img

টানা ২ দফা কমার পর দেশে স্বর্ণের দামে বড় লাফ

প্রকাশিত :  ০৫:৫৬, ২২ জুন ২০২৬

টানা ২ দফা কমার পর দেশে স্বর্ণের দামে বড় লাফ

টানা ২ দফা কমার পর দেশের বাজারে ফের স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

আজ সোমবার (২২ জুন) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৪৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে, সবশেষ গত ২০ জুন সকালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। সেদিন প্রতি ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৬ হাজার ৩৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৬ হাজার ১৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৫ হাজার ৬৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫১ হাজার ৬৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৭৯ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৪০ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ৩৮ দফা ও ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।


অর্থনীতি এর আরও খবর

img

বঙ্গোপসাগরে জ্বালানি আছে নিশ্চিত, উত্তোলনের সিদ্ধান্ত সরকারের

প্রকাশিত :  ১৩:৩৭, ২২ জুন ২০২৬

বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় বিপুল জ্বালানি সম্পদের অস্তিত্ব রয়েছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, সমুদ্রের গভীর অঞ্চলে অনুসন্ধান কূপ খনন, খনিজ সম্পদের অবস্থান শনাক্তকরণ এবং পরবর্তীতে সেসব সম্পদ উত্তোলনের বিষয়ে সরকার নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

আজ সোমবার (২২ জুন) বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নৌমন্ত্রী বলেন, দেশের সমুদ্রসীমায় জ্বালানি সম্পদ পাওয়ার সম্ভাবনা নয়, বরং এর উপস্থিতি নিশ্চিত। তবে অতীতের নীতিগত সীমাবদ্ধতার কারণে এ সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়নি।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিস্তীর্ণ সমুদ্রাঞ্চলের অধিকার লাভ করলেও সেই সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি। প্রতিবেশী দেশ ভারত ও মিয়ানমার নিজ নিজ সমুদ্রসীমায় অনুসন্ধান চালিয়ে প্রাকৃতিক সম্পদ উত্তোলন করেছে, কিন্তু বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে।

শেখ রবিউল আলম আরও বলেন, দেশের প্রায় ৯২ শতাংশ বৈদেশিক বাণিজ্য চট্টগ্রাম বন্দরকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হয়। নেভিগেশন ও নিরাপদ জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় বাংলাদেশ এখনও পিছিয়ে থাকলেও সক্ষমতা অনুযায়ী এ খাতে উন্নয়নের কাজ চলছে।

তিনি বলেন, দেশের প্রায় ১৬ হাজার কিলোমিটার অভ্যন্তরীণ নৌপথ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। এসব নৌপথ সচল, নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও আকর্ষণীয় করে তুলতে হাইড্রোগ্রাফি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং ভবিষ্যতেও এর প্রয়োজনীয়তা আরও বাড়বে।

মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস দেশের সামুদ্রিক ও নৌসম্পদ চিহ্নিতকরণ এবং সেগুলোর সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার বিষয়ে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করবে।

অর্থনীতি এর আরও খবর