img

ঘানায় ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪

প্রকাশিত :  ০৮:৩৮, ০৪ জুলাই ২০২৬

ঘানায় ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪

চলতি সপ্তাহের ঘানায় ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪ জনে পৌঁছেছে। উদ্ধার ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম চলমান থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন দেশটির কর্মকর্তারা।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ‘থ্রি নিউজ’-এর বরাতে আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘানার জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার পরিদর্শন বিভাগের পরিচালক রিচার্ড আমো ইয়ার্তের নিহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, নিশ্চিত হওয়া ৩৪ জনের মধ্যে ১২ জনের মৃত্যু রাজধানী আক্রায় হয়েছে। নিখোঁজদের তথ্য এখনো যাচাই করা হচ্ছে। ফলে উদ্ধার অভিযানে আরও মরদেহ পাওয়া গেলে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে।

এক সাক্ষাৎকারে আমো ইয়ার্তে জানান, উদ্ধারকারী দল এখনো অনুসন্ধান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বন্যায় দেশের সাতটি অঞ্চল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং মোট ৮৯ হাজার ৭৩৬ জন বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৫৪ হাজার ৭১২ জন বাস্তুচ্যুত হয়েছেন গ্রেটার আক্রা অঞ্চলে। এছাড়া সেন্ট্রাল অঞ্চলে ২১ হাজার ৮৮২ জন এবং ভোল্টা, ওয়েস্টার্ন, আশান্তি ও ওয়েস্টার্ন নর্থ অঞ্চলেও হাজার হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সবচেয়ে কম বাস্তুচ্যুতের সংখ্যা রেকর্ড করা হয়েছে ইস্টার্ন অঞ্চলে। 

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

img

বাবার শেষ বিদায়ে কেন নেই মোজতবা

প্রকাশিত :  ১০:৫৩, ০৪ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১২:১৬, ০৪ জুলাই ২০২৬

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায়ে লাখো মানুষ অংশ নিলেও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না তার ছেলে ও বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি।

জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি অব কাতারের সহযোগী প্রফেসর পল মুসগ্রাভ সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে শনিবার (৪ জুলাই) বলেছেন, কেন মোজতবা শেষ বিদায়ে নেই তা খুবই সহজবোধ্য।

তিনি বলেন, “ইরান ধরে নিয়েছে ইসরায়েল এই অন্তোষ্টিক্রিয়ায় নেতৃবৃন্দকে হত্যার জন্য দ্বিতীয়বারের মতো হামলা চালাতে পারে। অতীতে ইরান এমন জানাজাকে রাজনৈতিক নেতাদের হত্যার জন্য ব্যবহার করেছে।”

তবে তার মতে, দেশের শীর্ষ নেতার প্রকাশ্যে আসা উচিত। কারণ মোজতবাকে সর্বশেষ গত কয়েকমাস আগে দেখা গিয়েছিল।

তিনি আরও বলেছেন, “আমি মনে করি ইরানকে এমন একটি উপায় বের করতে হবে যেটি দেখাবে তাদের সুপ্রিম লিডার আড়ালে থাকা কোনো ব্যক্তি নয়। তিনি আসলে সেই ব্যক্তি যিনি দেশের সত্যিকার দায়িত্বে রয়েছেন। যদিও এ মুহূর্তে ইরানের নিরাপত্তার শঙ্কা থাকার বিষয়টি হয়ত সঠিক। কিন্তু তাদের আসলে সুপ্রিম লিডারকে প্রকাশ্যে আনতে হবে।”

গতকাল বিদেশি অতিথিদের শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে খামেনিকে শেষ বিদায় জানানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। আজ তার মরদেহবাহী কফিন সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। এখন তারা তাকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।

সূত্র: আলজাজিরা

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর