img

বৃষ্টিতে ঢাকার বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতা

প্রকাশিত :  ০৭:৫১, ০১ মে ২০২৬

বৃষ্টিতে ঢাকার বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতা

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন সড়কে ভারী বৃষ্টির ফলে পানি জমে গেছে। আজ শুক্রবার (০১ মে) ভোর ৫টার কিছু পর থেকে সকাল ৭টার আগ পর্যন্ত অঝোরে বৃষ্টি হয়। এতে ঢাকার বিভিন্ন সড়কে কয়েক ফুট পর্যন্ত জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনাস্থলে গিয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বৃষ্টির কারণে ঢাকার বিভিন্ন সড়ক, অলিগলিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এরমধ্যে রাজধানীর- মালিবাগ, শান্তিনগর, রাজারবাগ, সায়াদাবাদ, শনির আখড়া, পুরান ঢাকা, বংশাল, নাজিমুদ্দিন রোড, ধানমন্ডি, মিরপুর ১৩, হাতিরঝিলের কিছু অংশ, আগারগাঁও থেকে জাহাঙ্গীর গেট যেতে নতুন রাস্তায়, খামারবাড়ি থেকে ফার্মগেট, ফার্মগেট-তেজগাঁও ট্রাক স্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকা, মোহাম্মদপুরের কিছু অংশ, মেরুল বাড্ডা, ডিআইটি প্রজেক্ট এলাকায়, মোহাম্মদপুর, ইসিবি, কালশিসহ বিভিন্ন সড়ক ও অলগলিতে বেশি জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। 

অবশ্য ধীরে ধীরে পানি নেমে যাওয়ায় অনেক সড়কে জলাবদ্ধতার পরিমাণ কমে আসতে শুরু করেছে। তবে সকাল থেকেই বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতার কারণে যানবাহনগুলো ধীর গতিতে চলছে। পায়ে হেঁটে মানুষের যাতায়াতও কম দেখা গেছে।

ছুটির দিন হওয়ায় সকালে যানবাহন তুলনামূলক কম ছিল, তাই দুর্ভোগ কিছুটা সীমিত ছিল। তবে সকাল ৮টার পরও অনেক সড়কে পানি আটকে থাকতে দেখা গেছে।

এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মুখপাত্র রাসেল রহমান বলেন, বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট অস্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসনে ভোর থেকে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে ডিএসসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মীরা। আশা করছি খুব অল্প সময়ে সব সড়ক থেকে পানি নেমে যাবে।

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর গতকাল পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার জন্য দেশের ছয় বিভাগে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে। বিভাগগুলো হলো- ময়মনসিংহ, ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম, খুলনা ও সিলেট। এসব বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্কবার্তায় বলা হয়।

গত রোববার থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এতে অন্তত এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা তাপপ্রবাহ কমে আসে। গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৬° সেলসিয়াস, যা আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।

বৃহস্পতিবার সারা দিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টি রেকর্ড করা হয় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে, ৬০ মিলিমিটার। আগের দিন সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়েছিল পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায় ১২১ মিলিমিটার।

img

হামে সারাদেশে আরও ২ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশিত :  ১২:৫৯, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৩:০৯, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

হামে আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি নতুন করে আরও ১ হাজার ২৩৫ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ দেখা গেছে।

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামসংক্রান্ত নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা ও সিলেট বিভাগে একজন করে মোট ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত হামে মোট ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২২৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে ৮৪ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। এই সময়ে আরও ১ হাজার ১৫১ জন শিশুর মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ৩৭ হাজার ১৩১ জন শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে মোট ৫ হাজার ২৮ জন শিশুর হাম শনাক্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ২৫ হাজার ১৫৮ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ২১ হাজার ৭৫৬ জন শিশু। 

বাংলাদেশ এর আরও খবর