img

সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক লতিফা নিলুফার পাপড়ি

প্রকাশিত :  ০৭:০৬, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক লতিফা নিলুফার পাপড়ি

সংগ্রাম দত্ত: মৌলভীবাজার সদর উপজেলার গিয়াসনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লতিফা নিলুফার পাপড়ি সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন। প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ ৯২ নম্বর পেয়ে তিনি বিভাগে প্রথম হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর ) সিলেট বিভাগের প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় উপপরিচালক এ কে এম সাইফুল হাসান স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

পত্রে বলা হয়েছে, আগামী ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সিলেট বিভাগে তিনজন শিক্ষককে গুণী শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৯২ নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছেন লতিফা নিলুফার পাপড়ি।

মৌলভীবাজারে শিক্ষক হিসেবে লতিফা নিলুফার পাপড়ির পরিচিতি দীর্ঘদিনের। শিক্ষকতা জীবনে নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার পাশাপাশি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়েও তিনি সক্রিয়ভাবে কাজ করে আসছেন। তবে শিক্ষকতার গণ্ডির বাইরেও রয়েছে তাঁর ভিন্ন এক পরিচয়।

লতিফা নিলুফার পাপড়ি একাধারে কবি, প্রাবন্ধিক ও কথাসাহিত্যিক। তাঁর বেশ কয়েকটি বই ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সংবাদপত্রেও নিয়মিত কলাম লেখেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখালেখির কারণেও তাঁর একটি শক্ত অবস্থান তৈরি হয়েছে।

শিক্ষকতা ও সাহিত্যচর্চা—দুই ক্ষেত্রেই সক্রিয় থাকার মধ্য দিয়ে তিনি নিজের আলাদা পরিচয় গড়ে তুলেছেন। আর এবার সেই বহুমাত্রিক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পেলেন সিলেট বিভাগের গুণী শিক্ষক নির্বাচনের সর্বোচ্চ সম্মান।

তবে বিভাগসেরা গুণী শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ার পরও নিজের বিষয়ে বেশ বিনয়ী লতিফা নিলুফার পাপড়ি। তিনি বলেন, ‘আমি তো এত গুণী মানুষ নই। তারপরও কর্তৃপক্ষ কেন আমাকে গুণী হিসেবে নির্বাচিত করল, বুঝতে পারছি না। তবে সবার কাছে আমি শুভকামনা চাই, আমার যতটুকু গুণ আছে, তার যেন বিকাশ ঘটাতে পারি।’

শিক্ষকতা, সাহিত্যচর্চা ও লেখালেখির পাশাপাশি নিজের গুণ ও সৃজনশীলতার আরও বিকাশ ঘটাতে চান তিনি। বিভাগীয় পর্যায়ে এই স্বীকৃতি তাঁর সেই পথচলায় নতুন অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।



সিলেটের খবর এর আরও খবর

img

সুনামগঞ্জে নিজ ঘর থেকে এনসিপি নেতার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত :  ০৭:৫৬, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৮:১৬, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলায় নিজ বসতঘর থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলা সদরের পশ্চিমপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. শাহীন কাদির (৪৮) ওই গ্রামের মৃত সুনু কাদিরের ছেলে। তিনি এনসিপির ধর্মপাশা উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রাত ৮টার দিকে শাহীন কাদির বসতঘরের একটি কক্ষে ঢুকে ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেন। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে পরিবারের সদস্যরা তাকে খাবারের জন্য ডাকাডাকি করেন। সাড়া না পেয়ে একপর্যায়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে কক্ষের তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান স্বজনরা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতের ভাতিজা আসিফ আহমেদ বলেন, তার চাচা দীর্ঘদিন ধরে মেরুদণ্ডের সমস্যায় ভুগছিলেন এবং প্রায়ই ব্যথায় কাতরাতেন। চিকিৎসা করেও তেমন সুফল পাননি।

এনসিপির ধর্মপাশা উপজেলা শাখার আহ্বায়ক আজিজুল হক বলেন, “কেন তিনি এমন পথ বেছে নিলেন, তা বুঝতে পারছি না। তার মৃত্যুতে আমরা শোকাহত।”

ধর্মপাশা থানার উপপরিদর্শক রফিকুল ইসলাম বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সিলেটের খবর এর আরও খবর