img

টাঙ্গুয়ায় হাউসবোট থেকে পানিতে লাফ পর্যটকের, পরে লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত :  ১৫:৩৩, ২৮ আগষ্ট ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৫:৫৮, ২৮ আগষ্ট ২০২৬

 টাঙ্গুয়ায় হাউসবোট থেকে পানিতে লাফ পর্যটকের, পরে লাশ উদ্ধার

সুনামগঞ্জ জেলার টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউসবোটে করে বেড়াতে গিয়ে গোসলে নেমে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বেলা ১১ টার দিকে তাহিরপুর উপজেলার লামাগাঁও বাজার ঘাটে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত যুবকের নাম আব্দুল মাজেদ পিকলু (২৪)। তিনি রাজশাহীর শাহামধ্যম উপজেলার মধ্যম ওদাপাড়া গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে।

জানা যায়, গোসল করতে হাউসবোট থেকে পানিতে লাফিয়ে পড়েছিলেন আব্দুল মাজেদ পিকলু। কিন্তু হাউসবোটে উঠতে না পেরে নিখোঁজ হন তিনি। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় দেড় ঘণ্টা পর স্থানীয় লোকজন পানি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

পুলিশ সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহীর শাহামধ্যম উপজেলা থেকে ১০ বন্ধু মিলে স্থানীয় একটি হাউসবোট ভাড়া করে সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণে যায়। পরে তাহিরপুর উপজেলার লামাগাঁও বাজারে খাবারসহ প্রয়োজনীয় মালামাল কেনার জন্য হাউসবোটটি ঘাটে ভেড়ানো হয়। এ সময় দলের কয়েকজন সদস্য বাজারে ওঠেন। এদিকে আব্দুল মাজেদ পিকলু হাউসবোট থেকে গোসলের জন্য পানিতে লাফ দেন। কিন্তু লাফ দেওয়ার পর তিনি আর হাউসবোটে উঠে আসেননি।

বিষয়টি বুঝতে পেরে হাউসবোটে থাকা অন্য সদস্য ও বাজারঘাটের স্থানীয় লোকজন পানিতে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজি করে তার মরদেহ উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে তাহিরপুর থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমদ বলেন, টাঙ্গুয়ার হাওরে ঘুরতে গিয়ে গোসলে নেমে হাউসবোটের একজন পর্যটক ডুবে মারা গেছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। তার স্বজনরা যোগাযোগ করেছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।

সিলেটের খবর এর আরও খবর

img

‘চাঁদা না পেয়ে’ আমেরিকা প্রবাসীর ঘর নির্মাণের যুবদল নেতার বাধার অভিযোগ

প্রকাশিত :  ০৫:২০, ২৯ আগষ্ট ২০২৬

হবিগঞ্জ আমেরিকা প্রবাসীর ঘর নির্মানে বাধা প্রদানের অভিযোগ ওঠেছে স্থানীয় এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। অভিযু্ক্ত যুবদল নেতার নাম শামসুল ইসলাম কামাল। গত ১৬ আগস্ট সকালে হবিগঞ্জের পশ্চিমবাজারাস্থ এলাকায় প্রবাসীর ঘর নির্মাণে তিনি বাধা দেন বলে অভিযোগ।

এ ব্যাপারে হবিগঞ্জের দ্রুত বিচার আদালতে প্রতিকার চেয়ে বৃহস্পতিবার ( ২৭ আগস্ট) একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন আমেরিকা প্রবাসীর পূত্র সানি আলম শ্রাবন (১৮)। অভিযােগে প্রধান অভিযুক্ত করেছেন ধর্মঘর ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের মৃত মো: হাফিজ উদ্দিনের পূত্র ও মাদবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো: শামসুল ইসলাম কামালকে(৫৮)।

এছাড়াও অন্য অভিযুক্তরা হলেন, মালঞ্চপুর গ্রামের মৃত সালেহ আহমদের পূত্র মো: ইমরান আহমেদ (৪০), আলীনগর গ্রামের মৃত মতিউর রহমান মাষ্টারের পূত্র মো: আশিকুর রহমান ওরফে মামুন মেম্বার (৪৫), একই গ্রামের মৃত একরাম হোসেনের পূত্র কুদ্দুছ মিয়া (৩০) ও কালিকাপুর গ্রামের মৃত মকবুল মিয়ার পূত্র মো: শাহ আলম (৫২)। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আসামী হিসেবে রয়েছেন ১০/১২ জন।

স্থানীয় থানা পুলিশকে অভিযোগটি সিআরপিসির ১৫৬(৩) ধারা অনুসারে এফআইআর হিসেবে গণ্যের আদেশ দিয়েছেন হবিগঞ্জের দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক মোহাম্মদ শাহেদুল আলম।

আদেশ প্রাপ্তির ৩ দিনের মধ্যে এফআইআর হিসেবে করত: বিষয়টি অবহিত করার নির্দেশও প্রদান করেছেন আদালত।

এ ব্যপারে মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহেল রানা বলেন, ৩ দিনের মধ্যে অভিযোগটি এফআইআর হিসেবে গণ্যের সময়সীমা দেয়া হয়েছে। তাই পুলিশ যথাসময়ে রেকর্ড করে প্রয়োজনীয় পদেক্ষপ গ্রহণ করবে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকা প্রবাসী শাহিনুর আলম। সম্প্রতি জমি কিনে বাড়ি তৈরীর প্রস্তুতি নেন তিনি। তার অবর্তমানে সেই কাজের দায়িত্ব নেন ছেলে সানি আলম শ্রাবন। তবে যুবদল নেতা মো: শামছুল ইসলাম কামাল আমেরিকা প্রবাসী শাহিনুর আলমের সাথে যোগাযোগ করে বাড়ি নির্মাণের জন্য ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তবে চাঁদা না দেওয়ায় ৫ সহযোগীকে নিয়ে শামসুল ইসলাম ভয়ভীতি দেখিয়ে বাড়ির কাজ বন্ধ করে দেন বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়। এসময় শামসুল ইসলাম ও তার লোকজন মারধর করেন বলেও অভিযোগ করা হয়।

সিলেটের খবর এর আরও খবর