর অভিভাবক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে চিকিৎসাসেবা নিয়ে অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে রোগী ও স্বজনদের বিভিন্ন ধরনের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। কাঙ্ক্ষিত সেবা পেতেও নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়।

পরে অন্যান্য রোগী ও স্বজনদের সঙ্গেও কথা বলেন মন্ত্রী। তারা চিকিৎসাসেবার মান, ওষুধ ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা, ব্যবস্থাপনা এবং দালালদের দৌরাত্ম্যসহ বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনের খবর পেয়ে সেখানে উপস্থিত হন হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক আহমেদ আলী মুকিব, জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজ, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আমিনুল হক সরকার, হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. জাভেদ জিল্লুল বারী, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হকসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

মন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে রোগীদের চিকিৎসা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। চিকিৎসক-নার্সদের দায়িত্ব পালন, রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সুযোগ-সুবিধা এবং হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কেও খোঁজ নেন তিনি।

পরিদর্শন শেষে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকে চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়ন ও রোগীদের ভোগান্তি কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে কোনো রোগী বা স্বজন যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করেন তিনি।

এদিকে হঠাৎ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হাসপাতালে উপস্থিত হওয়ায় চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ব্যস্ততা দেখা যায়। তবে পূর্বঘোষণা ছাড়া পরিদর্শন হওয়ায় রোগীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পান মন্ত্রী।

মন্ত্রীকে পেয়ে সরাসরি হাসপাতালের সেবার বাস্তব চিত্র ও দালালদের দৌরাত্ম্যের কথা বলতে পেরে খুবই সন্তুষ্ট হয়েছেন বলে জানান রোগীদের কয়েকজন স্বজন৷

রোগী ও স্বজনদের প্রত্যাশা, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এই আকস্মিক পরিদর্শনের পর হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা ও ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আসবে এবং রোগীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমবে।

পরে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন মন্ত্রী৷ তিনি বলেন, গত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট সরকার আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে অত্যন্ত অবহেলা করেছে। কোনো কাজ করেনি। বরং চুপ করে ছিল। হাসপাতালের ৫ বছর আগের একটি জেনারেটর ফেলে রেখেছে। কোনো কার্যক্রম করেনি। আজ (শনিবার) আমি নির্দেশনা দিয়েছি এটি খুলে দেখার জন্য। যেন কাজে লাগানো যায়। ডাক্তার নিয়োগ করেনি। টাকা পয়সা লুট করেছে। প্রতিটি কাজে অবহেলা করেছে। শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি করেনি। নতুন ভবন করেনি। বিভিন্ন খাত থেকে প্রচুর লুটপাট করেছে।

তিনি বলেন, আমরা দায়িত্ব নেয়ার পর সবার জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করণের লক্ষ্যে কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। আসলে জনসংখ্যার তুলনায় প্রায় হাসপাতালগুলোতেই রোগী অত্যধিক হওয়ায় বেডের বাইরেও রোগী থাকতে হয়। সব রোগীকে খাবার দেওয়া যায় না। কোড নম্বর দিতে হয় ১০০ এর জন্য, কিন্তু রোগী হয় আড়ইশ’। বেড, খাবার আমরা বৃদ্ধি করছি। আমি অন্য জায়গায় যা দেখেছি তার থেকে এখানে অনেক খারাপ অবস্থা। এখানে চিকিৎসক অপ্রতুল। এত রোগীর তুলনায় চিকিৎসকের সংখ্যা অনেক কম।

আশাবাদ ব্যক্ত করে মন্ত্রী বলেন, আমরা চিকিৎসকের সংখ্যা বৃদ্ধি করবো। ইতোমধ্যেই ৫ জন চিকিৎসককে আমরা এখানে পদায়ন করেছি। তারা যোগদানের পর আরও চিকিৎসক আমরা এখানে দেব।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মেডিকেল কলেজে ৫০টি এবং সদর হাসপাতালের জন্য আরও ৫০টি ডায়ালাইসিস মেশিন দেওয়া হবে। প্রতিটি জেলায়ই এভাবে দেওয়া হবে। তাহলে ঢাকা বা অন্য কোনো বড় শহরের উপরে রোগীর চাপ অনেক কমে যাবে। ইউনিয়ন হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্স থাকবে। তারা ঘরে ঘরে দিয়ে মায়েদের দেখবে। বিভিন্ন পরীক্ষা করবে। আমরা উদ্যোগ নিচ্ছি সবার জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা যায়।


সিলেটের খবর এর আরও খবর