img

ধর্মীয় শিক্ষার কথা বলে মাদ্রাসায় নিয়ে স্কুলছাত্রকে ‘বলাৎকার’, হবিগঞ্জে মাদ্রাসা শিক্ষক কারাগারে

প্রকাশিত :  ১৪:১৪, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 ধর্মীয় শিক্ষার কথা বলে মাদ্রাসায় নিয়ে স্কুলছাত্রকে ‘বলাৎকার’, হবিগঞ্জে মাদ্রাসা শিক্ষক কারাগারে

হবিগঞ্জ শহরের রাজনগরে একটি আবাসিক মাদ্রাসায় সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় করা মামলায় সোমবার বিকেলে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি জাহেদুল হক।

গ্রেপ্তার সাদেকুল ইসলাম নবীগঞ্জ উপজেলার পিরিজপুর গ্রামের বাসিন্দা।

হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে রোববার রাত ১০টার দিকে হবিগঞ্জ শহরের রাজনগর জান্নাতুল মাওয়া কওমী মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষককে আটক করে পুলিশে দেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাতে শহরের রাজনগরের দি রোজেস স্কুলের ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া এক শিক্ষার্থীকে ধর্মীয় শিক্ষা দেয়ার কথা বলে কৌশলে তার মাদরাসায় নিয়ে যান সাদেকুল। রাতের বেলা তাকে বলাৎকার করেন এবং বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য হুমকি দেন। পরে ওই ছাত্র বিষয়টি তার পরিবারকে জানালে উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ওই শিক্ষককে মাদরাসা থেকে আটক করে পুলিশ।

হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক জানান, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। সোমবার বিকেলে অভিযুক্ত শিক্ষককে আদালতের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে রোববার রাত ১০টার দিকে স্থানীয়দের সহায়তায় রাজনগর এলাকার ওই মাদ্রাসা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।

সিলেটের খবর এর আরও খবর

img

কিশোরীকে অপহরণের পর রাতভর ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩

প্রকাশিত :  ১৮:৫৫, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সংগ্রাম দত্ত: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে অপহরণের পর একটি ভাড়া বাসায় আটকে রেখে রাতভর ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭ ও ৯(৩) ধারায় মামলা করেছেন। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলার ইছবপুর এলাকার দুলাল মিয়া (৩১), হবিগঞ্জ সদর উপজেলার চানপুর গ্রামের মো. জুয়েল মিয়া ওরফে সোহেল (২৬) এবং একই উপজেলার রিচি গ্রামের আল আমিন ইসলাম (২০)। তাঁরা শ্রীমঙ্গলের বিভিন্ন এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাতটার দিকে শ্রীমঙ্গল পৌরসভার উকিল বাড়ি রোড এলাকায় কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিল কিশোরীটি। পথে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে আসা কয়েকজন তাঁর গতিরোধ করেন। পরে তাঁকে জোরপূর্বক অপহরণ করে ইছবপুর এলাকায় দুলাল মিয়ার ভাড়া বাসায় নিয়ে যাওয়া হয় বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা থেকে পরদিন রোববার সকাল সাতটা পর্যন্ত ওই বাসায় কিশোরীকে আটকে রেখে আসামিরা পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। পরে ২৭ সেপ্টেম্বর সকাল নয়টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশনে ফেলে রেখে তাঁরা পালিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা রেলস্টেশন থেকে কিশোরীকে উদ্ধার করে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে পাঠান। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের গাইনি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ঘটনায় বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) কিশোরীর বাবা শ্রীমঙ্গল থানায় মামলা করেন। মামলার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে।

শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরকার আব্দুল্লাহ আল মামুন গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, গণধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

সিলেটের খবর এর আরও খবর