img

ব্রেন টিউমারে সফল অস্ত্রোপচার, তানিয়া বৃষ্টির জন্য দোয়া চাইলেন সহশিল্পীরা

প্রকাশিত :  ১১:৫০, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ব্রেন টিউমারে সফল অস্ত্রোপচার, তানিয়া বৃষ্টির জন্য দোয়া চাইলেন সহশিল্পীরা

ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি। সদ্যই তার মস্তিষ্কে সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। 

গতকাল রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঢাকার একটি হাসপাতালে দীর্ঘ ৪ ঘণ্টার অপারেশনের মাধ্যমে তার টিউমারটি অপসারণ করা হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে (পোস্ট-অপারেটিভ কেয়ার) আছেন। 

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অস্ত্রোপচারে কোনো জটিলতা হয়নি।  

তবে নির্মাতা হাসান রেজাউল স্যোশাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন, আগামী ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হবে এবং পোস্ট-অপারেটিভ কিছু জটিলতা থাকার সম্ভাবনা থাকায় তাকে এখনই পুরোপুরি বিপদমুক্ত বলা যাচ্ছে না। 

তানিয়ার অসুস্থতার খবরে বিনোদন অঙ্গনে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। 

অভিনেত্রী সামিরা খান মাহি ফেসবুকে তার একটি ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, হাসপাতালের বিছানায় না, তোমাকে আবার হাসিমুখে আমাদের মাঝে দেখতে চাই। তিনি তানিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

তানিয়া বৃষ্টির এই দুঃসময়ে সহকর্মী, নির্মাতা ও ভক্তরা একাত্মতার বার্তা জানাচ্ছেন। 

কেউ তার সঙ্গে কাজের স্মৃতি ভাগ করে নিচ্ছেন, কেউ শেয়ার করছেন পুরোনো হাসিমুখের ছবি। প্রায় প্রতিটি বার্তায় একটাই প্রার্থনা- দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন তানিয়া।

এর আগে তানিয়া বৃষ্টির অসুস্থতার খবরটি তার ফেসবুক থেকে জানানো হয়। 

সেখানে অনুরোধ করা হয় শুটিং বা কাজসংক্রান্ত বিষয়ে আপাতত ফোন বা খুদে বার্তা দিয়ে বিরক্ত না করতে। ভালোবাসা দিবসে দেওয়া আরেক পোস্টে তিনি নিজেই লিখেছিলেন, কাল আমার মাথায় অস্ত্রোপচার, দোয়া করবেন সবাই। ব্রেন টিউমার।

পরিচালক সকাল আহমেদ জানিয়েছেন, বেশ কিছুদিন ধরে তীব্র মাথাব্যথা ও শারীরিক অস্বস্তিতে ভুগছিলেন তানিয়া। অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। 

এর আগে তানিয়া নিজেই ফেসবুকে তার অসুস্থতার খবর জানিয়ে সবার কাছে দোয়া চেয়েছিলেন। বর্তমানে হাসপাতালে ভিড় না করতে এবং ফোনে বিরক্ত না করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন তার পরিবার ও সহকর্মীরা। প্রিয় অভিনেত্রীর দ্রুত সুস্থ হয়ে শুটিংয়ে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন তার অগণিত ভক্ত।


বিনোদন এর আরও খবর

img

তাহলে কি ভেঙে যাচ্ছে সাবিলার ৭ বছরের সংসার?

প্রকাশিত :  ০৬:৪৮, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৬:৫২, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

শোবিজ অঙ্গনে একের পর এক তারকার দাম্পত্য টানাপড়েন ও বিচ্ছেদ সংবাদের মাঝে এবার আলোচনায় এসেছে ছোট ও বড় পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাবিলা নূরের নাম। স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহেরের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্কের টানাপড়েন এবং আলাদা থাকার গুঞ্জন নিয়ে বিনোদনপাড়ায় তুমুল চর্চা চলছে। সাত বছরের প্রেমের পর ২০১৯ সালে পারিবারিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া এই তারকা জুটির বিচ্ছেদ এখন কেবলই সময়ের ব্যাপার বলে বাতাসে খবর ভাসছে।

সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সাবিলা নূরের দাম্পত্য কলহের পেছনে রয়েছে শোবিজপাড়ারই একজন ডিরেক্টর অব ফটোগ্রাফি (ডিওপি) আবদুল মামুনের সঙ্গে নতুন সম্পর্কের সূচনা। ‘রকস্টার’ সিনেমার দৃশ্যধারণের সময় কাজের সূত্রে দুজনের পরিচয় ঘটে, যা পরবর্তীতে ব্যক্তিগত সম্পর্কে রূপ নেয়। কাজের সেটে তাদের এই ঘনিষ্ঠতা পুরো টিমের কাছে ‘ওপেন সিক্রেট’ ছিল বলেও সংশ্লিষ্ট ইউনিট সূত্রে দাবি করা হচ্ছে। এমনকি এতে কাজের ব্যাঘাত ঘটায় প্রযোজনা পক্ষ তাকে পরিবর্তনের কথাও ভেবেছিল, তবে শেষ পর্যন্ত কাজ সম্পন্ন করার স্বার্থেই বিষয়টি চেপে রাখা হয়।

এদিকে অভিনেত্রীর এই নতুন সম্পর্কের প্রভাব কেবল তার নিজের সংসারেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; এর ফলে তিশা নামের এক তরুণীর দীর্ঘ সাত বছরের ভালোবাসার সম্পর্ক ও প্রায় চূড়ান্ত হয়ে যাওয়া বিয়ে ভেঙে গেছে বলে জোরালো অভিযোগ উঠেছে। সহকারী পরিচালক থেকে প্রযোজনা জগতে আসা তিশা জানান, ‘রকস্টার’ সিনেমার কাজ শেষ হওয়ার পরপরই মে মাসের ১৫ তারিখে ডিওপি আবদুল মামুনের সঙ্গে তার সামাজিক বিয়ের দিনক্ষণ চূড়ান্ত ছিল।

গণমাধ্যমে ক্ষোভ ও কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিশা অভিযোগ করেন, সাবিলা নূরের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে বিয়ের মাত্র ১০ দিন আগে মামুন হঠাৎ করেই তাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান। অনেক বোঝানোর চেষ্টা করেও তার মন ঘোরানো সম্ভব হয়নি।

তিশার ভাষ্য, ‘সাবিলা নূর আমাদের দীর্ঘ প্রেমের সম্পর্কের কথা পুরোপুরি জানতেন। একজন নারী হয়েও তিনি আরেকজন নারীর ক্ষতির কথা ভাবেননি। মামুন একজন বড় তারকাকে পেয়ে আমার সাত বছরের ভালোবাসা ও আত্মত্যাগের কোনো মূল্য দিল না।’ তিশা আরও জানান, মামুনের ক্যারিয়ারের কথা বিবেচনা করেই তিনি নিজে উদ্যোগ নিয়ে পূর্বনির্ধারিত বিয়ের তারিখ পিছিয়ে দিয়েছিলেন, যা পরবর্তীতে তার ব্যক্তিগত জীবনের জন্য কাল হয়ে দাঁড়াল। পরিবার আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবলেও মামুনের প্রতি আবেগ থেকে তিনি তাতে সম্মতি দেননি।

উল্লেখ্য, সাবিলা নূরের দাম্পত্য দূরত্বের খবর প্রকাশ্যে আসার শুরুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহশিল্পী শাকিব খানের সঙ্গে তার নাম জড়িয়ে কিছু জল্পনাকল্পনা ছড়ানো হয়েছিল। তবে অনুসন্ধানে জানা যায়, শাকিব খানের বিষয়টি পুরোপুরি ভিত্তিহীন ও নিছক গুঞ্জন ছিল। পুরো পরিস্থিতির কেন্দ্রবিন্দুতে মূলত সংশ্লিষ্ট ডিওপির সঙ্গে গড়ে ওঠা সম্পর্কই প্রধান কারণ হিসেবে আলোচিত হচ্ছে।

চলমান এই বিতর্ক, দাম্পত্য কলহ এবং নতুন সম্পর্কের গুঞ্জন নিয়ে গণমাধ্যম থেকে চলচ্চিত্রটির পরিচালক আজমান রুশোর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিক মন্তব্য এড়িয়ে যান এবং পরবর্তীতে কথা বলবেন বলে জানান।

অন্যদিকে ব্যাপক আলোচনা ও অভিযোগের মুখেও অভিনেত্রী সাবিলা নূর কিংবা তার স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহেরের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা স্পষ্টীকরণ আসেনি।