img

কোন নবী কোন ভাষায় কথা বলতেন

প্রকাশিত :  ১১:০৭, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

কোন নবী কোন ভাষায় কথা বলতেন

ভাষা মহান আল্লাহর সেরা দান। আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে মানুষকে মনের ভাব ব্যক্ত করতে মাতৃভাষা দান করেছেন। ভাষা অন্যান্য প্রাণীর ওপর মানুষের শ্রেষ্ঠত্বের অন্যতম দিক। এ প্রসঙ্গে পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর তাঁর নিদর্শনাবলির মধ্যে রয়েছে আকাশসমূহ ও পৃথিবীর সৃষ্টি এবং তোমাদের ভাষা ও বর্ণের বৈচিত্র্য। এতে জ্ঞানীদের জন্য অবশ্যই বহু নিদর্শন রয়েছে।’ (সূরা রুম, আয়াত : ২২)। মানুষ এবং পশু-পাখির মধ্যে পার্থক্যের গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক এই ভাষা। কারণ, আরবরা মানুষের পরিচয় দেয় ‘হায়াওয়ানে নাতেক’ শব্দযোগে। যার অর্থ ‘বাকশক্তিসম্পন্ন প্রাণী’।

আর স্থান ও কাল ভেদে মানুষের ভাষা বৈচিত্রে ভরা। তারা নিজেদের মাতৃভাষায় যার যার মনের ভাব প্রকাশ করে আসছে আদিকাল থেকে। মহান আল্লাহতায়ালাও পৃথিবীতে যতজন নবী-রাসূল আ: পাঠিয়েছেন, তাদের প্রত্যেকে স্বজাতির ভাষায় বিজ্ঞ ছিলেন। পবিত্র কোরআনে কারিমে এসেছে, ‘আমি প্রত্যেক রাসূলকেই তার স্বজাতির ভাষাভাষী (মাতৃভাষী) করে পাঠিয়েছি, তাদের কাছে পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করার জন্য।’ (সূরা ইবরাহিম, আয়াত : ৪)।

পবিত্র কোরআনের বর্ণনা থেকে স্পষ্ট হয় যে নবী-রাসূল আ: মাতৃভাষায় কথা বলতেন এবং মাতৃভাষাতেই মানুষকে ইসলামের দাওয়াত দিতেন। নবী-রাসূলদের মধ্যে কে কোন ভাষায় কথা বলতেন, সে সম্পর্কে যেসব ঐতিহাসিক বর্ণনা পাওয়া যায়, তা তুলে হলো—

১. পৃথিবীর প্রথম মানুষ ও প্রথম নবী আদম আ: জান্নাতে আরবি ভাষায় কথা বলতেন। তবে পৃথিবীতে আগমনের পর তিনি সিরিয়াক (ঝুত্রধপ) ভাষায় কথা বলেন। যাকে সিরিয়াক অ্যারামিক ভাষাও বলা হয়।

২. নুহ, শিশ, ইউনুস ও ইদরিস আ: সিরিয়াক ভাষায় কথা বলতেন।

৩. হুদ ও সালিহ আ: আরবি ভাষায় কথা বলতেন।

৪. ইবরাহিম আ: তাঁর মাতৃভাষা ছিল সিরিয়াক। তবে তিনি আরবি ভাষায়ও পারদর্শী ছিলেন।

৫. লুত ও ইয়াকুব আ:-ও সিরিয়াক ও আরবি উভয় ভাষায় পারদর্শী ছিলেন।

৬. ইসমাইল, আইয়ুব ও শোয়াইব আ: আরবি ভাষায় কথা বলতেন।

৭. ইউসুফ আ: শৈশবে আরবি ভাষায় কথা বলতেন। তবে মিসরে আগমনের পর প্রাচীন মিসরীয় ভাষা কিবতি ভাষায় কথা বলতেন।

৮. দাউদ ও সুলাইমান আ: অ্যারামিক (সিরিয়াক ভাষার উপভাষা ও হিব্রুর প্রাচীনরূপ) ভাষায় কথা বলতেন। তবে তাঁরা আরবি ভাষায়ও পারদর্শী ছিলেন।

৯. মুসা ও হারুন আ: প্রাচীন মিসরীয় কিবতি ভাষায় কথা বলতেন। তবে তিনি মাদায়েনে হিজরত করার পর আরবি ভাষা রপ্ত করেন। তবে মিসরের বনি ইসরাঈলরা অ্যারামিক (হিব্রু) ভাষায় কথা বলত।

১০. ইউশা বিন নুন আ: মূলত আরবি ভাষায় কথা বলতেন। তবে প্রাচীন মিসরীয় কিবতি ভাষাও জানতেন।

১১. জাকারিয়া, ঈসা ও ইয়াহইয়া আ: অ্যারামিক ভাষায় কথা বলতেন। তবে তাঁরা আরবি ভাষাও জানতেন।

১২. সর্বশেষ নবী হজরত মোহাম্মদ সা: আরবি ভাষায় কথা বলতেন। তিনি ছিলেন আরবের সবচেয়ে বিশুদ্ধ ভাষার অধিকারী।

মতভিন্নতা ও সমাধান

নবীদের মাতৃভাষা নিয়ে ঐতিহাসিকদের ভেতর মতভিন্নতা আছে। তবে বেশিভাগ মতের মধ্যেই সমন্বয় করা সম্ভব। যেমন ঈসা আ:-এর ভাষার বিষয়ে দুটি মত হলো- অ্যারামিক ও হিব্রু। মূলত অ্যারামিক হলো- হিব্রু ভাষার প্রাচীনরূপ। হিব্রু অ্যারামিকের বিবর্তিত রূপ। তাই মৌলিকভাবে উভয় মতের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই।

তথ্যসূত্র : ফিকরাহ ডটকম, আল-মুলাক্কাস ডটকম ও অন্যান্য

img

ঈদের জামাত কখন কোথায়

প্রকাশিত :  ১১:৪৮, ২৭ মে ২০২৬

পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে।

প্রধান জামাতে অংশ নেবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাসহ সমাজের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ।

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ–এর খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক ঈদের প্রধান জামাতে ইমামতি করবেন।

ইতোমধ্যে ঈদ জামাতের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত করা হয়েছে হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ মাঠ। সেখানে একসঙ্গে প্রায় ৩৫ হাজার মানুষের নামাজ পড়ার ব্যবস্থা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন।

প্রধান ঈদ জামাত ঘিরে নিরাপত্তার বন্দোবস্তুও সারা হয়েছে।  আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা নিরাপত্তার আয়োজন পর্যবেক্ষণ করেছেন।

তবে ঝড়বৃষ্টির কারণে আবহাওয়া প্রতিকূল হলে সকাল ৮টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ঈদের প্রধান জামাত হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে এবারো পাঁচটি জামাত হবে।  সকাল ৭টা, সকাল ৮টা, সকাল ৯টা, সকাল ১০টায় এবং ১০টা ৪৫ মিনিটে এসব জামাত হবে।

প্রতি বছর দেশের সর্ববৃহৎ ঈদ জামাতের আয়োজন হয় কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া মাঠে। সকাল ৯টায় এ জামাতে ইমামতি করবেন জেলা শহরের বড় বাজার মসজিদের খতিব মাওলানা আবুল খায়ের মুহাম্মদ ছাইফুল্লাহ।

সবচেয়ে বড় ঈদ জামাত আয়োজনে কয়েক বছর ধরে শোলাকিয়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে যাচ্ছে দিনাজপুর গোর-এ-শহীদ বড় ময়দান। আয়োজকদের দাবি, প্রায় ২২ একর আয়তনের এ মাঠে পাঁচ থেকে ছয় লাখ মানুষ সেখানে একসঙ্গে নামাজ পড়তে পারেন।

গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানে ঈদের জামাত হবে সকাল সাড়ে ৮টায়। ইমামতি করবেন দিনাজপুর জেলা ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা মতিউর রহমান কাসেমী।

ঈদের দিনের আবহাওয়া

কুরবানির ঈদের দিন খুলনা, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টির আভাস দিয়ে রেখেছে আবহাওয়া অফিস।

ঢাকা

ঈদের দিন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে বরাবরের মতই পাঁচটি জামাতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, সকাল ৭টা, সকাল ৮টা, সকাল ৯টা, সকাল ১০টায় এবং ১০টা ৪৫ মিনিটে ঈদের জামাতগুলো হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টা এবং সাড়ে ৮টায় দুটি ঈদ জামাত হবে এবার।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হল মসজিদে সকাল ৭টায়, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হল লনে সকাল ৮টায় এবং ফজলুল হক মুসলিম হলের পূর্ব পাশের খেলার মাঠে সকাল ৮টায় ঈদের জামাত হবে। জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সকাল সাড়ে ৭টায় ঈদুল আজহার জামাত হবে। এছাড়া ঢাকা মহানগরীর শতাধিক ঈদগাহে এবং দেড় হাজারের বেশি মসজিদে জামাতের আয়োজন থাকবে ঈদের সকালে।

চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত হবে সকাল ৭টায় জমিয়তুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে। একই স্থানে দ্বিতীয় জামাত হবে সকাল ৮টায়। অন্যদিকে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সকাল সাড়ে ৮টায় জেলা স্টেডিয়ামের জিমনেসিয়াম মাঠে ঈদের জামাত হবে। এছাড়া চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে নগরীর আরও ৯টি মসজিদে সকাল ৮টায় ঈদ জামাত হবে।

মসজিদগুলো হল— লালদীঘি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন শাহী জামে মসজিদ, হযরত শেখ ফরিদ (রা.) চশমা ঈদগাহ মসজিদ, সুগন্ধা আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ, চকবাজার সিটি করপোরেশন জামে মসজিদ, জহুর হকার্স মার্কেট জামে মসজিদ, দক্ষিণ খুলশী (ভিআইপি) আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ, আরেফীন নগর কেন্দ্রীয় কবরস্থান জামে মসজিদ, সাগরিকা গরুবাজার জামে মসজিদ এবং মা আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) সিটি করপোরেশন জামে মসজিদ (সাগরিকা স্টেডিয়াম সংলগ্ন)।

রাজশাহী

রাজশাহীতে ঈদের প্রধান জামাত হবে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় হযরত শাহ মখদুম (র.) কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে। তবে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে কেন্দ্রীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত আয়োজন সম্ভব না হলে সকাল ৮টায় হযরত শাহ মখদুম (র.) দরগাহ জামে মসজিদে ঈদের প্রধান জামাত হবে। এছাড়া রাজশাহী মহানগর ও উপজেলা পর্যায়ের ঈদগাহগুলোতে সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত সময়ে জামাত হবে।

খুলনা

খুলনায় ঈদুল আজহার প্রধান জামাত হবে সকাল ৭টায় খুলনা সার্কিট হাউজ ময়দানে। তবে আবহাওয়া প্রতিকূল হলে খুলনা টাউন জামে মসজিদে সকাল ৭টায় প্রধান জামাত হবে। সেখানে সকাল ৮টায় দ্বিতীয় এবং সকাল ৯টায় তৃতীয় জামাত হবে। এছাড়া সকাল সাড়ে ৭টায় খুলনা আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন মডেল মসজিদে ঈদের জামাত হবে।

খুলনা সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় ও ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে নগরের প্রতিটি ওয়ার্ডে পৃথক ঈদের জামাত হবে।

বরিশাল

বরিশাল নগরীর হেমায়েতউদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত হবে সকাল ৮টায়। এছাড়া বরিশালের বড় ঈদের জামাত হবে চরমোনাই দরবার শরীফ মাঠে ও উজিরপুরের গুঠিয়া বায়তুল আমান জামে মসজিদে। উভয় জামাত সকাল ৮টায় হবে। বরিশাল নগরীর কেন্দ্রীয় জামে কসাই মসজিদে সকাল ৮টা ও ৯টায় দুটি জামাত হবে।

এবায়েদুল্লাহ মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টায় ও সাড়ে ৯টায় দুটি জামাত, বায়তুল মোকাররম মসজিদে সকাল ৮টায় ও ৯টায় দুটি জামাত, পোর্ট রোডের কেরামতিয়া জামে মসজিদে সকাল ৭টা ও ৯টায় দুটি জামাত, পুলিশ লাইন্স জামে মসজিদে সাড়ে ৭টা ও সাড়ে ৮টায় দুটি জামাত, নুরিয়া স্কুল ঈদগা ময়দানে ৭টা ও ৮টায় দুটি জামাত হবে। এছাড়া আঞ্জুমানে হেমায়েত ইসলাম (গোরস্থান) ঈদগা ময়দানে ঈদের জামাত হবে সকাল ৮টায়।

সিলেট

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী শাহী ঈদগাহ ময়দানে কোরবানির ঈদের প্রধান জামাত হবে সকাল ৮টায়। নগরীর বন্দরবাজার এলাকার কুদরত উল্লাহ জামে মসজিদে ঈদুল আজহার তিনটি জামাত হবে সকাল ৭টা, ৮টা ও ৯টায়। আন্জুমানে খেদমতে কুরআন সিলেটের উদ্যোগে সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে ঈদের জামাত হবে সকাল সাড়ে ৭টায়।

রংপুর

রংপুরে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত হবে সকাল সাড়ে ৮টায় কালেক্টরেট ঈদগাহে। তবে আবহাওয়া প্রতিকূল হলে রংপুর জেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদের প্রধান জামাত হবে। সেখানে ৯টায় হবে দ্বিতীয় জামাত।

এছাড়া মুন্সিপাড়া ঈদগাহে সকাল সাড়ে ৮টায়, হযরত মাওলানা কেরামত আলী মাজার সংলগ্ন কেরামতিয়া মসজিদে সকাল সাড়ে ৯টায়, মণ্ডল পাড়া বড় ঈদগাহ ও দামোদরপুর বড় ময়দানে সাড়ে ৯টায়, মিঠাপুকুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ৯টায়, বদরগঞ্জ চান্দামাড়ি কারামতিয়া ঈদগাহে সকাল ১০টায় ঈদ জামাত হবে।

পীরগাছা জেএন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ, কাউনিয়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ, তারাগঞ্জ চৌপথি ঈদগাহ, পীরগঞ্জ কেন্দ্রীয় ঈদগাহ, বদরগঞ্জ কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ও সদর উপজেলা পরিষদ ঈদগাহে সকাল সাড়ে ৮টায় হবে ঈদের জামাত।

রংপুর মেডিকেল কলেজ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ মাঠে সকাল সাড়ে ৮টায়, গঙ্গাচড়ার পাইকান বড় জুম্মা মসজিদ মাঠে সকাল ৯টায়, ধাপ স্টাফ কোয়াটার জামে মসজিদ মাঠে এবং বুড়িরহাট কেন্দ্রীয় ঈদগাহে সকাল ৯টায়, বুড়িরহাট মাঠে সকাল ৯টায় ঈদের জামাত হবে। এবারে জেলার প্রায় ৫ হাজার ৯০টি মসজিদ সংলগ্ন এলাকার ঈদগাহ ও খোলা মাঠে ঈদের নামাজের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।

ময়মনসিংহ

ময়মনসিংহে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত হবে নগরীর আঞ্জুমান ঈদগাহ মাঠে, সকাল সাড়ে ৭টায়। একই মাঠে দ্বিতীয় জামাত হবে সকাল সাড়ে ৮টায়। এছাড়াও নগরীর বড় মসজিদে সকাল ৮টায়, দারুল উলুম নিজামিয়া ঈদগাহ মাঠে সকাল সাড়ে ৮ টায়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মাঠে সকাল ৯টায় ঈদের জামাত হবে।