img

সুমুদ ফ্লোটিলায় ইসরায়েলি হানা, কেমন আছেন শহিদুল আলম

প্রকাশিত :  ১০:১৫, ০২ অক্টোবর ২০২৫

সুমুদ ফ্লোটিলায় ইসরায়েলি হানা, কেমন আছেন শহিদুল আলম

শহিদুল আলম কেমন আছেন- সারা দেশের মানুষের মনে এখন এই প্রশ্নই ঘুরপাঁক খাচ্ছে। গাজামুখী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলায় বাংলাদেশ থেকে যোগ দিয়েছেন আলোকচিত্রী ও মানবাধিকারকর্মী শহিদুল আলম। বুধবার (১ অক্টোবর) রাতে এই নৌবহরে হানা দিয়েছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। এরই মধ্যে ১৩টি জাহাজ থেকে গ্রেটা থানবার্গসহ দুই শতাধিক কর্মী-সমাজসেবীকে বন্দি করেছে ইসরায়েল।

এরই মধ্যে ১৩টি জাহাজ থেকে গ্রেটা থানবার্গসহ দুই শতাধিক কর্মী-সমাজসেবীকে বন্দি করেছে ইসরায়েল। জানা গেছে, শহিদুল আলম কনসায়েন্স নামে একটি বড় জাহাজে রয়েছেন। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সেটি আটক হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

তবে উনার পরিবার জানিয়েছে, গত ২ ঘন্টা ধরে তাকে কোনভাবেই ট্রাক করতে পারছেন না তারা।

ফেসবুকে শহিদুল আলমের সবশেষ পোস্ট দেখা যাচ্ছে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা আগে (এই প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত)। ওই পোস্টে তিনি ইসরায়েলকে ইঙ্গিত করে ইংরেজিতে লেখেন, ‘আমরা বারবার যাত্রা করবো। কারণ এই জলসীমা তোমাদের নয়, ওই ভূখণ্ডও তোমাদের নয়; যতক্ষণ না ফিলিস্তিন স্বাধীন হচ্ছে।’

এর আগে একাধিক ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন শহিদুল আলম। এর একটিতে বুধবার সন্ধ্যায় তিনি বলেন, আমার ‘ড্রোন ওয়াচ’ দেখাচ্ছে- আরও এক ঘণ্টা যেতে হবে, যেখানে আমরা সাধারণত সম্ভাব্য আক্রমণের প্রতি নজর রাখি। আমার ওয়াচে এর আগে একটি তুর্কি জাহাজ দেখা গেছে, তবে এখন পর্যন্ত বিপজ্জনক কিছু ঘটেনি।

আরেক ভিডিওতে তিনি বলেন, আজ সন্ধ্যায় সমুদ্র উত্তাল হয়ে ওঠে, বজ্রপাত হয়, বিপদ আসে। আমরা দ্রুত ঝড়ের আগে যেতে চেষ্টা করি। তখন আরেকটা ব্যাপারও ছিল। আমরা জানতে পারি, আমাদের সবচেয়ে সামনের যে ফ্লোটিলা আলমা, তাতে ইসরায়েলি জলদস্যুরা হামলা শুরু করে। আমরা এই উত্তাল ঝড়ের মধ্যে যত দ্রুত সম্ভব এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি। সবার পেছনে সবচেয়ে বড় জাহাজে রয়েছি আমরা। কাজেই আমাদের ওপর কী আসবে তা এখনো বোঝা যাচ্ছে না। ইসরায়েল যেটা করছে, অন্যদের ওপর আক্রমণ করে আমাদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে।

img

ঢাকা-দাম্মামের ফ্লাইট তিন দিন বন্ধ, রিয়াদে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত

প্রকাশিত :  ১৮:৪৬, ২২ অক্টোবর ২০২৬

সৌদি আরবে নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে ঢাকা থেকে দাম্মাম ও রিয়াদগামী ফ্লাইট চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। এর মধ্যে দাম্মামগামী ফ্লাইটগুলো ২৩ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আর রিয়াদগামী সব ফ্লাইট স্থগিত থাকবে আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত। তবে জেদ্দা ও মদিনাগামী ফ্লাইট যথারীতি চলবে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত বুধবার রাতে সৌদি আরবের দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর অংশ হিসেবে ২৩, ২৪ ও ২৫ অক্টোবর ঢাকা থেকে দাম্মামগামী সব ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে।

এ ছাড়া চলমান বিমান হামলার পরিস্থিতি বিবেচনায় ঢাকা-রিয়াদ রুটের সব ফ্লাইট আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিমান।

তবে ঢাকা থেকে জেদ্দা ও মদিনাগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী চলাচল করবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস আরো জানিয়েছে, জরুরি প্রয়োজনে দাম্মাম ও রিয়াদগামী যাত্রীরা আসন খালি থাকা সাপেক্ষে জেদ্দা ও মদিনা বিমানবন্দর ব্যবহার করে সৌদি আরবে যাতায়াত করতে পারবেন।

এ ক্ষেত্রে টিকিট ও ভ্রমণসংক্রান্ত তথ্য জানতে যাত্রীদের নিকটস্থ বিমানের সেলস সেন্টারে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

স্থগিত ফ্লাইটগুলোর বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত ও সংশোধিত সময়সূচি যথাসময়ে জানানো হবে বলে জানিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।


বাংলাদেশ এর আরও খবর