img

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ইস্যুতে আইসিসির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বুধবার

প্রকাশিত :  ০৫:২৬, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ইস্যুতে আইসিসির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বুধবার

২০২৬ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ এবং বিশেষ করে ভারত সফর করবে কি না—সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিবে আগামী ২১ জানুয়ারি। শনিবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত আলোচনায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) এ সময়সীমা বেধে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ইএসপিএন।

এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় দফা এ আলোচনায় বিসিবি তাদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে জানায়, তারা বিশ্বকাপে খেলতে চায়, তবে ভারতের বাইরে। সহ-আয়োজক হওয়ায় শ্রীলঙ্কাকে বিকল্প ভেন্যু হিসেবে দেখছে বিসিবি। ভারত সফর ও সেখানে খেলার ক্ষেত্রে নিরাপত্তা শঙ্কার কথা তুলে ধরলেও আইসিসি সূচি পরিবর্তনে অনড় অবস্থান নিয়েছে। সূচি অনুযায়ী, বাংলাদেশ ‘সি’ গ্রুপেই রয়েছে।

প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে এই অচলাবস্থা চলছে। গত ৪ জানুয়ারি বিসিবি প্রথমবারের মতো তাদের উদ্বেগের কথা জানায়। এর মধ্যে বিশ্বকাপ শুরু হতে আর তিন সপ্তাহও বাকি নেই। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধনী দিনে কলকাতায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাঠে নামার কথা বাংলাদেশের। একই ভেন্যুতে পরের দুই ম্যাচ খেলার পর গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটি মুম্বাইয়ে হওয়ার কথা রয়েছে।

শনিবারের আলোচনায় আইসিসি বিসিবির আরেকটি প্রস্তাবও গ্রহণ করেনি। বিসিবি চেয়েছিল বাংলাদেশকে ‘বি’ গ্রুপে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে, যেখানে শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ খেলবে আয়ারল্যান্ড। আইসিসির পক্ষ থেকে বিসিবিকে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের জন্য ভারতে কোনো নির্দিষ্ট নিরাপত্তা হুমকি নেই।

আইসিসি অংশগ্রহণকারী ২০ দলের কাছে যে নিরাপত্তা পরামর্শ পাঠিয়েছে, তা একটি স্বাধীন নিরাপত্তা সংস্থা তৈরি করেছে। সেখানে ভারতের সামগ্রিক ঝুঁকির মাত্রা ‘মাঝারি থেকে উচ্চ’ হিসেবে উল্লেখ করা হলেও কোনো দলের জন্য নির্দিষ্ট হুমকির কথা বলা হয়নি।

আইসিসি ও বিসিবির আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, আইসিসি এখন বিসিবির চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকবে। বিসিবি যদি দলকে ভারতে পাঠাতে অস্বীকৃতি জানায়, সে ক্ষেত্রে বর্তমান র‍্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে স্কটল্যান্ডকে বিকল্প দল হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনা রয়েছে।

এই টানাপোড়েনের সূত্রপাত হয়, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) নির্দেশে কলকাতা নাইট রাইডার্স আইপিএল ২০২৬ মৌসুমের দল থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার পর। সে সিদ্ধান্তের কোনো কারণ জানানো হয়নি। এরপর বাংলাদেশ সরকার দেশে আইপিএল সম্প্রচার নিষিদ্ধ করে এবং বিসিবি আইসিসিকে চিঠি দিয়ে জানায়, তারা ভারতে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলবে না। এরপর থেকে এই অবস্থানে অটল রয়েছে বিসিবি।

img

অস্ট্রেলিয়ার ‘আশ্রয়’ ত্যাগ করে ইরানে ফিরছেন আরও ৩ ফুটবলার

প্রকাশিত :  ০৭:১০, ১৫ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৭:১৮, ১৫ মার্চ ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ায় মানবিক ভিসা নিয়ে থেকে যাওয়া ইরানি নারী ফুটবল দলের আরও তিনজন সদস্য দেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আজ রোববার অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক এই তথ্য জানান। এতে প্রথমে সাতজন আশ্রয় নিলেও এখন মাত্র তিনজন অস্ট্রেলিয়ায় আছেন।

বার্ক বিবৃতিতে বলেন, ‘গভীর রাতে ইরানি নারী ফুটবল দলের তিনজন সদস্য বাকি দলের সঙ্গে ইরানে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ান কর্মকর্তাদের কাছে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানোর পর তাদের বারবার বিকল্প নিয়ে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।’

ইরানি দল গত ফেব্রুয়ারিতে নারী এশিয়ান কাপের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় এসেছিল। ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর আগেই তারা পৌঁছেছিলেন।

২৬ সদস্যের দল থেকে প্রথমে ছয়জন খেলোয়াড় ও একজন সাপোর্ট স্টাফ সদস্য মানবিক ভিসা নিয়ে থেকে যান। ৯ মার্চ বাকি দল সিডনি থেকে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে চলে যায়। এরপর একজন মত বদলে দেশে ফেরেন। শনিবার রাতে আরও তিনজন সিডনি থেকে কুয়ালালামপুরের পথে রওনা দেন। বাকি দলটি তখন থেকে কুয়ালালামপুরেই অপেক্ষা করছিল।

ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, সর্বশেষ ফেরা তিনজনের মধ্যে দুজন খেলোয়াড় ও একজন সাপোর্ট স্টাফ সদস্য। এই তিনজন ‘পরিবার ও মাতৃভূমির উষ্ণ আলিঙ্গনে ফিরছেন’ বলে সংবাদ সংস্থাটি বিবৃতিতে জানায়।

প্রথম ম্যাচের আগে জাতীয় সংগীত না গাওয়ায় খেলোয়াড়দের ইরানে ফিরলে বিপদের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ায় ইরানি প্রবাসী গোষ্ঠী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও তাদের সাহায্য করার জন্য অস্ট্রেলিয়া সরকারকে আহ্বান জানিয়েছিলেন।

তবে ইরানের তাসনিম সংবাদ সংস্থা খেলোয়াড়দের দলে ফেরাকে ‘আমেরিকান-অস্ট্রেলিয়ান প্রকল্পের লজ্জাজনক ব্যর্থতা এবং ট্রাম্পের আরেকটি পরাজয়’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।