img

বাংলাদেশকে নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াটের বেশি নিতে দেবে না ভারত

প্রকাশিত :  ০৯:৩২, ১৪ জুন ২০২৬

বাংলাদেশকে নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াটের বেশি নিতে দেবে না ভারত

নেপাল থেকে বাংলাদেশে ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির পরিকল্পনা থাকলেও আপাতত ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে। আগামীকাল সোমবার (১৫ জুন) থেকে এই বিদ্যুৎ আমদানি কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

ভারতের অনুমোদন না পাওয়ায় অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি আপাতত বন্ধ থাকছে। সংশ্লিষ্ট জ্বালানি কর্মকর্তারা বলছেন, ভারতের সেন্ট্রাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি (সিইএ) এখন পর্যন্ত সেই অনুমোদন দেয়নি। খবর কাঠমান্ডু পোস্টের।

কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, ভারতের কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ (সিইএ) বিদ্যুৎ পরিবহন লাইনের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণ দেখিয়ে অনুমোদন স্থগিত করে দিয়েছে।

পাশাপাশি সংশোধিত বা নতুন ত্রিপক্ষীয় চুক্তি এবং নেপাল-ভারত জ্বালানি সচিব পর্যায়ের জয়েন্ট স্টিয়ারিং কমিটির (জেএসসি) সিদ্ধান্তসহ আরো কিছু প্রক্রিয়া এখনো সম্পন্ন হয়নি।

বর্ষা মৌসুমে উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ ভারত ও বাংলাদেশে রপ্তানি করে নেপাল। তবে শীত মৌসুমে দেশটি আবার ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করে থাকে।

২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত নেপাল-ভারত জেএসসির বৈঠকে বিদ্যমান ৪০ মেগাওয়াট ব্যবস্থার আওতায় বাংলাদেশে আরও ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি বাড়ানোর বিষয়ে নীতিগত সম্মতি হয়েছিল।

একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও সমঝোতা হয়।


অর্থনীতি এর আরও খবর

img

এডিবির বাজেট সহায়তায় রিজার্ভ বেড়ে ৩৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি

প্রকাশিত :  ১৬:৩৩, ১৪ জুন ২০২৬

এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশকে ১ বিলিয়ন ডলার বাজেট সহায়তা দিয়েছে । ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে সাড়ে ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৪ জুন পর্যন্ত দেশের মোট (গ্রোস) বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৫ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ৩১ দশমিক ০৭ বিলিয়ন ডলার।

গেল ১০ জুন মোট রিজার্ভ ছিল ৩৪ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ অনুযায়ী ছিল ৩০ দশমিক ০৭ বিলিয়ন ডলার। 

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, অতীতে রিজার্ভ চাপে পড়ে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ ১৪ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে গিয়েছিল।বর্তমানে দেশের ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ প্রায় ২৮ বিলিয়ন ডলার। প্রতি মাসে গড়ে ৫ বিলিয়ন ডলার আমদানি ব্যয় ধরা হলে, এ রিজার্ভ দিয়ে সাড়ে পাঁচ মাসের বেশি আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। সাধারণত অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয়ের সমপরিমাণ রিজার্ভকে নিরাপদ ধরা হয়।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের সময় রিজার্ভ নেমে আসে ২৫ দশমিক ৯২ বিলিয়ন ডলারে। তখন আইএমএফের হিসাবে রিজার্ভ ছিল ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার।

অর্থনীতি এর আরও খবর