img

লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সদস্য আবু সাঈদ চৌধুরী সাদির মাতার ইন্তেকাল: ক্লাব নেতৃবৃন্দের শোক

প্রকাশিত :  ০৫:২৪, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সদস্য আবু সাঈদ চৌধুরী সাদির মাতার ইন্তেকাল: ক্লাব নেতৃবৃন্দের শোক

লন্ডন, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬: লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সদস্য ও লিভারপুল বাংলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ চৌধুরী সাদির মা মরিয়মুন নেছা চৌধুরী ইন্তেকাল করেছেন। গত ২৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে সিলেট নগরীর সুবিদবাজারে নিজ বাসভবনে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। তিনি তিন ছেলে ও চার মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। শুক্রবার বাদ জুমা গোলাপগঞ্জ উপজেলার বরায়া-রফিপুর নয়া জামে মসজিদে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়।

লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের শোক

সাদির মায়ের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দ। এক শোকবার্তায় ক্লাবের প্রেসিডেন্ট ব্যারিস্টার তারেক চৌধুরী, সেক্রেটারি আকরামুল হোসাইন ও ট্রেজারার মো. আব্দুল হান্নান মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে তাঁদের ধৈর্য ধারণের শক্তি দিতে মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন।

কমিউনিটি এর আরও খবর

img

বাংলাদেশ সেন্টারের উদ্যোগে পূর্ব লন্ডনে প্রবীণদের মিলনমেলা

প্রকাশিত :  ১৯:১১, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৯:২৪, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে সময়মতো ঘুম, হেলদি খাবার, ফাস্টিং ও ব্যায়ামের পরামর্শ

যুক্তরাজ্যের ব্রিটিশ-বাংলাদেশি প্রবীণ নাগরিকদের নিয়ে পূর্ব লন্ডনে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশেষ ‘এভারগ্রীন কমিউনিটি- সিনিয়র সিটিজেন ‘ কর্মসূচি । বাংলাদেশ সেন্টার লন্ডনের উদ্যোগে আয়োজিত এ বিশেষ আউটরিচ ইভেন্টে প্রবীণ নাগরিকরা পারস্পরিক গল্প ও অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি, সৌহার্দ্যপূর্ণ আলাপচারিতা, আড্ডা এবং মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন।

২৭ সেপ্টেম্বর রোববার পূর্ব লন্ডনের হারক্সনেস চিলড্রেল সেন্টারে দুপুরে অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন ইউসিএল কুইন স্কয়ার ইনস্টিটিউট অব নিউরোলজির অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. শাহজালাল সরকার। তিনি প্রবীণ নাগরিকদের সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন নিয়ে অনুপ্রেরণামূলক ও পরামর্শমূলক বক্তব্য দেন।

ড. শাহজালাল সরকার তার বক্তব্যে প্রবীণদের হেলদি লাইফস্টাইল বজায় রাখতে চারটি বিষয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন—প্রথমত, সময়মতো ঘুম—শরীর ও মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত ও নিয়মিত ঘুম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

দ্বিতীয়ত, হেলদি খাবার—সুষম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের মাধ্যমে শরীরকে সুস্থ রাখার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

তৃতীয়ত, ফাস্টিং বা নিয়ন্ত্রিত উপবাস—ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা ও প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিকভাবে ফাস্টিং করার বিষয়েও তিনি গুরুত্ব দেন।

চতুর্থত, নিয়মিত ব্যায়াম—বয়স বাড়লেও শারীরিক সক্ষমতা, চলাফেরার স্বাভাবিকতা ও স্বাধীনতা ধরে রাখতে নিয়মিত ব্যায়াম ও শারীরিক কর্মকাণ্ডের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন তিনি।

বাংলাদেশ সেন্টারের ফার্স্ট ভাইস-চেয়ারম্যান দেলওয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মাদ আমিনুল হক জিল্লুর সঞ্চালনায়  অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ সেন্টারের ফার্স্ট ভাইস-চেয়ারম্যান দেলওয়ার হোসেন জানান, প্রবীণ নাগরিকদের মোবিলিটি, স্বাস্থ্য, সুস্থতা ও স্বনির্ভরতা বজায় রাখার পাশাপাশি তাদের সামাজিক যোগাযোগ বৃদ্ধি করাই এ কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেন্টারের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আসুক আহমেদ, আলহাজ্ব আব্দুল শফিক ও হারুন মিয়া উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বাংলাদেশ সেন্টারের ভাইস-চেয়ারম্যান ড. ছানাওর চৌধুরী, চিফ ট্রেজারার সামছুল ইসলাম সেলিম, জামাল মিয়া, আব্দুল হাই, মামুন রশিদ, আহাদ সরোয়ার, কাউন্সিলর শাফি আহমেদ, কাউন্সিলর কামরুল হোসেন মুন্না এবং সাবেক কাউন্সিলর আহবাব হোসেনসহ কমিউনিটির প্রবীণ গুণীজন ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ সেন্টারের হেলথ অ্যান্ড এল্ডারলি কেয়ার উপকমিটির আহ্বায়ক জামাল মিয়া এবং যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আব্দুল হাই অনুষ্ঠানে প্রবীণ নাগরিকদের স্বাগত জানান।

আয়োজকরা বলেন, প্রবীণরা সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ও সম্মানিত অংশ। তাদের জীবনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, অবদান ও মূল্যবান পরামর্শ নতুন প্রজন্মের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। তাই প্রবীণরা যাতে একাকীত্ব অনুভব না করেন এবং সমাজের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ আরও শক্তিশালী হয়, সেই লক্ষ্যেই এ ধরনের আয়োজন করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া প্রবীণ নাগরিকরা আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, এ ধরনের মিলনমেলা তাদের মধ্যে নতুন প্রাণচাঞ্চল্য তৈরি করে এবং দীর্ঘদিনের পরিচিতদের সঙ্গে দেখা হওয়ার পাশাপাশি নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করে।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভবিষ্যতেও যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসরত প্রবীণ নাগরিকদের নিয়ে এ ধরনের মানবিক ও সামাজিক কর্মসূচি অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

অনুষ্ঠানের মূল বার্তা ছিল—বয়স বাড়লেও জীবন থেমে যায় না; সুস্থতা, সামাজিক যোগাযোগ ও আনন্দের মাধ্যমে প্রতিটি বয়সেই জীবনকে আরও সুন্দরভাবে উপভোগ করা সম্ভব।

কমিউনিটি এর আরও খবর