img

'এআই দিয়ে তৈরি ভিডিও বিশ্বাস করবেন না, আল্লাহর দোহাই লাগে'

প্রকাশিত :  ১৫:১৪, ২৯ জুলাই ২০২৫

'এআই দিয়ে তৈরি ভিডিও বিশ্বাস করবেন না, আল্লাহর দোহাই লাগে'

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) দিয়ে নানা ধরনের মনগড়া ছবি ও ভিডিও বানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের কারণে বিড়ম্বনায় পড়ছেন শোবিজ তারকারা। বিশেষ করে দেশের নারীশিল্পীদের ক্ষেত্রে এটি বেশি লক্ষ্য করা গেছে। বিগত বছরখানেক ধরে বিষয়টি মহামারি আকার ধারণ করেছে।

এবার এ এআই দিয়ে ছবি নির্মাণের বিষয়ে সরব হলেন মডেল ও অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। এক ফেসবুক স্ট্যাটাস অভিনেত্রী এআই দিয়ে তৈরি করা ছবি-ভিডিও সম্পর্কে ভক্তদের সচেতন করেছেন। সেইসঙ্গে যারা এসব কাজ করছেন তাদেরকেও সতর্ক করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) দুপুরে সাদিয়া ফেসবুকে লিখেছেন, ‘কিছু কিছু পেজ আছে, যারা সেলিব্রিটিদের এআই (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) দিয়ে এডিট করা ছবি বানায়। আমার মনে হয়, ওরা আমার ছবি বানিয়ে ছড়াতে আরও বেশি মজা পায়। হ্যাঁ, তারা সম্ভবত এটা থেকে আয় করে। এটাই তাদের রুটি-রুজি হতে পারে। কিন্তু এতে ওদের নিচু মানসিকতার আর সস্তা মনভাবটাই বেশি ফুটে ওঠে।’

আক্ষেপ করে অভিনেত্রী বলেন, ‘কিন্তু যেটা সবচেয়ে আশ্চর্যের, ২০২৫ সালেও মানুষ কীভাবে এখনো ‘এআই’ চিনতে পারে না বা বোঝে না! তারা ওই ভুয়া ছবি বা ভিডিওতে গিয়ে আসল ভেবে মন্তব্য করে!’

সাদিয়া আরও লিখেছেন, ‘আরে ভাই-বোনেরা, এখন তো সময় হয়েছে একটু সচেতন হওয়ার! এসব ‘এআই এডিটেড ছবি ও ভিডিও’-কে সত্যি ভেবে বিশ্বাস করবেন না, আল্লাহর দোহাই লাগে!’

সবশেষে অভিনেত্রীর অনুরোধ, ‘আমার দর্শক ও অনুসারীদের প্রতি ছোট্ট একটা অনুরোধ- যদি কখনো এমন কোনো ছবি বা ভিডিও চোখে পড়ে, তাহলে পোস্ট এবং পেইজটা রিপোর্ট করুন এবং সরাসরি ব্লক করে দিন। আমি অবশ্যই এই বিষয়টি সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞদের হাতে তুলে দেব। এরপর ওনারাই বিষয়টা সামলাবেন।’

img

সাবেক প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদকে নিয়ে মাহিয়া মাহির বিস্ফোরক অভিযোগ

প্রকাশিত :  ১৮:১৫, ১১ জুলাই ২০২৬

বহুল আলোচিত-সমালোচিত চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি ও সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের পুরোনো সেই অডিও ফাঁসের ঘটনাটি নিয়ে আবারও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পেজে একটি দীর্ঘ ভিডিওবার্তা প্রকাশ করে মাহি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বেশ কিছু বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন।

ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই ডা. মুরাদ হাসানের দ্বারা ভুক্তভোগী বলে অভিযোগ মাহির।

এ চিত্রনায়িকা জানান, ডা. মুরাদ হাসান তাকে প্রতিনিয়ত বিরক্ত করতেন বলে তিনি প্রতিমন্ত্রীর নম্বর ব্লক করে রেখেছিলেন। ভাইরাল হওয়া অডিওতে ডা. মুরাদ নিজেই বলেছিলেন, ‘ও তো আমার ফোন ধরবে না।’ মাহি বলেন, তিনি সরাসরি ফোন ধরতেন না বলেই ডা. মুরাদ অন্য মানুষের ফোন ব্যবহার করে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন।

অডিওতে ডা. মুরাদ হাসান মাহিকে তুলে নেওয়ার জন্য র‍্যাব, পুলিশ, এনএসআই ও ডিজিএফআই পাঠানোর হুমকি দিয়েছিলেন।

মাহি প্রশ্ন তোলেন, যদি তাদের মধ্যে ভালো সম্পর্কই থাকত, তবে কেন তাকে এভাবে ভয় দেখানো হতো? মূলত ডা. মুরাদকে এড়িয়ে চলতেন বলেই তাকে দমাতে ক্ষমতার প্রভাব খাটানো হয়েছিল।

হুমকি পাওয়ার পর মাহি ইন্ডাস্ট্রির অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং সহকর্মীদের কাছে সাহায্য চেয়েছিলেন। অনেকেই বিষয়টি জানতেন। কিন্তু ডা. মুরাদ মন্ত্রী হওয়ায় সবাই \"আমরা কী করব?\" বলে এড়িয়ে যান।

এমনকি কিছু সহকর্মী রাতে ফোন করে মাহিকে সতর্ক করতেন যেন রাত ১১টার পর তিনি ফোন না ধরেন, কারণ ওই সময়ে ডা. মুরাদ তাদের সামনেই থাকতেন।

মাহি বলেন, তিনি যদি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পৌঁছাতে পারতেন, তবে অবশ্যই বিষয়টি তাকে জানাতেন এবং বিশ্বাস করেন যে তিনি এর বিচার করতেন।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাওয়ার কোনো সুযোগ না থাকায় বাধ্য হয়ে পরিস্থিতি তাকে একাই ঠান্ডা মাথায় ও ভদ্রভাবে সামলাতে হয়েছিল।

অডিওতে ডা. মুরাদের গালিগালাজের বিপরীতে মাহির হেসে কথা বলা নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে। এর জবাবে মাহি বলেন, \"আমি যদি তখন গালিগালাজ করতাম আর পরে আমার বড় কোনো ক্ষতি হয়ে যেত, সেই দায়িত্ব কে নিত?\"

সবশেষে মাহি দাবি করেন, ক্ষমতার অপব্যবহার করে ডা. মুরাদ শুধু তাকেই নয়, চলচ্চিত্র অঙ্গনের আরও অনেক নায়িকা, কণ্ঠশিল্পী এবং সংবাদ উপস্থাপিকাকে একইভাবে উত্যক্ত ও হেনস্তা করেছেন। ক্ষমতার ভয়ে তখন কেউ মুখ খুলতে পারেননি।

তিনি বলেন, ‘আমি শুনেছি আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই—নিউজ প্রেজেন্টার, সিঙ্গারসহ অসংখ্য নারী তার (ডা. মুরাদ হাসান) বুলিংয়ের শিকার হয়েছেন। তাই বিষয়টা অনেকেই বুঝবেন না।’