ক্রিকেইনফোর প্রতিবেদন

img

ভারতে না গেলে বাংলাদেশের জায়গায় বিশ্বকাপ খেলবে স্কটল্যান্ড

প্রকাশিত :  ১১:৩৯, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

ভারতে না গেলে বাংলাদেশের জায়গায় বিশ্বকাপ খেলবে স্কটল্যান্ড

নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারতের ভেন্যুতে দল পাঠাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি), অন্যদিকে সূচি বা ভেন্যু পরিবর্তনে অনড় অবস্থান নেন আইসিসি। এই দুই পক্ষের দ্বন্দ্বের মধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে খবর, বাংলাদেশ যদি শেষ পর্যন্ত ভারতে খেলতে না যায়, তবে তাদের জায়গায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে প্রস্তুত স্কটল্যান্ড।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ এবং বিশেষ করে ভারত সফর করবে কি না—সে বিষয়ে আগামী ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে। এক প্রতিবেদনে এমনটা জানিয়েছে ইএসপিএন ক্রিকইনফো।

গত শনিবার ঢাকায় আইসিসি-বিসিবির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় দফার এই আলোচনায় বিসিবি তাদের সিদ্ধান্তে অনড় অবস্থানের কথা জানায়। বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না খেললে বিকল্প হিসেবে স্কটল্যান্ড খেলতে পারে।

ক্রিকইনফোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে চলা এই অচলাবস্থার বিষয়ে আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বিসিবির চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকবে আইসিসি। বাংলাদেশ যদি শেষ পর্যন্ত ভারত সফরে যেতে অস্বীকৃতি জানায়, তাহলে বর্তমান র‍্যাংকিং অনুযায়ী স্কটল্যান্ডকে বিকল্প দল হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।

শনিবারের বৈঠকে আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে বাংলাদেশের গ্রুপ পরিবর্তনের বিষয়টি আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়,  ‘অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি ন্যূনতম লজিস্টিক পরিবর্তনের মাধ্যমে বিষয়টি সহজতর করার উপায় হিসেবে বাংলাদেশকে অন্য গ্রুপে সরিয়ে নেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।’ 

তবে বাংলাদেশের সঙ্গে গ্রুপ পরিবর্তন করতে রাজি নয় আয়ারল্যান্ড। ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজকে আয়ারল্যান্ডের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, ‘আমরা সুনির্দিষ্ট আশ্বাস পেয়েছি যে মূল সূচি থেকে আমাদের কোনো পরিবর্তন হবে না। আমরা নিশ্চিতভাবেই শ্রীলঙ্কায় গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো খেলছি।’


img

অস্ট্রেলিয়ার ‘আশ্রয়’ ত্যাগ করে ইরানে ফিরছেন আরও ৩ ফুটবলার

প্রকাশিত :  ০৭:১০, ১৫ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৭:১৮, ১৫ মার্চ ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ায় মানবিক ভিসা নিয়ে থেকে যাওয়া ইরানি নারী ফুটবল দলের আরও তিনজন সদস্য দেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আজ রোববার অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক এই তথ্য জানান। এতে প্রথমে সাতজন আশ্রয় নিলেও এখন মাত্র তিনজন অস্ট্রেলিয়ায় আছেন।

বার্ক বিবৃতিতে বলেন, ‘গভীর রাতে ইরানি নারী ফুটবল দলের তিনজন সদস্য বাকি দলের সঙ্গে ইরানে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ান কর্মকর্তাদের কাছে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানোর পর তাদের বারবার বিকল্প নিয়ে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।’

ইরানি দল গত ফেব্রুয়ারিতে নারী এশিয়ান কাপের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় এসেছিল। ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর আগেই তারা পৌঁছেছিলেন।

২৬ সদস্যের দল থেকে প্রথমে ছয়জন খেলোয়াড় ও একজন সাপোর্ট স্টাফ সদস্য মানবিক ভিসা নিয়ে থেকে যান। ৯ মার্চ বাকি দল সিডনি থেকে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে চলে যায়। এরপর একজন মত বদলে দেশে ফেরেন। শনিবার রাতে আরও তিনজন সিডনি থেকে কুয়ালালামপুরের পথে রওনা দেন। বাকি দলটি তখন থেকে কুয়ালালামপুরেই অপেক্ষা করছিল।

ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, সর্বশেষ ফেরা তিনজনের মধ্যে দুজন খেলোয়াড় ও একজন সাপোর্ট স্টাফ সদস্য। এই তিনজন ‘পরিবার ও মাতৃভূমির উষ্ণ আলিঙ্গনে ফিরছেন’ বলে সংবাদ সংস্থাটি বিবৃতিতে জানায়।

প্রথম ম্যাচের আগে জাতীয় সংগীত না গাওয়ায় খেলোয়াড়দের ইরানে ফিরলে বিপদের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ায় ইরানি প্রবাসী গোষ্ঠী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও তাদের সাহায্য করার জন্য অস্ট্রেলিয়া সরকারকে আহ্বান জানিয়েছিলেন।

তবে ইরানের তাসনিম সংবাদ সংস্থা খেলোয়াড়দের দলে ফেরাকে ‘আমেরিকান-অস্ট্রেলিয়ান প্রকল্পের লজ্জাজনক ব্যর্থতা এবং ট্রাম্পের আরেকটি পরাজয়’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।