img

ভারী বৃষ্টির কবলে সৌদি আরবের মক্কা, ‘রেড এল্যার্ট’ জারি

প্রকাশিত :  ০৬:৩২, ২৭ আগষ্ট ২০২৬

ভারী বৃষ্টির কবলে সৌদি আরবের মক্কা, ‘রেড এল্যার্ট’ জারি

সৌদি আরবের মক্কা প্রদেশের বিভিন্ন স্থানে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাসের প্রেক্ষাপটে আবহাওয়া দপ্তর ‘রেড এল্যার্ট’ জারি করেছে। গতকাল বুধবার (২৬ আগস্ট) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সৌদি সিভিল ডিফেন্সের প্রকাশিত একটি বিজ্ঞপ্তির বরাতে জানা গেছে, ওই অঞ্চলে চরম প্রতিকূল আবহাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। সংস্থাটি বাসিন্দাদের চরম সতর্কতা অবলম্বন, জলমগ্ন এলাকা, উপত্যকা ও বাঁধ থেকে দূরে থাকা এবং কর্তৃপক্ষের দেওয়া নিরাপত্তা নির্দেশিকা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।

লাল সতর্কতা হলো দেশটির আবহাওয়া কেন্দ্রের সর্বোচ্চ সতর্কবার্তা, যা চরম সতর্কতার প্রয়োজন এমন আবহাওয়ার উপস্থিতিতে জারি করা হয়ে থাকে। মক্কা প্রদেশে গত কয়েক দিন ধরেই অস্থির আবহাওয়া এবং বিভিন্ন মাত্রার বৃষ্টিপাত পরিলক্ষিত হচ্ছে।

এর আগে গত ২১ আগস্ট আল-আরদিয়াত ও আল-কুনফুদাহ প্রদেশে ঝোড়ো হাওয়া, শিলাবৃষ্টি, বজ্রপাত এবং আকস্মিক বন্যার ঝুঁকিসহ ভারী বর্ষণের পূর্ব সতর্কবার্তা জারি করেছিল সংশ্লিষ্ট বিভাগ।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

img

নেপালের বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩২

প্রকাশিত :  ১৩:২০, ২৭ আগষ্ট ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৫:২০, ২৭ আগষ্ট ২০২৬

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩২ জনে দাঁড়িয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত এ সংখ্যা জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) নেপাল পুলিশের বরাতে কাঠমান্ডু পোস্ট এ তথ্য জানিয়েছে। নেপালি পুলিশের মুখপাত্র আবি নারায়ণ কাফলে সংশোধিত মৃতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে দেওয়া পুলিশের আপডেটে মৃতের সংখ্যা ছিল ২৮৯ জন। এই অল্প সময়ের মধ্যেই মৃতের তালিকায় আরও ৪৩ জন যুক্ত হয়েছে।

সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চিতওয়ানে ১২১টি, নওয়ালপরাসি পূর্বে ৭৪টি, ধাদিঙ ও গোর্খায় ২৯টি করে, নুয়াকোটে ২৮টি, তানাহুনে ১৯টি, রাসুয়ায় ১৭টি এবং নওয়ালপরাসি পশ্চিমে ১৫টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার পূর্বে জানানো ২৮৯ জনের মৃত্যুর সংখ্যা থেকে সংশোধিত মৃতের সংখ্যা বেড়েছে।

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় ঘরবাড়ি, সড়ক ও সেতু ভেসে গেছে। এখনো ৯০০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধারকাজে নেপালের সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা কাজ করছেন। দুর্গম এলাকায় হেলিকপ্টার ব্যবহার করে চলছে উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা।

প্রাথমিকভাবে ভূমিকম্পকে বন্যার কারণ মনে করা হলেও পরে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানায়, হিমবাহের বরফ, পাথর ও মাটির ধস থেকেই এই ভয়াবহ জলস্রোতের সৃষ্টি হয়েছে।

ভয়াবহ স্রোত দেশটির রাসুয়াসহ বিভিন্ন জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়ার পর ত্রিশূলী ও নারায়ণী নদী ব্যবস্থার দিকে নেমে যায়। এতে বহু বসতি, সড়ক, সেতু ও অন্যান্য অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখনও যাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি, তাদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের কাজও অব্যাহত রয়েছে।

 


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর