img

প্রবাসে বাংলাদেশির জীবনের মূল্য কি এতই কম?

প্রকাশিত :  ০৮:২৫, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, নারী গৃহকর্মীদের নির্যাতন ও কূটনৈতিক ভূমিকা নিয়ে কিছু প্রশ্ন

প্রবাসে বাংলাদেশির জীবনের মূল্য কি এতই কম?

শান্ত নুর সোহাইল

আমি কোনো রাজনীতিবিদ নই, কূটনীতিকও নই। আমি বাংলাদেশের একজন সাধারণ নাগরিক। দেশের মানুষের দুঃখ-কষ্ট আমাকে ভাবায়, অন্যায়ের খবর আমাকে প্রশ্ন করতে শেখায়। সেই জায়গা থেকেই আজ কিছু কথা বলতে চাই।

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর আমাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিতি আখতারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়নি। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ সরকার সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে।

একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমার প্রশ্ন—আমাদের দেশের দুই নাগরিকের বিরুদ্ধে এত গুরুতর শাস্তি কার্যকর হলো, অথচ তাঁদের মামলার বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার আগে থেকে জানতে পেরেছিল কি না, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে কেন?

আমি বলছি না, অপরাধ করলে বিচার হওয়া উচিত নয়। অপরাধ করলে অবশ্যই বিচার হতে হবে। কিন্তু সেই বিচার হতে হবে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায়। অভিযুক্ত ব্যক্তি আইনি সহায়তা পেয়েছেন কি না, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পেয়েছেন কি না, তাঁর পরিবারকে জানানো হয়েছিল কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর জানা জরুরি।

বাংলাদেশ সরকার ঘটনার ব্যাখ্যা চেয়েছে, এটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। কিন্তু শুধু ঘটনার পরে ব্যাখ্যা চাওয়াই যথেষ্ট কি না, সেটিও ভেবে দেখা দরকার। ভবিষ্যতে যেন কোনো বাংলাদেশি নাগরিক এমন পরিস্থিতিতে পড়লে তাঁর পাশে দাঁড়ানোর কার্যকর ব্যবস্থা থাকে, সেটি নিশ্চিত করা জরুরি।

আমাদের নারী গৃহকর্মীদের কান্না কে শুনবে?

উন্নত জীবনের আশায়, পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য বাংলাদেশের অসংখ্য নারী বিদেশে কাজ করতে যান। তাঁদের কেউ সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়তে চান, কেউ অসুস্থ মা-বাবার চিকিৎসার খরচ জোগাতে চান। কিন্তু তাঁদের অনেকেই বিদেশে গিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, যৌন নিপীড়ন, বেতন না পাওয়া এবং অমানবিক কর্মপরিবেশের অভিযোগ নিয়ে দেশে ফিরে আসেন। কেউ কেউ আর জীবিত ফিরতে পারেন না।

ঢাকা ট্রিবিউন-এর ৮ মার্চ ২০২৬-এর একটি প্রতিবেদনে ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচির তথ্য উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, গত সাত বছরে অন্তত ৭০ হাজার নারী অভিবাসী কর্মী দেশে ফিরেছেন; তাঁদের অনেকেই নির্যাতন ও শোষণের অভিযোগ করেছেন। একই প্রতিবেদনে গত আট বছরে ৭৯৯ জন নারী অভিবাসী কর্মীর মরদেহ দেশে ফেরানোর তথ্যও উল্লেখ করা হয়েছে।

এই সংখ্যাগুলো শুধু পরিসংখ্যান নয়; এর পেছনে রয়েছে অসংখ্য পরিবারের কান্না, অনিশ্চয়তা ও বেদনা।

তবে এই পরিসংখ্যানের অর্থ এই নয় যে দেশে ফিরে আসা প্রত্যেক নারী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, কিংবা মৃত্যুবরণ করা প্রত্যেক নারী সৌদি আরবে মারা গেছেন। বিষয়গুলোকে সঠিকভাবে আলাদা করে দেখা জরুরি। কিন্তু নারী কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের যথেষ্ট কারণ রয়েছে।

কোনো নারী নির্যাতনের শিকার হলে তাঁকে উদ্ধার করে দেশে পাঠিয়ে দিলেই কি দায়িত্ব শেষ হয়ে যায়? তাঁর অভিযোগের তদন্ত হবে না? অপরাধ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিচার হবে না? ভুক্তভোগী কিংবা তাঁর পরিবার ন্যায়বিচার ও ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকার রাখে না?

আমার মতে, এসব প্রশ্নের উত্তর সরকারকে দিতে হবে।

আইন কি সবার জন্য সমান?

সৌদি আরবে বাংলাদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ উঠলে সে দেশের আইন অনুযায়ী বিচার হতে পারে। কিন্তু কোনো বাংলাদেশি নারী গৃহকর্মী যদি সৌদি নাগরিক বা অন্য কোনো ব্যক্তির হাতে নির্যাতনের শিকার হন, তাহলে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধেও নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নিশ্চিত হওয়া উচিত।

আমি কোনো দেশের আইনকে অসম্মান করতে চাই না। আমি শুধু চাই, আইন সবার ক্ষেত্রে ন্যায়সংগতভাবে প্রয়োগ করা হোক। অপরাধী যে দেশের নাগরিকই হোন, তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের যথাযথ তদন্ত হোক এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

আমরা অর্থনৈতিকভাবে তুলনামূলক দুর্বল হতে পারি। আমাদের দেশের অনেক মানুষ দরিদ্র পরিবারের সন্তান হতে পারেন। কিন্তু তাই বলে তাঁদের জীবনের মূল্য কম হতে পারে না।

একজন প্রবাসী শ্রমিকের পেছনে থাকে একটি পরিবার, কিছু স্বপ্ন, কিছু ঋণ এবং ভালো থাকার আকাঙ্ক্ষা। তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু মানবিক দায়িত্ব নয়; বিদেশে কর্মরত নাগরিকদের সুরক্ষায় রাষ্ট্রের দায়িত্বেরও অংশ।

শ্রীলঙ্কা পারলে বাংলাদেশ কেন পারবে না?

শ্রীলঙ্কার নাগরিক আনোজন শিবরাজের ঘটনাটিও আমাকে নতুন করে ভাবিয়েছে। তাঁর মৃত্যুদণ্ড বাতিলের বিষয়ে প্রকাশিত সংবাদে আইনি উদ্যোগ ও কূটনৈতিক যোগাযোগের কথা উঠে এসেছে। তবে তাঁর মামলার সঙ্গে বাংলাদেশের দুই নাগরিকের মামলার অভিযোগ ও আইনি পরিস্থিতি এক নয়। তাই সরাসরি তুলনা করার আগে সংশ্লিষ্ট তথ্য ও নথি বিবেচনা করা জরুরি।

তারপরও একটি প্রশ্ন থেকেই যায়—বিদেশে কোনো বাংলাদেশি নাগরিকের জীবন ঝুঁকিতে পড়লে আমরা কি দ্রুত ও সমন্বিত আইনি সহায়তা নিশ্চিত করতে পারি?

আমি চাই না, কোনো দেশের নাগরিকের সঙ্গে অন্যায় হোক। শ্রীলঙ্কার নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড বাতিল হয়ে থাকলে সেটি তাঁর ন্যায়বিচারের স্বার্থে ইতিবাচক ঘটনা। একইভাবে বাংলাদেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রেও যথাযথ আইনি সহায়তা ও কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগ নিশ্চিত হোক।

অন্য দেশের অভিজ্ঞতা থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত। মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকিতে থাকা নাগরিকদের জন্য দ্রুত আইনজীবীর সহযোগিতা, পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ, বিচারিক নথি সংগ্রহ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আপিল বা ক্ষমা প্রার্থনার সুযোগ সম্পর্কে সহায়তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

সরকারের কাছে আমার কয়েকটি প্রশ্ন

একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমি সরকারের কাছে জানতে চাই—

১. নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিতি আখতারের মামলায় কী অভিযোগ আনা হয়েছিল, তাঁরা কী ধরনের আইনি সহায়তা পেয়েছিলেন এবং তাঁদের পরিবারকে বিচারপ্রক্রিয়া সম্পর্কে জানানো হয়েছিল কি না?

২. মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে বাংলাদেশের দূতাবাসকে জানানো হয়নি কেন—সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে এই প্রশ্নের পূর্ণাঙ্গ উত্তর চাওয়া হয়েছে কি?

৩. বিদেশে নির্যাতনের শিকার নারী গৃহকর্মীদের অভিযোগের তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে?

৪. সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশিদের আইনি সহায়তা, কনস্যুলার যোগাযোগ ও পরিবারকে তথ্য দেওয়ার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা রয়েছে কি?

৫. কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্ট সংস্থার দায়িত্ব পালনে অবহেলা প্রমাণিত হলে জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে কি?

আমি জানি, সব প্রশ্নের উত্তর এক দিনে পাওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু প্রশ্নগুলো এড়িয়ে যাওয়ারও সুযোগ নেই। কারণ এসব প্রশ্ন শুধু দুই ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড বা কয়েকজন নির্যাতিত নারীর বিষয় নয়; এগুলো বিদেশে কর্মরত লাখো বাংলাদেশির নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত।

আমরা কি শুধু রেমিট্যান্স পাঠানোর মানুষ?

বিদেশে কাজ করা বাংলাদেশিরা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তাঁদের পাঠানো অর্থে অসংখ্য পরিবারের সংসার চলে, সন্তানদের পড়াশোনা হয়, মা-বাবার চিকিৎসা হয়। দেশের অর্থনীতিও উপকৃত হয়।

কিন্তু একজন প্রবাসী কি শুধু রেমিট্যান্স পাঠানোর মানুষ?

তিনি একজন নাগরিক। তাঁরও অধিকার আছে, মর্যাদা আছে, নিরাপদে বেঁচে থাকার অধিকার আছে। বিদেশে বিপদে পড়লে তাঁর পরিবার রাষ্ট্রের কাছে সহযোগিতা চাইতে পারে—এটাই স্বাভাবিক।

আমরা যখন প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের জন্য গর্ব করি, তখন তাঁদের বিপদের সময়ও পাশে দাঁড়ানোর সক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে। দূতাবাসের দায়িত্ব শুধু পাসপোর্ট বা কাগজপত্রের কাজ করা নয়; বিপদে পড়া নাগরিকের পাশে দাঁড়ানোর কার্যকর ব্যবস্থাও থাকা প্রয়োজন।

শেষ কথা

আমি একজন সাধারণ মানুষ। আমার হাতে কোনো ক্ষমতা নেই, কোনো কূটনৈতিক পদও নেই। আছে শুধু কিছু প্রশ্ন, কিছু উদ্বেগ এবং নিজের দেশের মানুষের প্রতি ভালোবাসা।

আমি চাই না, কোনো বাংলাদেশি বিদেশের মাটিতে অন্যায়ের শিকার হয়ে অসহায় অবস্থায় পড়ে থাকুন। আমি চাই না, কোনো মা তাঁর সন্তানের মৃত্যুর পর সত্য জানার জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরুন। আমি চাই না, কোনো নারী নির্যাতনের শিকার হয়ে দেশে ফিরে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হন।

আমি চাই, বাংলাদেশ সরকার তার প্রতিটি নাগরিকের পাশে দাঁড়াক—তিনি ধনী হোন কিংবা দরিদ্র, পরিচিত হোন কিংবা অচেনা।

সৌদি আরব হোক কিংবা পৃথিবীর অন্য কোনো দেশ—বাংলাদেশের কোনো নাগরিক বিপদে পড়লে তাঁর পাশে দাঁড়ানো রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

আমার শেষ প্রশ্ন একটাই—আমরা যদি দেশের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাতে পারি, তাহলে বিপদের দিনে রাষ্ট্র কি আমাদের পাশে দাঁড়াতে পারে না?

একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমি এই প্রশ্নের উত্তর চাই। শুধু নিজের জন্য নয়, বিদেশে কাজ করতে যাওয়া প্রতিটি বাংলাদেশি ভাই-বোনের জন্য।


শান্ত নুর সোহাইল: লেখক, গীতিকার, সুরকার ও কণ্ঠশিল্পী

বাংলাদেশ এর আরও খবর

img

রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ভাঙচুরের ঘটনায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত লেলিন গ্রেপ্তার

প্রকাশিত :  ১০:০৫, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানী ঢাকার মিরপুর-১ নম্বরে অবস্থিত রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের চাঞ্চল্যকর মামলার অন্যতম প্রধান আসামি আবুল কালাম আজাদ লেলিন ওরফে \'শুটার লেলিন\'কে (৪৬) গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে এর আগেই তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে ডিবির মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ রাকিব খান এই আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, সোমবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রামের মিরসরাই এলাকায় অভিযান চালায় ডিবির মিরপুর জোনাল টিম। সেখান থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আবুল কালাম আজাদ লেলিনের বাবার নাম মৃত আবুল হোসেন এবং মায়ের নাম জোসনা বেগম। তার স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা— শাহ আলী থানার গ/১১, রোড-১, ব্লক-বি, সেকশন-১ এলাকা।

ডিবি সূত্রে জানা যায়, মিরপুরের রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় শাহ আলী থানায় একটি মামলা (নম্বর: ১৯) দায়ের করা হয়। ওই মামলার এজাহারভুক্ত অন্যতম আসামি হলেন এই লেলিন। তার বিরুদ্ধে মিরপুর এলাকায় চাঁদাবাজি, জবরদখল এবং ত্রাস সৃষ্টির মতো গুরুতর একাধিক অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।

রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভাঙচুরের এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৫ জনের বেশি ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গ্রেপ্তারকৃতদের বেশিরভাগই স্থানীয় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ আরও জানায়, রাড্ডাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত অন্তত ৪০ জনের একটি সুনির্দিষ্ট তালিকা তৈরি করা হয়েছে। বাকি আসামিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে ডিবির নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


বাংলাদেশ এর আরও খবর