img

ওমরাহর শেষ তারিখ জানাল সৌদি সরকার

প্রকাশিত :  ১০:০৭, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

ওমরাহর শেষ তারিখ জানাল সৌদি সরকার

সৌদি আরবের নাগরিক, সেখানে বসবাসরত প্রবাসী এবং পারস্য উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি)ভুক্ত দেশগুলোর নাগরিকরা আগামী ১৫ জিলকদ, অর্থাৎ ৩ মে পর্যন্ত পবিত্র ওমরাহ পালনের সুযোগ পাবেন।

\r\n

হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগে ওমরাহ পালনের জন্য তাদের আলাদা কোনো হজ পারমিট বা অনুমতির প্রয়োজন হবে না।

সৌদি গেজেটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত মক্কায় প্রবেশের ক্ষেত্রে বিশেষ শিথিলতা বজায় থাকবে। এর আগে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় গত ১ জিলকদ অর্থাৎ ১৯ এপ্রিলের মধ্যে সব বিদেশি ওমরাহ যাত্রীকে দেশ ছাড়ার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল। মূলত বিদেশ থেকে হজে আসা ব্যক্তিদের ভিড় সামাল দিতে এবং হজের প্রস্তুতি শুরু করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল।

হজ মৌসুম পুরোদমে শুরু হওয়ার আগে অভ্যন্তরীণ ওমরাহ যাত্রীদের জন্য এটিই শেষ সুযোগ। ফলে মক্কার মসজিদুল হারামে এখন সৌদি নাগরিকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চল ও প্রদেশ থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষ মক্কায় আসায় কাবা শরীফ সংলগ্ন হোটেলগুলোতে পর্যটকদের ভিড় বেড়েছে এবং আবাসন সংকট তৈরি হয়েছে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী ৩ মে’র পর হজের মূল কার্যক্রম শুরু হয়ে যাবে। তখন নির্দিষ্ট পারমিট বা অনুমতিপত্র ছাড়া মক্কায় প্রবেশ বা অবস্থান করা আইনত দণ্ডনীয় হবে। তাই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই ওমরাহ শেষ করে মক্কা ত্যাগের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্টদের।


img

পবিত্র আশুরা ২৬ জুন

প্রকাশিত :  ১২:৩১, ১৬ জুন ২০২৬

দেশের আকাশে ১৪৪৮ হিজরি সনের মহররম মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে আগামীকাল ১৭ জুন বুধবার থেকে থেকে মহররম মাস গণনা করা হবে। সেই হিসাবে আগামী ২৬ জুন শুক্রবার পবিত্র আশুরা পালিত হবে।

আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) সন্ধ্যায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

মহররম মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়। 

এতে দেখা যায় যে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র মহররম মাসের চাঁদ দেখা গেছে।

আশুরা ইসলামের ইতিহাসে একটি ঘটনাবহুল দিন। মহান আল্লাহতায়ালা এই দিনেই আরশ, কুরসি, লওহ, কলম, আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন। এ দিনেই আদম (আ.)কে সৃষ্টি করেছেন। পরে শয়তানের প্ররোচনায় তিনি ভুল করলে এই দিনই তাকে দুনিয়ায় পাঠিয়ে দেন, পরে তাকে তার প্রতিনিধি নির্বাচিত করেন। 

হযরত নুহ (আ.) ৯৫০ বছর ধরে তাওহিদের বাণী প্রচারের পর যখন সেই যুগের মানুষ আল্লাহর বিধিনিষেধ পালনে অস্বীকৃতি জানান, তখন নেমে আসে আল্লাহর গজব। আশুরার দিনই হযরত ইব্রাহিম (আ.) শত বিধিনিষেধের মধ্যে জন্মগ্রহণ করেছেন। মুসা (আ.)এর নেতৃত্বে বনি ইসরাইলকে ফেরাউনের কবল থেকে আল্লাহ রক্ষা করেন এই দিনে। 

কারবালার শোকাবহ ও হৃদয়বিদারক ঘটনাটিও (মহানবি মুহাম্মদ (সা.)এর দৌহিত্র ইমাম হোসাইন (রা.) ও তার পরিবার এবং অনুসারীদের হত্যা) ঘটেছে এই দিনে। 

এসব কারণে দিনটি বিশ্বের মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় দিনটি পালিত হয়ে থাকে।

ধর্ম এর আরও খবর