img

যে প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে চান তাসনিম জারা

প্রকাশিত :  ০৯:৫৬, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

যে প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে চান তাসনিম জারা

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছেড়ে ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে চাওয়া তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণার পর তিনি সবাইকে ধন্যবাদ দিয়েছেন। 

শনিবার (১০ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত আপিল শুনানি শেষে তার মনোনয়ন ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত দেয় কমিশন।

তাসনিম জারা বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনে করা আপিল মঞ্জুর হয়েছে। আমার মনোনয়ন আবারও গ্রহণ করেছেন।’

মনোনয়ন বাতিলের পরের এক সপ্তাহকে ‘ভিন্নরকম অভিজ্ঞতা’ হিসেবে বর্ণনা করেন জারা বলেন, ‘দেশে-বিদেশে অনেকেই আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন। কেউ দোয়া করেছেন, কেউ আবার হতাশা প্রকাশ করেছেন। সবার প্রতি কৃতজ্ঞা।’

তাসনিম জারা বলেন, ‘জনসমর্থন নিয়েই নির্বাচনী মাঠে নামতে চাই। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এবার প্রতীকের জন্য আবেদন করব। আমার পছন্দের প্রতীক ফুটবল।’

এ সময় নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে (বেজমেন্ট-২) অনুষ্ঠিত শুনানিতে তার করা আপিল মঞ্জুর করা হয়। এ সময় নির্বাচন কমিশন তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে।

এর আগে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে বাতিল হওয়া মনোনয়নপত্র ফিরে পেতে সোমবার (৫ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেন ঢাকা-৯ সংসদীয় আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও এনসিপির সাবেক নেত্রী ডা. তাসনিম জারা।

গত ৩ জানুয়ারি ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তাসনিম জারার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা বাতিলের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানি শুরু হয়েছে শনিবার। আপিলের জন্য আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে অঞ্চলভিত্তিক ১০টি বুথ স্থাপন করা হয়েছে।

আপিল নম্বর অনুযায়ী, শুনানির সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০ জানুয়ারি ১-৭০, ১১ জানুয়ারি ৭১-১৪০, ১২ জানুয়ারি ১৪১-২১০, ১৩ জানুয়ারি ২১১-২৮০, ১৪ জানুয়ারি ২৮১-৩৫০, ১৫ জানুয়ারি ৩৫১-৪২০, ১৬ জানুয়ারি ৪২১-৪৯০, ১৭ জানুয়ারি ৪৯১-৫৬০ এবং ১৮ জানুয়ারি ৫৬১ নম্বর থেকে অবশিষ্ট সব আপিলের শুনানি হবে।

শুনানি শেষে আপিলের ফলাফল নির্বাচন ভবনের মনিটরে প্রদর্শন করা হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের ই-মেইলে রায়ের পিডিএফ কপি পাঠানো হবে। নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী নির্বাচন ভবনের অভ্যর্থনা ডেস্ক থেকেও রায়ের অনুলিপি সংগ্রহ করা যাবে। ১০-১২ জানুয়ারির শুনানির রায় ১২ জানুয়ারি, ১৩-১৫ জানুয়ারির রায় ১৫ জানুয়ারি এবং ১৬-১৮ জানুয়ারির রায় ১৮ জানুয়ারি বিতরণ করা হবে।


img

টেকসই শেয়ারবাজার গঠনে ডিএসই ও সুইসকন্ট্যাক্ট বাংলাদেশের চুক্তি

প্রকাশিত :  ১৪:০১, ১৭ মে ২০২৬

দেশের পুঁজিবাজার ব্যবস্থার মাধ্যমে টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক উন্নয়নকে গতিশীল করতে একজোটে কাজ করবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) পিএলসি এবং সুইসকন্ট্যাক্ট বাংলাদেশ। এই লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠান দুটির মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

আজ রোববার (১৭ মে) ডিএসই’র পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানে ডিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ার এবং সুইসকন্ট্যাক্ট বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর হেলাল হোসেনসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ডিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ার বলেন, পারস্পরিক সমন্বয় ও সুস্পষ্ট পরিকল্পনার ফলে উদ্যোগটি দ্রুত বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে, যা ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, পুঁজিবাজারে এসএমই-দের অংশগ্রহণ বাড়াতে সক্ষমতা উন্নয়ন, কর্পোরেট গভর্ন্যান্স ও কমপ্লায়েন্স বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে।

সুইসকন্ট্যাক্ট বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর হেলাল হোসেন বলেন, এসএমই কোম্পানিগুলো বাংলাদেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হলেও তারা অর্থায়ন, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ও কমপ্লায়েন্সসংক্রান্ত নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে এসএমই-দের জন্য বিকল্প অর্থায়ন ও ইকুইটি ভিত্তিক মূলধন সংগ্রহের সুযোগ সৃষ্টি অত্যন্ত জরুরি। ডিএসই’র সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব সম্ভাবনাময় প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুঁজিবাজারমুখী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ডিএসই’র বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় উভয় প্রতিষ্ঠান তৈরি পোশাক, স্বাস্থ্যসেবা এবং কৃষি খাতসহ বিভিন্ন কৌশলগত খাতে একসাথে কাজ করবে। পাশাপাশি পরিবেশ, সামাজিক ও সুশাসন, সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্টিং, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, জলবায়ু সহনশীলতা, বাণিজ্য সহায়তা এবং দক্ষতা উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয়ে যৌথভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

এ ছাড়াও প্রতিষ্ঠান দুটি যৌথভাবে সক্ষমতা উন্নয়ন কর্মসূচি, সচেতনতামূলক কর্মশালা, ইনকিউবেশন সহায়তা এবং পরামর্শমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবে, যাতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান শেয়ারবাজারে অধিকতর অংশগ্রহণে উত্সাহিত হয়।

একই সঙ্গে গ্রিন বন্ড, সাসটেইনেবিলিটি-লিংকড বন্ড, সুকুক এবং ব্লেন্ডেড-ফাইন্যান্স মডেলসহ বিভিন্ন টেকসই অর্থায়ন পণ্য উন্নয়নেও পারস্পরিক সহযোগিতা করা হবে।


অর্থনীতি এর আরও খবর