img

হাম উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত :  ১১:১১, ০৩ নভেম্বর ২০২৬

হাম উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহজনক হাম রোগী হিসেবে ১ হাজার ৩১৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ সময়ে নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ৮২ জন।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৮২৩ জনে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ৩১৮ জন সন্দেহজনক রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ৫৪৬ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে হাম উপসর্গে মারা গেছেন পাঁচজন। এছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে সন্দেহজনক হাম উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৫৮ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামজনিত মৃত্যু হয়েছে ১০৫ জনের।

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ হাজার ২০৪ জন। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট ১ লাখ ৯৮ হাজার ৭৫০ জন হাম রোগী চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।

জাতীয় এর আরও খবর

img

বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা ও সংঘাত বাড়ছে, সতর্ক করলেন রাজা চার্লস

প্রকাশিত :  ১৭:৫১, ০৩ নভেম্বর ২০২৬

বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা, সামরিক সংঘাত এবং আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি দুর্বল হয়ে পড়ার বিষয়ে সতর্ক করেছেন ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লস। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ ধ্বংস এবং প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনকে বর্তমান সময়ের বড় সংকট হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডায় ২৮তম কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের সম্মেলনের (সিএইচওজিএম) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন ব্রিটিশ রাজা।

চার্লস বলেন, ‘আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি ও ব্যবস্থাগুলো যখন চরম পরীক্ষার মুখে, তখন নৃশংস সংঘাত আমাদের বিশ্বকে গ্রাস করছে। এসব সংঘাত মানুষের জীবন ধ্বংস করছে এবং বিশ্বজুড়ে দীর্ঘস্থায়ী নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।’

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশের ধ্বংস এবং প্রযুক্তির দ্রুত রূপান্তর একসঙ্গে মানবজাতির সামনে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। এসব সংকটকে তিনি ‘আমাদের সময়ের সংকট’ হিসেবে অভিহিত করেন।

বিশ্বের অভিন্ন সমস্যাগুলো মোকাবিলায় কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করার আহ্বান জানান ব্রিটিশ রাজা। তার মতে, অংশীদারত্ব, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের মাধ্যমে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে এই সংস্থা।

বক্তব্যে আটলান্টিক মহাসাগর পেরিয়ে পরিচালিত দাস ব্যবসার ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার নিয়েও কথা বলেন তৃতীয় চার্লস। তিনি স্বীকার করেন, দাস ব্যবসার দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব এখনো ক্যারিবীয় অঞ্চলসহ কমনওয়েলথের বিভিন্ন দেশের সমাজে রয়ে গেছে।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ইতিহাসের সেই লজ্জাজনক অধ্যায় আমার হৃদয়কে আতঙ্কিত করে এবং আমার আত্মাকে গভীর ব্যক্তিগত বেদনায় পূর্ণ করে।’

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

জাতীয় এর আরও খবর