img

নেপালের জমসমে কী করছেন সুনেরাহ

প্রকাশিত :  ১১:৪২, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

নেপালের জমসমে কী করছেন সুনেরাহ

নেপালের মুস্তাং জেলার অন্তর্গত জমসম সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২ হাজার ৭৬০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত এক স্বপ্নের শহর। বিখ্যাত কালী গান্ধাকী নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই শহরকে বলা হয় নেপালের সর্বোচ্চ তুষারপাতপ্রবণ দুর্গম এলাকা। তুষারে মোড়া পাহাড়, নীল আকাশ আর নিস্তব্ধ প্রকৃতির অপূর্ব মেলবন্ধন সেখানে। তাই জমসম বহুদিন ধরেই বলিউড নির্মাতাদের প্রিয় শুটিং লোকেশন। বিখ্যাত অনেক বলিউড সিনেমার শুটিং হয়েছে এখানে।

ছবির মতো সুন্দর কিন্তু প্রাকৃতিক বিচারে কঠিন এই জমসমেই দেখা যাচ্ছে ঢাকাই শোবিজের জনপ্রিয় মুখ—সুনেরাহ বিনতে কামালকে। সঙ্গে আছেন আরেক মডেল ফররুখ আহমেদ রেহান। তাও আবার রোম্যান্টিক আবহে! হাতে আসা কিছু স্থিরচিত্রে এটুকু স্পষ্ট, দারুণ সময় কাটছে তাদের। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেলো, ব্যক্তিগত নয়; শুটিং সফরে আছেন তারা। যেখানে মাইনাস ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার মধ্যে শুটিং করলেন ‘ও জান’ শিরোনামের মিউজিক্যাল ফিল্মের।

আসিফ ইকবালের কথায় গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছে কোনাল ও নিলয়। যৌথভাবে সুর করেছেন ঢাকার আভ্রাল সাহির ও কলকাতার লিংকন। সংগীতায়োজন করেছেন আভ্রাল সাহির। মিউজিক্যাল ফিল্মটিতে প্রথমবার জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন সুনেরাহ ও রেহান। নির্মাণে তানিম রহমান অংশু।

নেপাল থেকে শুটিং শেষে দেশে ফিরে অভিজ্ঞতার কথা জানালেন সুনেরাহ বিনতে কামাল। তিনি বলেন, ‘হিমালয়কন্যা নেপাল এমনিতেই অসাধারণ সুন্দর। তার মধ্যে জমসম শহরটি যেন আরও অদ্ভুত এক সৌন্দর্যের নাম। প্রতিটি দৃশ্য মনে হয় কোনও শিল্পীর হাতে আঁকা। তবে এই সৌন্দর্যের মাঝেই ছিল কঠিন বাস্তবতা। মাইনাস ৮ ডিগ্রিতে শুটিং মোটেও সহজ নয়। তবুও এমন জায়গায় কাজ করার অভিজ্ঞতা আজীবনের স্মৃতি হয়ে থাকবে। আমার বিশ্বাস, গানটি দেখলে দর্শক শুধু গান নয়, জায়গাটির প্রেমেও পড়ে যাবেন। মনে হবে কোনো বলিউড সিনেমার বিশাল ক্যানভাসের গান দেখছি।’


img

সাবেক প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদকে নিয়ে মাহিয়া মাহির বিস্ফোরক অভিযোগ

প্রকাশিত :  ১৮:১৫, ১১ জুলাই ২০২৬

বহুল আলোচিত-সমালোচিত চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি ও সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের পুরোনো সেই অডিও ফাঁসের ঘটনাটি নিয়ে আবারও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পেজে একটি দীর্ঘ ভিডিওবার্তা প্রকাশ করে মাহি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বেশ কিছু বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন।

ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই ডা. মুরাদ হাসানের দ্বারা ভুক্তভোগী বলে অভিযোগ মাহির।

এ চিত্রনায়িকা জানান, ডা. মুরাদ হাসান তাকে প্রতিনিয়ত বিরক্ত করতেন বলে তিনি প্রতিমন্ত্রীর নম্বর ব্লক করে রেখেছিলেন। ভাইরাল হওয়া অডিওতে ডা. মুরাদ নিজেই বলেছিলেন, ‘ও তো আমার ফোন ধরবে না।’ মাহি বলেন, তিনি সরাসরি ফোন ধরতেন না বলেই ডা. মুরাদ অন্য মানুষের ফোন ব্যবহার করে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন।

অডিওতে ডা. মুরাদ হাসান মাহিকে তুলে নেওয়ার জন্য র‍্যাব, পুলিশ, এনএসআই ও ডিজিএফআই পাঠানোর হুমকি দিয়েছিলেন।

মাহি প্রশ্ন তোলেন, যদি তাদের মধ্যে ভালো সম্পর্কই থাকত, তবে কেন তাকে এভাবে ভয় দেখানো হতো? মূলত ডা. মুরাদকে এড়িয়ে চলতেন বলেই তাকে দমাতে ক্ষমতার প্রভাব খাটানো হয়েছিল।

হুমকি পাওয়ার পর মাহি ইন্ডাস্ট্রির অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং সহকর্মীদের কাছে সাহায্য চেয়েছিলেন। অনেকেই বিষয়টি জানতেন। কিন্তু ডা. মুরাদ মন্ত্রী হওয়ায় সবাই \"আমরা কী করব?\" বলে এড়িয়ে যান।

এমনকি কিছু সহকর্মী রাতে ফোন করে মাহিকে সতর্ক করতেন যেন রাত ১১টার পর তিনি ফোন না ধরেন, কারণ ওই সময়ে ডা. মুরাদ তাদের সামনেই থাকতেন।

মাহি বলেন, তিনি যদি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পৌঁছাতে পারতেন, তবে অবশ্যই বিষয়টি তাকে জানাতেন এবং বিশ্বাস করেন যে তিনি এর বিচার করতেন।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাওয়ার কোনো সুযোগ না থাকায় বাধ্য হয়ে পরিস্থিতি তাকে একাই ঠান্ডা মাথায় ও ভদ্রভাবে সামলাতে হয়েছিল।

অডিওতে ডা. মুরাদের গালিগালাজের বিপরীতে মাহির হেসে কথা বলা নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে। এর জবাবে মাহি বলেন, \"আমি যদি তখন গালিগালাজ করতাম আর পরে আমার বড় কোনো ক্ষতি হয়ে যেত, সেই দায়িত্ব কে নিত?\"

সবশেষে মাহি দাবি করেন, ক্ষমতার অপব্যবহার করে ডা. মুরাদ শুধু তাকেই নয়, চলচ্চিত্র অঙ্গনের আরও অনেক নায়িকা, কণ্ঠশিল্পী এবং সংবাদ উপস্থাপিকাকে একইভাবে উত্যক্ত ও হেনস্তা করেছেন। ক্ষমতার ভয়ে তখন কেউ মুখ খুলতে পারেননি।

তিনি বলেন, ‘আমি শুনেছি আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই—নিউজ প্রেজেন্টার, সিঙ্গারসহ অসংখ্য নারী তার (ডা. মুরাদ হাসান) বুলিংয়ের শিকার হয়েছেন। তাই বিষয়টা অনেকেই বুঝবেন না।’