img

দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে ফের ধস

প্রকাশিত :  ০৫:৩৯, ১০ জুন ২০২৬

দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে ফের ধস

বিশ্ববাজারে দাম কমার প্রভাবে দেশের বাজারে বড় পতন হয়েছে স্বর্ণের দামে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে ৬ হাজার ৫৯১ টাকা কমিয়েছে। এতে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২২ হাজার ৭৮২ টাকা নির্ধারণ হয়েছে।

আজ বুধবার (১০ জুন) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে দাম ২ লাখ ২২ হাজার ৭৮২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১২ হাজার ৬৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ২৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ৪২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এরআগে, গত ৬ জুন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৯ হাজার ৩৭৩ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৭২ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৩৭ দফা বাড়ানো হয়েছে। কমানো হয়েছে ৩৫ দফা।


অর্থনীতি এর আরও খবর

img

ইসলামী ব্যাংকে অস্থিরতায় ব্যাংক এমডিদের উদ্বেগ প্রকাশ, দ্রুত সমাধানের তাগিদ

প্রকাশিত :  ১০:০৭, ১০ জুন ২০২৬

দেশের ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (এবিবি) ইসলামী ব্যাংকে চলমান অস্থিরতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে । পাশাপাশি বিষয়টির দ্রুত সমাধান হলে ব্যাংক খাতের জন্য ভালো হবে বলে তাঁরা মনে করেন।

আজ বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ উদ্বেগের কথা জানান এবিবির চেয়ারম্যান ও সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মাসরুর আরেফিন। নিয়মিত ব্যাংকার্স সভায় আলোচ্যসূচির বাইরে এ আলোচনা হয়।

মাসরুর আরেফিন সাংবাদিকদের বলেন, ইসলামী ব্যাংকের পরিস্থিতি শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের সমস্যা নয়; এর প্রভাব পুরো ব্যাংক খাতে পড়ছে। বিষয়টি নিয়ে ব্যাংকাররা উদ্বিগ্ন। গভর্নরও এই পরিস্থিতিকে কেবল ব্যাংকিং খাতের সমস্যা হিসেবে নয়, রাজনৈতিক ইস্যু হিসেবেও দেখছেন। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা চলছে।

এবিবির চেয়ারম্যান বলেন, ব্যাংক খাতে সুশাসন নিশ্চিত করার বিষয়ে গভর্নর কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। তিনি ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের রাজনৈতিক চাপের কাছে নতি স্বীকার না করার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোতে (সিআইবি) সঠিক তথ্য দেওয়ার নির্দেশনাও দিয়েছেন।

বৈঠকে ব্যাংক খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। মাসরুর আরেফিন বলেন, সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক ৬০ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এসএমই) ঋণসহায়তা দিতে এই অর্থ ব্যবহার করা হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পুনঃ অর্থায়ন (রিফাইন্যান্স) কর্মসূচির আওতায় অর্থ বিতরণ করা হবে।

মাসরুর আরেফিন আরও বলেন, রপ্তানি ও আমদানিসংক্রান্ত তথ্য পাঠানোর ক্ষেত্রে অনেক সময় ভুল বা বিলম্ব হয়। ফলে জাতীয় হিসাব-নিকাশে সমস্যা সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে আমদানিপণ্যের মূল্য ঘোষণায় বড় ধরনের পার্থক্য দেখা যাচ্ছে।

বাজার পরিস্থিতি অস্থিতিশীল থাকায় আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে মূল্য যাচাই করে এলসি খোলা ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনায় জোর দেওয়া হয়েছে বৈঠকে। লক্ষ্য এটা নিশ্চিত করা যে অতিরিক্ত মূল্য পরিশোধের কারণে দেশের ক্ষতি যেন না হয়।

বৈঠকে দেশের সব ব্যাংকের এমডিদের পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের সব ডেপুটি গভর্নর ও শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।