img

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরসহ রাতের হামলার মূল পরিকল্পনাকারী গ্রেপ্তার

প্রকাশিত :  ১৪:১৯, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৪:২৪, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরসহ রাতের হামলার মূল পরিকল্পনাকারী গ্রেপ্তার

রাজধানীর ইসিবি চত্বরে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ব্রাউনফিশ স্টুডিও ভাঙচুর এবং ওই জমিতে হামলার ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, স্টুডিওর জমির মালিক নিউ গিনি প্রপার্টিজ লিমিটেড এবং এলাকার অন্য জমির মালিকদের মধ্যে বিরোধের জের ধরে হামলার ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন হামলার মূল পরিকল্পনাকারী শাহরিয়ার, ভাসানটেক বস্তির মো. মামুন এবং মজুমদার মোড় এলাকার আসলাম ও মুন্না।

পুলিশ জানায়, নিউ গিনি প্রপার্টিজের কাছ থেকে একটি ফ্লোর ভাড়া নিয়ে সেখানে স্টুডিও তৈরি করেছিলেন সালমান মুক্তাদির। শনিবার দিবাগত রাতে দুই ট্রাকে করে লোকজন এসে স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

রাত পৌনে ২টার দিকে ব্রাউনফিশ স্টুডিওর ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে এসে সালমান মুক্তাদির বলেন, ‘একটু আগে এখানে হামলা হয়েছে এবং পুরো স্টুডিও ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।’

পরে তিনি অভিযোগ করেন, হামলাকারীদের মূল লক্ষ্য সম্ভবত ভবনের মালিক ছিলেন। তার কাছে চাঁদা দাবি করা হয়ে থাকতে পারে বলেও ধারণা প্রকাশ করেন সালমান।

ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, ‘নিউ গিনি প্রপার্টিজ ওই জমিতে একটি গেট তৈরি করে অন্যদের যাতায়াত আটকে দিয়েছিল। চলাচলে সমস্যার কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন সেখানে যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে মূল পরিকল্পনাকারীকে গ্রেপ্তার করেছি। বাকিদের গ্রেপ্তারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

এদিকে রোববার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘সম্ভবত ৩৫ কাঠার একটা ডিসপিউটেড ল্যান্ড। যেখানে দুই পক্ষের জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ আছে। এক পক্ষ নিউ গিনি প্রপার্টিজের। আরেক পক্ষ হলো একজন রিটায়ার্ড সিনিয়র সামরিক অফিসার। তাদের মধ্যেই বিরোধটা চলছিল। প্রাথমিক রিপোর্ট অনুসারে, রিটায়ার্ড কর্মকর্তার পক্ষে বেশ কিছু লোক রাতের অন্ধকারে এটা দখল করতে গিয়েছে।

এ ঘটনায় নিউ গিনি প্রপার্টিজের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।


জাতীয় এর আরও খবর

img

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলায় প্রজন্ম লীগ নেতা গ্রেপ্তার

প্রকাশিত :  ১৮:৪১, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের এক নেতাসহ আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। এ নিয়ে এ ঘটনায় গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে পাঁচজনে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট ও বেইলি রোড এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন যথাক্রমে শাহ আলম অনিক ও মো. শাহরিয়ার। এর আগে মো. মামুন, আসলাম, মুন্নাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ডিবিপ্রধান ও অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শাহ আলম অনিক মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক। সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় তার সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়েছে পুলিশ।

এর আগে রোববার দুপুরের পর রাজধানীর বেইলি রোড এলাকা থেকে হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত শাহরিয়ারকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। তিনি নিউ গিনি প্রপার্টিজের পক্ষ থেকে করা মামলার এক নম্বর আসামি। এছাড়া ভাসানটেক বস্তির মো. মামুন, মজুমদার মোড় এলাকার আসলাম ও মুন্নাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শাহ আলম অনিক একসময় ছাত্রলীগ ও পরে যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে তিনি মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে পরিচয় দিতেন। ৫ আগস্টের পর তিনি ‘কিলার ইব্রাহিমের’ দলে যোগ দেন এবং সেখানে ক্যাশিয়ার হিসেবে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউ গিনি প্রপার্টিজ এলাকায় সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। সালমান মুক্তাদিরের অভিযোগ, দুই ট্রাকে করে লোকজন এসে স্টুডিওতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে। পরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে হামলা ও ভাঙচুরের ভিডিও প্রকাশ করেন তিনি। এ সময় তিনি হামলার পেছনে চাঁদাবাজির অভিযোগও তোলেন।

পুলিশ জানায়, নিউ গিনি প্রপার্টিজের কাছ থেকে একটি ফ্লোর ভাড়া নিয়ে স্টুডিওটি তৈরি করেছিলেন সালমান মুক্তাদির। হামলার সময় স্টুডিওটির বিভিন্ন অংশ ভাঙচুর করা হয়।

ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, স্টুডিওর জমির মালিক নিউ গিনি প্রপার্টিজ লিমিটেড এবং এলাকার অন্য জমির মালিকদের মধ্যে বিরোধের জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় করা মামলায় পুলিশ হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। গ্রেপ্তার পাঁচজনের বিরুদ্ধে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।


জাতীয় এর আরও খবর