img

ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্ত সরকারের

প্রকাশিত :  ১১:৫৫, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৫:৩৫, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্ত সরকারের

ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ।

আজবৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বিশ্বকাপের স্কোয়াডে থাকা ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকের পর এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন 

নিরাপত্তা শঙ্কায় ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ভারত থেকে শ্রীলঙ্কা ভেন্যু সিরিয়ে নিতে আইসিসিকে অনুরোধ করেছিল তারা। তবে আইসিসি সাফ জানিয়ে দেয়, বিশ্বকাপে খেলতে হলে ভারতেই খেলতে হবে।

তবে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেয় বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তবে নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকার সিদ্ধান্ত নিলো বাংলাদেশ।
ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠক শেষে ক্রীড়া উপদেষ্টা গণমাধ্যমকে বলেছেন, ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়া সরকারের সিদ্ধান্ত। সেখানে ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা শঙ্কা রয়েছে। যেটা ক্রিকেটারদের অজানার কথা নয়। বৈঠকে ক্রিকেটারদের জানানো হয়েছে, ঠিক কী কী কারণে বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, স্বভাবত, আমরা সবাই চেয়েছি আমরা যেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে পারি। কিন্তু আমাদের যে নিরাপত্তা ঝুঁকি ভারতে খেলার ক্ষেত্রে সেই নিরাপত্তা ঝুঁকির কোনো পরিবর্তন ঘটেনি। আমাদের নিরাপত্তা ঝুঁকির যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, এটা কোনো বায়বীয় বিশ্লেষণ বা ধারণা থেকে হয়নি। এটা একটা সত্যিকারের ঘটনা থেকে হয়েছে।
আইসিসি বাংলাদেশের প্রতি সুবিচার করেনি বলে উল্লেখ করেছেন ক্রীড়া উপদেষ্টা। তবে তিনি আশা করেন আইসিসি সুবিচার করবে এবং বাংলাদেশকে শ্রীলঙ্কায় বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ দেবে।

img

অস্ট্রেলিয়ার ‘আশ্রয়’ ত্যাগ করে ইরানে ফিরছেন আরও ৩ ফুটবলার

প্রকাশিত :  ০৭:১০, ১৫ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৭:১৮, ১৫ মার্চ ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ায় মানবিক ভিসা নিয়ে থেকে যাওয়া ইরানি নারী ফুটবল দলের আরও তিনজন সদস্য দেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আজ রোববার অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক এই তথ্য জানান। এতে প্রথমে সাতজন আশ্রয় নিলেও এখন মাত্র তিনজন অস্ট্রেলিয়ায় আছেন।

বার্ক বিবৃতিতে বলেন, ‘গভীর রাতে ইরানি নারী ফুটবল দলের তিনজন সদস্য বাকি দলের সঙ্গে ইরানে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ান কর্মকর্তাদের কাছে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানোর পর তাদের বারবার বিকল্প নিয়ে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।’

ইরানি দল গত ফেব্রুয়ারিতে নারী এশিয়ান কাপের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় এসেছিল। ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর আগেই তারা পৌঁছেছিলেন।

২৬ সদস্যের দল থেকে প্রথমে ছয়জন খেলোয়াড় ও একজন সাপোর্ট স্টাফ সদস্য মানবিক ভিসা নিয়ে থেকে যান। ৯ মার্চ বাকি দল সিডনি থেকে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে চলে যায়। এরপর একজন মত বদলে দেশে ফেরেন। শনিবার রাতে আরও তিনজন সিডনি থেকে কুয়ালালামপুরের পথে রওনা দেন। বাকি দলটি তখন থেকে কুয়ালালামপুরেই অপেক্ষা করছিল।

ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, সর্বশেষ ফেরা তিনজনের মধ্যে দুজন খেলোয়াড় ও একজন সাপোর্ট স্টাফ সদস্য। এই তিনজন ‘পরিবার ও মাতৃভূমির উষ্ণ আলিঙ্গনে ফিরছেন’ বলে সংবাদ সংস্থাটি বিবৃতিতে জানায়।

প্রথম ম্যাচের আগে জাতীয় সংগীত না গাওয়ায় খেলোয়াড়দের ইরানে ফিরলে বিপদের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ায় ইরানি প্রবাসী গোষ্ঠী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও তাদের সাহায্য করার জন্য অস্ট্রেলিয়া সরকারকে আহ্বান জানিয়েছিলেন।

তবে ইরানের তাসনিম সংবাদ সংস্থা খেলোয়াড়দের দলে ফেরাকে ‘আমেরিকান-অস্ট্রেলিয়ান প্রকল্পের লজ্জাজনক ব্যর্থতা এবং ট্রাম্পের আরেকটি পরাজয়’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।