img

রেমিট্যান্সে সুবাতাস, ঈদের আগে ৩ দিনে এলো ৬০ কোটি ডলার

প্রকাশিত :  ০৫:৪৫, ০৫ জুন ২০২৫

রেমিট্যান্সে সুবাতাস, ঈদের আগে ৩ দিনে এলো ৬০ কোটি ডলার

চলতি মাসের প্রথম ৩ দিনে দেশে এসেছে ৬০ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে) যার পরিমাণ ৭ হাজার ৪২৯ কোটি টাকা।  বড় অঙ্কের এই রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং ঈদের বাজারকে করেছে চাঙা।

আজ বৃহস্পতিবার (৫ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এতে বলা হয়, জুনের প্রথম ৩ দিনে দেশে এসেছে ৬০ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ২৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার। বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ১১১ দশমিক ৬০ শতাংশ।

এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ২০ কোটি ১৩ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদ ঘিরে দেশে আত্মীয়-স্বজনদের কাছে বিপুল পরিমাণে অর্থ পাঠাচ্ছেন প্রবাসীর বাংলাদেশিরা। এতে হাওয়া লেগেছে রেমিট্যান্সের পালে।

গত ৩ জুন দেশে ১৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে জানিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, গত জুলাই থেকে চলতি মাসের ৩ জুন পর্যন্ত দেশে এসেছে ২ হাজার ৮১১ কোটি ১০ লাখ ডলার। বছর ব্যবধানে বেড়েছে ২৯ দশমিক ৮০ শতাংশ।

প্রসঙ্গত, সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠাতে প্রবাসীদের বিভিন্ন প্রণোদনা প্রদান করছে। ডিজিটাল চ্যানেলে অর্থ পাঠানো সহজ হওয়ায় বর্তমানে অনেকেই হুন্ডি এড়িয়ে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেল ব্যবহার করছেন।

এদিকে, গত মে মাসে দেশে এসেছে ২৯৬ কোটি ৯৫ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৮১ কোটি ৪৮ লাখ ১০ হাজার ডলার।

এছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ২৭ কোটি ৩০ লাখ ৭০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ১৮৭ কোটি ৬২ লাখ ১০ হাজার ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫৪ লাখ ৮০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।

এর আগে গত মার্চে দেশে এসেছে ৩২৮ কোটি ৯৯ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে যে কোনো এক মাসের সর্বোচ্চ। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে) যার পরিমাণ ৪০ হাজার ১৩৮ কোটি টাকা। গত এপ্রিলে এসেছে ২৭৫ কোটি ১৯ লাখ ডলার।

আর গত ফেব্রুয়ারিতে দেশে প্রবাসী আয় এসেছিল ২৫২ কোটি ৭৬ লাখ ডলার। গত জানুয়ারি মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২১৮ কোটি ৫২ লাখ মার্কিন ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছর ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই থেকে জুন ৩ পর্যন্ত প্রবাসীরা মোট ২ হাজার ৮১১ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। যা আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ২৯ দশমিক ৮০ শতাংশ বেশি। আগের অর্থবছরে একই সময় রেমিট্যান্স এসেছিল দুই হাজার ১৬৬ কোটি মার্কিন ডলার।

img

দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধস

প্রকাশিত :  ০৫:৪২, ২৪ জুন ২০২৬

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশের বাজারে বড় ব্যবধানে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এবার ভরিতে ৫ হাজার ৪৮১ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৫ হাজার ২৯০ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি। 

আজ বুধবার (২৪ জুন) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে। 

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ২৫ হাজার ২৯০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৫ হাজার ১৪২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৪ হাজার ৭৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫০ হাজার ৬৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে সোমবার (২২ জুন) সর্বশেষ স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৪৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৮০ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৪০ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ৩৯ দফা ও ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।


অর্থনীতি এর আরও খবর