img

শ্রীলীলার সঙ্গে জুটি বাঁধছেন রজনীকান্ত, বয়সের ব্যবধান ৫০

প্রকাশিত :  ০৬:৩৭, ০৫ নভেম্বর ২০২৬

শ্রীলীলার সঙ্গে জুটি বাঁধছেন রজনীকান্ত, বয়সের ব্যবধান ৫০

দক্ষিণ ভারতীয় সুপারস্টার রজনীকান্তের আগামী সিনেমা ‘ধর্মন’ এ থাকছে নতুন চমক। এ সিনেমায় রজনীকান্তের সঙ্গে জুটি বাঁধবেন অভিনেত্রী শ্রীলীলা। প্রায় ৫০ বছর বয়সের ব্যবধানের এ জুটি নিয়ে দর্শকের কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণী সিনেমা ‘ধর্মন’ পরিচালনা করছেন অশ্বথ মারিমুথু। এই সিনেমার মধ্য দিয়ে প্রথমবার একসঙ্গে কাজ করতে যাচ্ছেন রজনীকান্ত ও পরিচালক। 

একইভাবে রজনীকান্তের সঙ্গেও পর্দা ভাগাভাগি করার সুযোগ পাচ্ছেন শ্রীলীলা। অভিনেত্রীকে স্বাগত জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। সেখানে সিনেমাটিতে তার উপস্থিতির আভাস দেওয়া হয়েছে।

রজনীকান্ত ও শ্রীলীলা ছাড়াও ছবির গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন সিমরন, নয়নতারা, যোগী বাবু ও রাশি খান্না। সিনেমাটির প্রথম প্রচার ঝলক প্রকাশের পর থেকেই রজনীকান্তের চরিত্র নিয়ে দর্শকের মধ্যে তৈরি হয়েছে নানা কৌতূহল। 

প্রাথমিকভাবে পাওয়া ইঙ্গিত অনুযায়ী, ছবিতে একজন চিকিৎসকের ভূমিকায় দেখা যেতে পারে অভিনেতাকে। তবে চরিত্রটির পরিচয় দিতে গিয়ে নির্মাতারা ‘কেট্টা পৈয়ন’ শব্দবন্ধ ব্যবহার করেছেন। এর অর্থ ‘খারাপ মানুষ’। ফলে চরিত্রটিতে নেতিবাচক বৈশিষ্ট্য থাকার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

দক্ষিণী চলচ্চিত্রে শ্রীলীলার ব্যস্ততা দিন দিন বাড়ছে। চলতি বছরের শুরুতে ‘পরাশক্তি’ সিনেমার মাধ্যমে তামিল ছবিতে অভিষেক হয় তার। এরপর একাধিক বড় বাজেটের সিনেমায় অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছেন তিনি। ধনুষ ও মমুটী অভিনীত আসন্ন ‘ওম’ সিনেমায় ধনুষের স্ত্রীর চরিত্র রোজা হিসেবে দেখা যাবে তাকে। এ ছাড়া অজিত কুমারের ‘ডেয়ারডেভিল’ সিনেমাতেও যুক্ত হয়েছেন শ্রীলীলা।

‘ধর্মন’-এর সংগীত পরিচালনা করছেন অনিরুদ্ধ রবিচন্দর। এর আগে ‘পেটা’, ‘দরবার’, ‘জেলার’, ‘ভেট্টৈয়ন’ ও ‘কুলি’ সিনেমায় রজনীকান্তের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। ফলে এই জুটির নতুন কাজ নিয়েও সংগীতপ্রেমীদের আগ্রহ রয়েছে। তবে এখনো সিনেমাটির মুক্তির তারিখ আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। নির্মাতাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের এপ্রিলে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে পারে ‘ধর্মন’।

img

গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরদিনই আদালতে পরীমনি

প্রকাশিত :  ০৫:৩৯, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৫:৪৬, ০৫ নভেম্বর ২০২৬

ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের দায়ের করা মারধর ও হত্যাচেষ্টার মামলায় জামিন নিতে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির হয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করবেন বলে জানা গেছে।

গতকাল বুধবার (৪ নভেম্বর) ঢাকার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১-এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক মাহফুজুর রহমান পরীমনির জামিন বাতিল করে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন। 

আদালত সূত্রে জানা গেছে, এ মামলায় সাক্ষীর জন্য ধার্য ছিল। বাদীপক্ষ আসামিদের জামিন বাতিলের আবেদন করেন। আসামি পরীর পক্ষের আইনজীবী সময়ের আবেদন করেন। সেখানে বলা হয় এলার্জি জনিতরোগে আক্রান্ত থাকায় তিনি আদালতে হাজির হতে পারেননি। পরে আদালত বাদীপক্ষের আবেদন মঞ্জুর করে পরীর জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।

এর আগে গত বছরের ২৬ জানুয়ারি এ মামলায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। ওইদিন পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরে আদালতে আত্মসমর্পণ জামিন পান তিনি।

২০২৪ সালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পরীমনি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিমের বিরুদ্ধে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করেন। তবে আরেক আসামি ফাতেমা তুজ জান্নাত বনির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে ঢাকার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত পিবিআইয়ের দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করেন আদালত। একইসঙ্গে পরীমনি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিমকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেন। এরপর তারা ২৪ সালের ২৫ জুন ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিন পান।

এর আগে ২০২১ সালের ৬ জুলাই ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব হাসানের আদালতে বোট ক্লাবের সভাপতি ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ বাদী হয়ে পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন।

এ মামলার অন্য দুই আসামি হলেন- পরীমনির সহযোগী ফাতেমা তুজ জান্নাত বনি ও জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিম।

মামলায় নাসিরউদ্দিন উল্লেখ করেন, পরীমনি ও তার সহযোগীরা অ্যালকোহল সেবনে অভ্যস্ত। তারা সুযোগ বুঝে বিভিন্ন নামীদামি ক্লাবে ঢুকে অ্যালকোহল পান করেন এবং পার্সেল নিয়ে মূল্য পরিশোধ করেন না। পরীমনি তার পরিচিত পুলিশ কর্মকর্তাদের দিয়ে মিথ্যা মামলা করিয়ে হয়রানির ভয় দেখান। ২০২১ সালের ৯ জুন রাত ১২টার পর আসামিরা সাভারের বোট ক্লাবে ঢোকেন এবং দ্বিতীয় তলার ওয়াশরুম ব্যবহার করেন। পরে তারা ক্লাবের ভেতরে বসে অ্যালকোহল পান করেন।