img

চুনারুঘাটে ধানখেতে পড়েছিল যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ

প্রকাশিত :  ০৬:৩৩, ২০ আগষ্ট ২০২৬

 চুনারুঘাটে ধানখেতে পড়েছিল যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ

হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাটে সুজন মিয়া (৩৫) নামে এক যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে উপজেলার মিরাশী ইউনিয়নের রাকি গ্রামের একটি ধানখেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত সুজন মিয়া উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের কালামণ্ডল গ্রামের বাসিন্দা। তিনি রাকি গ্রামের রশিদ মিয়ার মেয়ের জামাই। বিয়ের পর থেকে স্ত্রী ও এক সন্তানকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ির এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে রাকি গ্রামের একটি ধানখেতে সুজন মিয়ার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

পরে খবর পেয়ে চুনারুঘাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গিয়াস উদ্দিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির কাজ শুরু করে।

সুজন মিয়ার মৃত্যুর কারণ নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা চলছে। এটি হত্যাকাণ্ড নাকি অন্য কোনো কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তদন্ত শুরু করেছে। তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

সিলেটের খবর এর আরও খবর

img

সুনামগঞ্জে পৃথক স্থান থেকে বৃদ্ধা ও যুবকের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত :  ১২:৪৩, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সুনামগঞ্জের দুটি পৃথক স্থান থেকে এক বৃদ্ধা ও এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার সকালে সদর উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের ধলাইড়পাড় থেকে বৃদ্ধার এবং দুপুরে শান্তিগঞ্জ উপজেলার ভিমখালী ইউনিয়নের কুতুবপুর কৃষ্ণতলা এলাকা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন- দোয়ারাবাজার উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের মনফর আলীর স্ত্রী খাইরুন নেছা (৬৫) এবং জামালগঞ্জ উপজেলার ভিমখালী ইউনিয়নের কালিপুর গ্রামের প্রয়াত গুরুসদয় দত্তের ছেলে সুমন দত্ত (৩৩)।

সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. রতন শেখ বলেন, সকালে ধলাইপাড়ের উত্তরে স্কুলের পাশের ডোবায় এক নারীর লাশ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

লাশ উদ্ধারের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি দিয়ে নারীর পরিচয় জানতে চায় পুলিশ। পরবর্তীতে ছবি দেখে পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশ।

তিনি বলেন, প্রথমে অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে লাশের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

শান্তিগঞ্জ থানার ওসি অলিউল্লাহ বলেন, শুক্রবার রাতে নিখোঁজ ছিলেন সুমন দত্ত। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তাকে না পেয়ে জামালগঞ্জ থানা পুলিশকে অবগত করেন স্বজনরা।

এদিন সকালে কুতুবপুর কৃষ্ণতলার পাশে খালে সুমনের লাশ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন স্বজনরা। দুপুরে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বিলাপ করছেন সুমন দত্তের মা সরস্বতি দত্ত।

অলিউল্লাহ বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য লাশ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে এ ঘটনায় স্বজনদের কেউ এখনো থানায় অভিযোগ করেননি।


সিলেটের খবর এর আরও খবর