বাংলাদেশের স্থলাভিষিক্তকরণ

img

স্কটল্যান্ডের সাথে যোগাযোগই করেনি আইসিসি!

প্রকাশিত :  ০৬:০৫, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

স্কটল্যান্ডের সাথে যোগাযোগই করেনি আইসিসি!

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে তিন সপ্তাহেরও কম সময় বাকি থাকলেও অনিশ্চয়তা কাটেনি বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে। এই অবস্থায় বাংলাদেশ সরে দাঁড়ালে বিকল্প হিসেবে স্কটল্যান্ডকে নেওয়া হতে পারে—এমন আলোচনা জোরালো হলেও আইসিসি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রিকেট স্কটল্যান্ডের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেনি বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

ঘটনার সূত্রপাত বিশ্বকাপে ভারতের মুম্বাই ও কলকাতায় ম্যাচ খেলতে নিরাপত্তা–শঙ্কা দেখিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ভেন্যু পরিবর্তনের অনুরোধ জানানোর পর। তারা ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়া কিংবা আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে গ্রুপ অদলবদলের প্রস্তাব দেয়। তবে আইসিসি দুটো প্রস্তাবই কার্যত নাকচ করেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এর মধ্যেই জল্পনা তৈরি হয়—বাংলাদেশ যদি শেষ পর্যন্ত ভারতে যেতে অস্বীকৃতি জানায়, তাহলে বিশ্বকাপে তাদের জায়গায় সুযোগ পাবে স্কটল্যান্ড, যারা র‍্যাঙ্কিংয়ে বিশ্বকাপের বাইরে থাকা দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে। কিন্তু বিবিসির তথ্যানুযায়ী, আইসিসি এখনো স্কটল্যান্ডের সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করেনি; আর ক্রিকেট স্কটল্যান্ডও বিসিবির চলমান পরিস্থিতির প্রতি সম্মান দেখিয়ে নিজ থেকে যোগাযোগ করতে চায়নি।

স্কটল্যান্ড গত বছর ইউরোপীয় বাছাইপর্বে চতুর্থ হয়ে বিশ্বকাপের জায়গা অল্পের জন্য হারায়—নেদারল্যান্ডস ও ইতালি সরাসরি কোটা পায়। বর্তমানে স্কটিশ দল নামিবিয়া ও ওমানের বিপক্ষে ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রস্তুতিতে আছে।

স্কটল্যান্ডের সাথে যোগাযোগই করেনি আইসিসি! 

আইসিসি কীভাবে বিকল্প দল বাছবে—এ নিয়েও স্পষ্টতা নেই। ২০০৯ সালে জিম্বাবুয়ে রাজনৈতিক কারণে সরে গেলে ‘পরবর্তী সেরা দল’ হিসেবে স্কটল্যান্ডকে নেওয়া হয়েছিল। তবে ২০২৪ সাল থেকে বিশ্বকাপ ২০ দলের হওয়ায় আঞ্চলিক বাছাইপর্বের মাধ্যমে যোগ্যতা নির্ধারিত হচ্ছে।

ফলে বাংলাদেশের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে—স্কটল্যান্ড আদৌ ডাক পাবে কি না। বিশ্বকাপ শুরুর আগে এই ইস্যু এখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সবচেয়ে আলোচিত সংকটে পরিণত হয়েছে।


খুলনাকে হারিয়ে প্রথম জয়ের স্বাদ নিল সিলেট

img

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে সিরিজ জয় বাংলাদেশের

প্রকাশিত :  ০৬:২৪, ২০ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৭:০৪, ২০ মে ২০২৬

বাংলাদেশ দল মিরপুর টেস্ট জেতার পর সিলেটও দাপুটে পারফরম্যান্স ধরে রাখল। দুই ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে পাকিস্তানকে ৭৮ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে হোয়াইটওয়াশ করল টাইগাররা। তাতেই হয়েছে ইতিহাস। ঘরের মাটিতে টেস্ট ক্রিকেটে এবারই প্রথমবার পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ।

সিলেট টেস্টের পঞ্চম দিনের প্রথম সেশনে ব্যাট করছে নেমেছে পাকিস্তান। অষ্টম উইকেটে পঞ্চাশের বেশি রানের জুটি গড়েন রিজওয়ান ও সাজিদ। তখনই জয়ের স্বপ্নও দেখছিল সফরকারীরা। এবার সেই জুটি ভাঙলেন টাইগার স্পিনার তাইজুল ইসলাম।

৪৩৭ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে চতুর্থ দিন শেষে ৭ উইকেটে ৩১৭ রান করেছিল পাকিস্তান। শেষ দিনে জয়ের জন্য বাংলাদেশের দরকার ছিল মাত্র তিন উইকেট। অন্যদিকে জয়ের জন্য পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ১২০ রান।

পঞ্চম দিনের শুরুতে ব্যাট করতে নামেন আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটার মোহাম্মিদ রিজওয়ান ও সাজিদ খান। দিনের শুরুতেই এই জুটি ভাঙার সুযোগ এসেছিল। নাহিদ রানার করা বলে স্লিপে ক্যাচও তুলে দিয়েছিলেন রিজওয়ান। কিন্তু হাতের ক্যাচ মিস করেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

এই সুযোগ মিস করার পর বাংলাদেশিদের ভোগাতে থাকেন রিজওয়ান ও সাজিদ খান। এই দুই ব্যাটারের কল্যাণে জয়ের স্বপ্নও দেখতে থাকে পাকিস্তানিরা। কিন্তু সেই জুটি ভাঙেন তাইজুল ইসলাম। সাজিদ খানকে আউট করার মাধ্যমে নিজের ফাইফার পূর্ণ করেন এই বাঁহাতি স্পিনার। আউট হওয়ার আগে ৩৬ বলে ২৮ রান করেন সাজিদ।