img

এক সিনেমায় সাত চরিত্রে ইধিকা

প্রকাশিত :  ০৬:৫৫, ০২ জুন ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট: ০৭:৫২, ০২ জুন ২০২৫

এক সিনেমায় সাত চরিত্রে ইধিকা

এ মুহূর্তে টালিউডের ব্যস্ত নায়িকাদের একজন অভিনেত্রী ইধিকা পাল। এবার তার নতুন সিনেমা 'বহুরূপ'-এর পোস্টার প্রকাশ্যে এসেছে। যেখানে নজর কেড়েছে অভিনেত্রীর লুক। অবাক করা বিষয় হলো— এই সিনেমায় সাত রঙে নিজেকে সাজিয়েছেন তিনি। সাতটি রূপে সাতটি ভিন্ন চরিত্রে দর্শক দেখতে পাবেন ইধিকাকে। সিনেমায় নায়িকার বিপরীতে থাকছেন অভিনেতা সোহম চক্রবর্তী।

ছোটপর্দায় কাজ দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেন অভিনেত্রী ইধিকা পাল। কয়েকটি ধারাবাহিকের পরেই নজরে আসে সিনেমার নির্মাতাদের। সোজাসুজি কাজ করার সুযোগ পান বড়পর্দায়। শুধু তাই নয়, সে কাজও করেছেন যেনতেন নায়কের সঙ্গে নয়; একেবারে সুপারস্টারের সঙ্গে। এখন পর্যন্ত প্রতিটা সিনেমাই তার ব্যবসাসফল হয়েছে।

এদিকে দুই বাংলাতেই সমান জনপ্রিয় অভিনেত্রী। বিশেষ করে ঢালিউড মেগাস্টার শাকিব খানের সঙ্গে বেশ কয়েকটি সিনেমা করার পর বাংলাদেশে তার জনপ্রিয়তাও তুঙ্গে। সম্প্রতি ঢালিউডে মুক্তি পাওয়া হিট সিনেমা ‘বরবাদ’-এ  শাকিব খানের সঙ্গে পর্দা শেয়ার করে দর্শকদের মন জয় করেছেন ইধিকা।

এবার তার নতুন সিনেমা 'বহুরূপ'-এর পোস্টার প্রকাশ পেয়েছে। এ সম্পর্কে ইধিকা পাল বলেন, এই সিনেমা আমার কাছে অন্যরকম। আমি এ রকম কাজ এর আগে কখনো করিনি। আমি সবসময় চাই এমন চরিত্রে অভিনয় করতে, যাতে দর্শকদের আগ্রহ বেশি থাকে। 

অভিনেত্রী বলেন, আমি প্রথম থেকেই ভাবছিলাম— কীভাবে চরিত্রটা তুলে ধরব। তাই এটা আমার কাছে যতটাই আগ্রহের ছিল, ততটাই চ্যালেঞ্জিং ছিল। তিনি বলেন, আমি অনেক অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছি এ কাজটি করতে গিয়ে। সোহমদার মতো অভিনেতার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি, এটি আমার সৌভাগ্য। 

ইধিকা বলেন, তার কাছ থেকেও শিখেছি অনেক। এ সিনেমার পরিচালকও নতুন, কিন্তু তা তার কাজে প্রকাশ পায়নি। বরং অভিজ্ঞ মনে হয় কাজের প্রতি তার নিষ্ঠা দেখে। আমরা সবাই কাজটা নিয়ে খুব এক্সাইটেড ছিলাম। এক্সপেরিমেন্টাল কাজ করেছি সিনেমার পুরো টিম। বাকিটা এবার দর্শক বলবে।

img

সাবেক প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদকে নিয়ে মাহিয়া মাহির বিস্ফোরক অভিযোগ

প্রকাশিত :  ১৮:১৫, ১১ জুলাই ২০২৬

বহুল আলোচিত-সমালোচিত চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি ও সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের পুরোনো সেই অডিও ফাঁসের ঘটনাটি নিয়ে আবারও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পেজে একটি দীর্ঘ ভিডিওবার্তা প্রকাশ করে মাহি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বেশ কিছু বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন।

ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই ডা. মুরাদ হাসানের দ্বারা ভুক্তভোগী বলে অভিযোগ মাহির।

এ চিত্রনায়িকা জানান, ডা. মুরাদ হাসান তাকে প্রতিনিয়ত বিরক্ত করতেন বলে তিনি প্রতিমন্ত্রীর নম্বর ব্লক করে রেখেছিলেন। ভাইরাল হওয়া অডিওতে ডা. মুরাদ নিজেই বলেছিলেন, ‘ও তো আমার ফোন ধরবে না।’ মাহি বলেন, তিনি সরাসরি ফোন ধরতেন না বলেই ডা. মুরাদ অন্য মানুষের ফোন ব্যবহার করে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন।

অডিওতে ডা. মুরাদ হাসান মাহিকে তুলে নেওয়ার জন্য র‍্যাব, পুলিশ, এনএসআই ও ডিজিএফআই পাঠানোর হুমকি দিয়েছিলেন।

মাহি প্রশ্ন তোলেন, যদি তাদের মধ্যে ভালো সম্পর্কই থাকত, তবে কেন তাকে এভাবে ভয় দেখানো হতো? মূলত ডা. মুরাদকে এড়িয়ে চলতেন বলেই তাকে দমাতে ক্ষমতার প্রভাব খাটানো হয়েছিল।

হুমকি পাওয়ার পর মাহি ইন্ডাস্ট্রির অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং সহকর্মীদের কাছে সাহায্য চেয়েছিলেন। অনেকেই বিষয়টি জানতেন। কিন্তু ডা. মুরাদ মন্ত্রী হওয়ায় সবাই \"আমরা কী করব?\" বলে এড়িয়ে যান।

এমনকি কিছু সহকর্মী রাতে ফোন করে মাহিকে সতর্ক করতেন যেন রাত ১১টার পর তিনি ফোন না ধরেন, কারণ ওই সময়ে ডা. মুরাদ তাদের সামনেই থাকতেন।

মাহি বলেন, তিনি যদি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পৌঁছাতে পারতেন, তবে অবশ্যই বিষয়টি তাকে জানাতেন এবং বিশ্বাস করেন যে তিনি এর বিচার করতেন।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাওয়ার কোনো সুযোগ না থাকায় বাধ্য হয়ে পরিস্থিতি তাকে একাই ঠান্ডা মাথায় ও ভদ্রভাবে সামলাতে হয়েছিল।

অডিওতে ডা. মুরাদের গালিগালাজের বিপরীতে মাহির হেসে কথা বলা নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে। এর জবাবে মাহি বলেন, \"আমি যদি তখন গালিগালাজ করতাম আর পরে আমার বড় কোনো ক্ষতি হয়ে যেত, সেই দায়িত্ব কে নিত?\"

সবশেষে মাহি দাবি করেন, ক্ষমতার অপব্যবহার করে ডা. মুরাদ শুধু তাকেই নয়, চলচ্চিত্র অঙ্গনের আরও অনেক নায়িকা, কণ্ঠশিল্পী এবং সংবাদ উপস্থাপিকাকে একইভাবে উত্যক্ত ও হেনস্তা করেছেন। ক্ষমতার ভয়ে তখন কেউ মুখ খুলতে পারেননি।

তিনি বলেন, ‘আমি শুনেছি আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই—নিউজ প্রেজেন্টার, সিঙ্গারসহ অসংখ্য নারী তার (ডা. মুরাদ হাসান) বুলিংয়ের শিকার হয়েছেন। তাই বিষয়টা অনেকেই বুঝবেন না।’