প্রধানমন্ত্রীকে ট্রাম্পের চিঠি

img

‘বোয়িং কেনায় ধন্যবাদ, শিগগিরই সাক্ষাতের প্রত্যাশায় আছি’

প্রকাশিত :  ১৩:২৮, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

‘বোয়িং কেনায় ধন্যবাদ, শিগগিরই সাক্ষাতের প্রত্যাশায় আছি’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে অদূর ভবিষ্যতে সাক্ষাৎ করতে চান বলে জানিয়েছেন।

গতকাল সোমবার (৩১ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে পাঠানো এক চিঠিতে এ আগ্রহের কথা জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং এ তথ্য জানিয়েছে।

চিঠিতে ট্রাম্প বলেন, ‘খুব অদূর ভবিষ্যতে আপনার সঙ্গে দেখা করার প্রত্যাশায় আছি।’

একই চিঠিতে বাংলাদেশের জনগণের প্রতি উষ্ণ শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা পৌঁছে দিতে তারেক রহমানকে অনুরোধ করেন ট্রাম্প। বাংলাদেশের মানুষ অনেক কঠিন সময় পার করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও দেশটির জনগণের ভবিষ্যৎ খুব উজ্জ্বল হবে বলে তিনি মনে করেন।

এ ছাড়া বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান ট্রাম্প। তিনি বলেন, বাংলাদেশের এই সিদ্ধান্তকে তিনি অত্যন্ত প্রশংসা করছেন এবং ‘বোয়িং আপনাকে হতাশ করবে না।’

চিঠিতে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের প্রত্যাশার পাশাপাশি এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর মনোযোগের জন্যও ধন্যবাদ জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।



জাতীয় এর আরও খবর

img

বাংলাদেশের এলএনজি জাহাজ হরমুজ পার হতে সমস্যা হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে ইরানি রাষ্ট্রদূত

প্রকাশিত :  ০৯:৩৩, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশের এলএনজি বহনকারী জাহাজ হরমুজ প্রণালী পার হতে কোনো সমস্যায় পড়বে না বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহনাবাদি। একই সঙ্গে মক্কা প্যাক্টের সদস্য দেশগুলোর জাহাজও হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচল করতে পারবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইরানি রাষ্ট্রদূত এসব কথা বলেন।

জলিল রহিমি জাহনাবাদি বলেন, ‘বাংলাদেশের এলএনজি বহনকারী জাহাজ হরমুজ প্রণালী পার হতে কোনো সমস্যা নেই। মক্কা প্যাক্টের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জাহাজও হরমুজ প্রণালী পার করতে পারবে।’

সম্প্রতি হরমুজ প্রণালী ঘিরে নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে এলএনজি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কাতারএনার্জি বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশে এলএনজি সরবরাহের ক্ষেত্রে ‘ফোর্স মেজর’ বা চুক্তিগত দায়মুক্তির সময়সীমা সেপ্টেম্বরের পরও বাড়িয়েছে।

এ অবস্থায় বাংলাদেশের এলএনজি জাহাজের হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচল নিয়ে ইরানের রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সাক্ষাৎ শেষে মক্কা প্যাক্টে ইরানের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা নিয়েও কথা বলেন ইরানি রাষ্ট্রদূত।

তিনি বলেন, ইরান মক্কা প্যাক্টকে নিজেদের বিরুদ্ধে কোনো উদ্যোগ হিসেবে দেখছে না। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধে ইরান শুধু যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাম্পে হামলা করেছে, কোনো ইসলামি রাষ্ট্রে হামলা করেনি বলেও দাবি করেন তিনি।

জলিল রহিমি জাহনাবাদি বলেন, ‘আমরা মক্কা প্যাক্টকে আমাদের বিপক্ষে দেখছি না। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে আমরা শুধু আমেরিকার ক্যাম্পে আক্রমণ করেছি, ইসলামিক কোনো রাষ্ট্রকে নয়।’

ইরানকে আনুষ্ঠানিকভাবে মক্কা প্যাক্টে আমন্ত্রণ জানানো হলে তাতে অংশ নেওয়ার আগ্রহের কথাও জানান তিনি। তাঁর ভাষায়, ‘মক্কা প্যাক্টে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানালে ইরান গ্রহণ করবে।’

সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ককে নিয়ে গঠিত মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য অংশগ্রহণ নিয়েও বর্তমানে আলোচনা চলছে। বাংলাদেশ এ বিষয়ে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

জাতীয় এর আরও খবর