img

দিরাইয়ে নদী থেকে নারীর লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত :  ১৮:৪৭, ২৬ আগষ্ট ২০২৬

 দিরাইয়ে নদী থেকে নারীর লাশ উদ্ধার

সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলায় মরা সুরমা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত এক নারীর পরিচয় শনাক্ত হয়েছে।

তার নাম লাকি বেগম (৩০)। তিনি উপজেলার জগদল ইউনিয়নের জগদল গ্রামের মৃত আব্দুশ শহিদ মিয়ার মেয়ে।

সোমবার দুপুরে উপজেলার করিমপুর ইউনিয়নের রজনীগঞ্জ (টানাখালী) বাজার সংলগ্ন মরা সুরমা নদী থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুরে রজনীগঞ্জ (টানাখালী) বাজারের পাশের নদীতে এক নারীর লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেন। পরে দিরাই থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে স্বজনেরা এসে লাশের পরিচয় নিশ্চিত করেন।

স্বজনদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, লাকি বেগমের মা-বাবা ও কোনো ভাই-বোন নেই। তিনি ছিলেন স্বামী পরিত্যক্তা ও নিঃসন্তান। প্রায় ১১ মাস ধরে তিনি শান্তিগঞ্জ উপজেলার সলফ গ্রামের কামাল মিয়ার বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করে আসছিলেন।

দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে এবং পরে পরিচয় শনাক্ত করা হয়। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সিলেটের খবর এর আরও খবর

img

সুনামগঞ্জে পৃথক স্থান থেকে বৃদ্ধা ও যুবকের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত :  ১২:৪৩, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সুনামগঞ্জের দুটি পৃথক স্থান থেকে এক বৃদ্ধা ও এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার সকালে সদর উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের ধলাইড়পাড় থেকে বৃদ্ধার এবং দুপুরে শান্তিগঞ্জ উপজেলার ভিমখালী ইউনিয়নের কুতুবপুর কৃষ্ণতলা এলাকা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন- দোয়ারাবাজার উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের মনফর আলীর স্ত্রী খাইরুন নেছা (৬৫) এবং জামালগঞ্জ উপজেলার ভিমখালী ইউনিয়নের কালিপুর গ্রামের প্রয়াত গুরুসদয় দত্তের ছেলে সুমন দত্ত (৩৩)।

সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. রতন শেখ বলেন, সকালে ধলাইপাড়ের উত্তরে স্কুলের পাশের ডোবায় এক নারীর লাশ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

লাশ উদ্ধারের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি দিয়ে নারীর পরিচয় জানতে চায় পুলিশ। পরবর্তীতে ছবি দেখে পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশ।

তিনি বলেন, প্রথমে অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে লাশের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

শান্তিগঞ্জ থানার ওসি অলিউল্লাহ বলেন, শুক্রবার রাতে নিখোঁজ ছিলেন সুমন দত্ত। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তাকে না পেয়ে জামালগঞ্জ থানা পুলিশকে অবগত করেন স্বজনরা।

এদিন সকালে কুতুবপুর কৃষ্ণতলার পাশে খালে সুমনের লাশ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন স্বজনরা। দুপুরে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বিলাপ করছেন সুমন দত্তের মা সরস্বতি দত্ত।

অলিউল্লাহ বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য লাশ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে এ ঘটনায় স্বজনদের কেউ এখনো থানায় অভিযোগ করেননি।


সিলেটের খবর এর আরও খবর