img

কারিশমা-অভিষেকের সম্পর্ক ভেঙেছিল সম্পত্তির জন্য

প্রকাশিত :  ১০:৫৮, ২০ জুন ২০২৫

কারিশমা-অভিষেকের সম্পর্ক ভেঙেছিল সম্পত্তির জন্য

সম্প্রতি মারা গেছেন বলিউড অভিনেত্রী কারিশমা কাপুরের প্রাক্তন স্বামী সঞ্জয় কাপুর। তার মৃত্যুর পর থেকে নতুন করে নানা জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে কারিশমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে। সাধারণত ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব একটা কথা বলেন না তিনি।

সঞ্জয়কে বিয়ের আগে কারিশমার ব্যক্তিগত জীবন মানুষের আলোচনার কেন্দ্রে থাকত। সেই সময়ে, কারিশমা সম্পর্কে ছিলেন অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে। দীর্ঘ পাঁচ বছরের প্রেম ছিল তাদের। বচ্চন ও কাপুর পরিবার সেই সময়ে পরস্পরের ঘনিষ্ঠ ছিল।

অভিষেকের বোন শ্বেতা বচ্চনের বিয়ে হয়েছে নন্দা পরিবারে। এই নন্দা পরিবার আবার কারিশমার মামার বাড়ির দিকের আত্মীয়। এই সূত্রে আরও কাছাকাছি এসেছিল কাপুর ও বচ্চন পরিবার। জয়া বচ্চন নিজেই এক অনুষ্ঠানে ঘোষণা করেছিলেন, বচ্চন ও কাপুর এই দুই পরিবার আরও ঘনিষ্ঠ হতে চলেছে।

অভিষেকের সঙ্গে কারিশমার বিয়ের কথাও ঘোষণা করে দিয়েছিলেন তিনি। ধুমধাম করে বাগদান সেরেছিলেন কারিশমা-অভিষেক। কিন্তু এই সম্পর্ক টেকেনি। বিয়ের আগেই তাদের পথ আলাদা হয়। যদিও তাদের পক্ষ থেকে কিছু শোনা যায়নি।

তবে গুঞ্জন, কারিশমার মা ববিতা এই ভাঙনের জন্য দায়ী ছিলেন। যে অভিনেতা সদ্য অভিনয়ের সফর শুরু করেছেন, তার সঙ্গে কন্যার বিয়ে হোক, তা চাননি ববিতা। তিনি নাকি চেয়েছিলেন, বিয়ের আগেই অমিতাভের কিছু সম্পত্তি যেন অভিষেকের নামে করে দেওয়া হয়। এই প্রস্তাবে রাজি হয়নি বচ্চন পরিবার। অতঃপর বিচ্ছেদের পথে হাটেন তারা।

img

সাবেক প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদকে নিয়ে মাহিয়া মাহির বিস্ফোরক অভিযোগ

প্রকাশিত :  ১৮:১৫, ১১ জুলাই ২০২৬

বহুল আলোচিত-সমালোচিত চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি ও সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের পুরোনো সেই অডিও ফাঁসের ঘটনাটি নিয়ে আবারও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পেজে একটি দীর্ঘ ভিডিওবার্তা প্রকাশ করে মাহি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বেশ কিছু বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন।

ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই ডা. মুরাদ হাসানের দ্বারা ভুক্তভোগী বলে অভিযোগ মাহির।

এ চিত্রনায়িকা জানান, ডা. মুরাদ হাসান তাকে প্রতিনিয়ত বিরক্ত করতেন বলে তিনি প্রতিমন্ত্রীর নম্বর ব্লক করে রেখেছিলেন। ভাইরাল হওয়া অডিওতে ডা. মুরাদ নিজেই বলেছিলেন, ‘ও তো আমার ফোন ধরবে না।’ মাহি বলেন, তিনি সরাসরি ফোন ধরতেন না বলেই ডা. মুরাদ অন্য মানুষের ফোন ব্যবহার করে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন।

অডিওতে ডা. মুরাদ হাসান মাহিকে তুলে নেওয়ার জন্য র‍্যাব, পুলিশ, এনএসআই ও ডিজিএফআই পাঠানোর হুমকি দিয়েছিলেন।

মাহি প্রশ্ন তোলেন, যদি তাদের মধ্যে ভালো সম্পর্কই থাকত, তবে কেন তাকে এভাবে ভয় দেখানো হতো? মূলত ডা. মুরাদকে এড়িয়ে চলতেন বলেই তাকে দমাতে ক্ষমতার প্রভাব খাটানো হয়েছিল।

হুমকি পাওয়ার পর মাহি ইন্ডাস্ট্রির অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং সহকর্মীদের কাছে সাহায্য চেয়েছিলেন। অনেকেই বিষয়টি জানতেন। কিন্তু ডা. মুরাদ মন্ত্রী হওয়ায় সবাই \"আমরা কী করব?\" বলে এড়িয়ে যান।

এমনকি কিছু সহকর্মী রাতে ফোন করে মাহিকে সতর্ক করতেন যেন রাত ১১টার পর তিনি ফোন না ধরেন, কারণ ওই সময়ে ডা. মুরাদ তাদের সামনেই থাকতেন।

মাহি বলেন, তিনি যদি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পৌঁছাতে পারতেন, তবে অবশ্যই বিষয়টি তাকে জানাতেন এবং বিশ্বাস করেন যে তিনি এর বিচার করতেন।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাওয়ার কোনো সুযোগ না থাকায় বাধ্য হয়ে পরিস্থিতি তাকে একাই ঠান্ডা মাথায় ও ভদ্রভাবে সামলাতে হয়েছিল।

অডিওতে ডা. মুরাদের গালিগালাজের বিপরীতে মাহির হেসে কথা বলা নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে। এর জবাবে মাহি বলেন, \"আমি যদি তখন গালিগালাজ করতাম আর পরে আমার বড় কোনো ক্ষতি হয়ে যেত, সেই দায়িত্ব কে নিত?\"

সবশেষে মাহি দাবি করেন, ক্ষমতার অপব্যবহার করে ডা. মুরাদ শুধু তাকেই নয়, চলচ্চিত্র অঙ্গনের আরও অনেক নায়িকা, কণ্ঠশিল্পী এবং সংবাদ উপস্থাপিকাকে একইভাবে উত্যক্ত ও হেনস্তা করেছেন। ক্ষমতার ভয়ে তখন কেউ মুখ খুলতে পারেননি।

তিনি বলেন, ‘আমি শুনেছি আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই—নিউজ প্রেজেন্টার, সিঙ্গারসহ অসংখ্য নারী তার (ডা. মুরাদ হাসান) বুলিংয়ের শিকার হয়েছেন। তাই বিষয়টা অনেকেই বুঝবেন না।’