img

জগন্নাথপুরে জুমার নামাজে যাওয়ার পথে ২ জন গুলিবিদ্ধ

প্রকাশিত :  ০৭:৪১, ২২ আগষ্ট ২০২৬

 জগন্নাথপুরে জুমার নামাজে যাওয়ার পথে ২ জন গুলিবিদ্ধ

সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুরে পূর্ব বিরোধের জেরে জুমার নামাজে মসজিদে যাওয়ার পথে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন দুইজন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ইউনিয়নের শাহারপাড়া (নারায়নপুর) গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

গুলিবিদ্ধরা হলেন, তিলক গ্রামের জিলু আলীর ছেলে মিসবাহ উদ্দিন (৩০) ও নারায়নপুর গ্রামের জহুর উদ্দিনের ছেলে আব্দুল হাকিম (৭০)। আহতদের সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, নারায়নপুর গ্রামের সিরাজ মিয়ার ছেলে রাসেল মিয়া সঙ্গে একই গ্রামের মৃত আন্দুর মিয়ার ছেলে আতাব মিয়ার দীর্ঘদিন ধরে পূর্ব বিরোধ চলছিল। এরই জেরে শুক্রবার জুমার নামাজে মসজিদে যাওয়ার পথে উভয়পক্ষের লোকজন সংঘর্ষ লিপ্ত হন। এক পর্যায়ে আতাব মিয়ার পক্ষের মিসবাহ ও আব্দুল হেকিম গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। পরে তাদের সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, সংর্ঘষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এখনো কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। তবে, আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি।

সিলেটের খবর এর আরও খবর

img

ছাতকের চা বিক্রেতার মেয়ে রুহি পেলো ৭৫ লাখ টাকার স্কলারশিপ

প্রকাশিত :  ১৩:৪৮, ২২ আগষ্ট ২০২৬

সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকের মেয়ে মেরিন জামান রুহি উচ্চশিক্ষার জন্য চট্টগ্রামের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন (AUW) থেকে প্রায় ৭৫ লাখ টাকা (৬০ হাজার মার্কিন ডলার) মূল্যের স্কলারশিপ পেয়েছেন।

এই স্কলারশিপের আওতায় আগামী চার বছর এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনে স্নাতক পর্যায়ে পড়াশোনার সুযোগ পাবেন রুহি।

উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের গনেশপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল কাদিরের মেয়ে রুহি। আব্দুল কাদির পেশায় চা বিক্রেতা। নৌকা দিয়ে চা বিক্রি করেন। দরিদ্র পরিবারের সন্তান হয়েও তাঁর এমন অর্জন এলাকায় ব্যাপক প্রশংসা ও আনন্দের সৃষ্টি করেছে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের সন্তান রুহির উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন থাকলেও সামর্থ্যের সীমাবদ্ধতা ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। তবে সেই সীমাবদ্ধতা তাঁকে থামাতে পারেনি। নিজের মেধা, পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে তিনি অর্জন করেছেন দেশের অন্যতম আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ার সুযোগ।

রুহির এই সাফল্যে তাঁর পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের পাশাপাশি গর্বের অনুভূতি তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে এলাকার শিক্ষার্থী ও তরুণদের কাছে তাঁর এ অর্জন অনুপ্রেরণার হয়ে উঠেছে।

রুহির স্বজনরা জানান, সীমিত সামর্থ্যের পরিবার থেকে উঠে এসে রুহির এমন সাফল্য তাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের। তাঁর উচ্চশিক্ষার পথচলায় পরিবারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা ও দোয়া থাকবে।

স্থানীয়রা বলেন, রুহির এ অর্জন শুধু তার পরিবারের নয়, পুরো ছাতকবাসীর জন্য গর্বের বিষয়। তার সাফল্য এলাকার অন্য শিক্ষার্থীদেরও উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখতে উৎসাহিত করবে।

সিলেটের খবর এর আরও খবর