ভারতে লাফিয়ে বাড়ছে কোভিড, ২৪ ঘণ্টায় ৬ হাজার শনাক্ত
প্রকাশিত :
০৬:১১, ০৮ এপ্রিল ২০২৩
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতে আবারও করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় রাজ্যগুলোকে সতর্ক করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ছয় হাজার ৫০ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের।
যা গত সাড়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর একদিনে সর্বোচ্চ ৬ হাজার করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছিল।
এদিকে করোনা পরীক্ষায় জোর দেয়ার পাশাপাশি হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জোর দিতে বলা হয়েছে জিনোম সিকোয়েন্সিংয়েও। প্রতিটি হাসপাতালে অক্সিজেনের মজুত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে জনসাধারণকে মাস্ক পরার পাশাপাশি ঘনঘন হাত ধুতেও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়াও আগামী ১০ এবং ১১ এপ্রিল সব হাসপাতালে মহড়ারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
গত কয়েক দিন ধরেই ভারতে বৃদ্ধি পাচ্ছে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা। ভারতের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে দিল্লী ও মহারাষ্ট্রের করোনা পরিস্থিতি। এই দুই রাজ্যে বেশি শনাক্ত হচ্ছে।
টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, করোনার নতুন ধরন ‘এক্সবিবি ওয়ান সিক্সটিন’ নতুন করে সংক্রমণ বাড়ার পেছনে দায়ী বলে মনে করেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
করোনার ঝুঁকি: জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ভারতে না যাওয়ার পরামর্শ
প্রকাশিত :
১৯:১৪, ০৯ জুন ২০২৫
ভারতসহ পার্শ্ববর্তী কয়েকটি দেশে করোনাভাইরাসের নতুন ধরনের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় এবং অন্যান্য দেশে ভাইরাসের এই ধরনটি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় নতুন সতর্কতা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ভারত এবং ভাইরাস ছড়ানো অন্যান্য দেশে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি ঝুঁকি মোকাবেলায় সব স্থল ও বিমানবন্দরে হেলথ স্ক্রিনিং ও নজরদারি বাড়াতে বলা হয়েছে।
আজ সোমবার (৯ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. হালিমুর রশিদের স্বাক্ষরে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়।
নির্দেশনায় বলা হয়, পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাসের নতুন সাব ভেরিয়েন্ট, বিশেষ করে অমিক্রন এলএফ. ৭, এক্সএফজি, জেএন-১ এবং এনবি ১.৮.১ এর সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারীদের মাধ্যমে বাংলাদেশে এর সম্ভাব্য সংক্রমণ প্রতিরোধে ভারত ও অন্যান্য সংক্রামক দেশ এবং বাংলাদেশ থেকে ভারত এবং অন্যান্য সংক্রামক দেশে ভ্রমণকারী নাগরিকদের জন্য দেশের সকল স্থল, নৌ, বিমানবন্দরের আইএইচআর ডেস্কে নজরদারি জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি ঝুঁকি মোকাবিলায় কিছু কার্যক্রম নিতে হবে। গত বৃহস্পতিবার দেশে করোনায় একজনের মৃত্যু হয়। আশঙ্কাজনক না হলেও দেশে এ রোগের প্রকোপ বাড়ছে। আইসিডিডিআরবির গবেষকেরা করোনার নতুন একটি ধরন শনাক্তের কথা বলছেন। এর নাম এক্সএফজি। এর পাশাপাশি এক্সএফসি ধরনটিও পাওয়া গেছে। দুটোই করোনার শক্তিশালী ধরন অমিক্রনের জেএন-১ ভ্যারিয়েন্টের উপধরন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া সংক্রমণ প্রতিরোধে কিছু নির্দেশনা হলো:
- সাত বার প্রয়োজনমতো সাবান দিয়ে হাত ধোবেন (অন্তত ২৩ সেকেন্ড)। - নাক-মুখ ঢাকায় জন্য মাস্ক ব্যবহার করুন। - আক্রান্ত ব্যক্তি হতে কমপক্ষে ৩ ফুট দূরে থাকতে হবে - অপরিষ্কার হাতে চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ করবেন না - হাঁচি-কাশির সময় বাহ/ টিস্যু/ কাপড় দিয়ে নাক মুখ ঢেকে রাখুন। দেশে প্রবেশ পথের জন্য নির্দেশনা - দেশের বিভিন্ন স্থল/নৌ/ বিমান বন্দরসমূহে আইএইচআর (IHR-2005) স্বাস্থ্য ডেস্কসমূহে সতর্ক থাকা, হেলথ স্ক্রিনিং এবং সার্ভেল্যান্স জোরদার করুন। - দেশের পয়েন্টস অব এন্ট্রি সমূহে থার্মাল স্কান্যার/ ডিজিটাল হেন্ড হেল্ড থার্মোমিটারের মাধ্যমে নন টাচ টেকনিকে তাপমাত্রা নির্ণয় করুন।
- চিকিৎসা কাজে স্বাস্থ্যকর্মীদের ব্যবহারের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ মাস্ক, গ্লাভস এবং রোগ প্রতিরোধী পোশাক মজুত রাখুন (পিপিই)
- ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য রোগ প্রতিরোধ নির্দেশনা সমূহ প্রচার করুন। - জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত ভারত ও অন্যান্য আক্রান্ত দেশসমূহে ভ্রমণ করা থেকে বিরত থাকুন। সন্দেহজনক রোগীদের ক্ষেত্রে করণীয় - অসুস্থ হলে ঘরে থাকুন, মারাত্মক অসুস্থ হলে নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করুন। - রোগীর নাক-মুখ ঢাকার জন্য মাস্ক ব্যবহার করতে বলুন - প্রয়োজন হলে আইইডিসিআরের হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করুন (০১৪০১-১৯৬২৯৩)