img

অগ্নিসন্ত্রাস, ককটেল বিস্ফোরণের জনক একজনই: সোহেল তাজ

প্রকাশিত :  ০৫:৪৭, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

অগ্নিসন্ত্রাস, ককটেল বিস্ফোরণের জনক একজনই: সোহেল তাজ

বর্তমানে যে অগ্নিসন্ত্রাস, ককটেল বিস্ফোরণ করিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে, তার জনক একজনই বলে জানিয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ।

গতকাল রোববার (১৭ নভেম্বর) মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক তিনি এসব কথা বলেন।

সোহেল তাজ লিখেছেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান রেন্টুর ‘আমার ফাঁসি চাই’ আর ‘অন্তরালের হত্যাকারী প্রধানমন্ত্রী’ বই ২টি পড়লেই অনেক কিছু স্পষ্ট হয়ে যাবে। ইউটিউবে এ অডিও বুক আকারে ফ্রিতেও শুনতে পারবেন। ক্ষমতার কি লোভ- ১ লাখ বেলুন নাকি বাসে আগুন।’

সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লেখেন, ‘গণহত্যা, গুম/খুন করে, জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার বিলুপ্ত করে, দুর্নীতি/লুটপাট করে লক্ষ্য লক্ষ্য কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে, সেই টাকার পাহাড়ে বসে এখন আবার অরাজগতা আর তাণ্ডব সৃষ্টি করছে, নির্বাচন বানচাল করে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ ধ্বংস করার লক্ষে।’

তিনি লেখেন, ‘আমার আশ্চর্য লাগে যখন চিন্তা করি যে, এত কিছুর পরও এদেরকে আওয়ামী লীগের একটা অংশ কি করে সমর্থন করে- এর মানে একটাই- এরাই ছিল সুবিধাভোগী আর এখন এটার পরিণতি হিসাবে খেসারত দিবে নিরীহ, নিরপরাধ নেতাকর্মীরা।’

প্রসঙ্গত, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০০১ সালের নির্বাচনে গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন সোহেল তাজ। ২০০৮ সালে একই আসন থেকে পুনরায় সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান সোহেল তাজ।

একই বছরের ৩১ মে মন্ত্রিসভা থেকে ‘ব্যক্তিগত কারণ’ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন তিনি। ২০১২ সালের ২৩ এপ্রিল সংসদ সদস্য পদ থেকেও পদত্যাগ করেন সোহেল তাজ। তবে প্রক্রিয়াগত ভিত্তিতে এটি তখন গ্রহণ না করা হলে, ৭ জুলাই আবারও পদত্যাগপত্র পেশ করলে তা গৃহীত হয়।

পরে তিনি অভিযোগ করেন, তার পথে ‘নানা রকম বাধা সৃষ্টি’ করা হচ্ছে এবং তার ‘নির্দেশনা অমান্য’ করা হচ্ছে। এসব কারণেই তার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত। এরপর কখনই আর রাজনীতিতে জড়াননি তিনি।



বাংলাদেশ এর আরও খবর

img

নাইক্ষ্যংছড়ির জারুলিয়াছড়ি সীমান্তে বিজিবির মাদকবিরোধী অভিযানে ১ লক্ষ ৭৯০ পিস বার্মিজ ইয়াবা জব্দ

প্রকাশিত :  ১৭:৩৮, ২২ জুন ২০২৬

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার জারুলিয়াছড়ি সীমান্তবর্তী কাজু বাদাম বাগান নামক স্থানে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ১,০০,৭৯০ পিস ইয়াবা জব্দ করেছে বিজিবি।

আজ (২২ জুন) আনুমানিক সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে বিজিবির নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)-এর অধীনস্থ জারুলিয়াছড়ি বিওপির টহলদল দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় একটি বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে বিজিবি টহলদল সীমান্ত পিলার ৪৭/৩-এস এর নিকটবর্তী  বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ‘কাজু বাদাম বাগান’ এলাকায় গোপনে অবস্থান নেয়। এ সময় কয়েকজন চোরাকারবারী মিয়ানমার থেকে ইয়াবার চালান নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি টহলদল তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করে। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে বিজিবি সদস্যরা তাদেরকে ধাওয়া করে। এক পর্যায়ে চোরাকারবারীরা তাদের বহনকৃত ইয়াবার চালান ফেলে জঙ্গলের ভেতরে পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ১০টি কার্টনে রাখা মোট ১,০০,৭৯০ পিস বার্মিজ ইয়াবা জব্দ করে। জব্দকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ কোটি ২ লক্ষ ৩৭ হাজার টাকা।

এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক বলেন, “দেশের সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদক পাচার রোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে বিজিবি সর্বদা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি ও টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।”