img

সিলেটের ৬টি আসনে কে কত ভোট পেলেন

প্রকাশিত :  ০৫:৩৯, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৭:২৪, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 সিলেটের ৬টি আসনে কে কত ভোট পেলেন

বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে সিলেট জেলার ৬টি আসনের । এতে ৫ টিতেই জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থী। আর একটিতে জিতেছেন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিস নেতা মুফতি আবুল হাসান।

আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ২ টার দিকে সিলেটের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম নিজ কার্যালয়ে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, সিলেট-১ আসনে বিজয়ী প্রার্থী বিএনপির খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর পেয়েছেন ১লাখ ৭৬ হাজার ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি জামায়াত ইসলামের মাওলানা হাবীবুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৪৯ ভোট। এছাড়া গণ অধিকার পরিষদের আকমল হোসেন ৩১৪ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা মাহমুদুল হাসান ২ হাজার ৭০১ ভোট, বাসদের প্রণব জ্যোতি পাল ১ হাজার ১১৩ ভোট, সিপিবির আনোয়ার হোসেন সুমন ৯০৮ ভোট, ও বাসদ (মার্কসবাদী) সঞ্জয় কান্তি দাস পেয়েছেন ৮০১ ভোট।

সিলেট-২ আসনে বিজয়ী বিএনপির তাহসীনা রুশদির লুনা পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৫৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি খেলাফত মজলিসের মুনতাসির আলী পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৬৩৫ ভোট।

সিলেট-৩ আসনে বিজয়ী বিএনপির এমএ মালিক পেয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ৪৫০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুসলেহ উদ্দিন রাজু পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৬৭৪ ভোট।

সিলেট-৪ আসনে বিজয়ী বিএনপির আরিফুল হক চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ৮৬ হাজার ৮৪৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি জামায়াত ইসলামের জয়নাল আবেদিন পেয়েছেন ৭১ হাজার ৩৯১ ভোট।

সিলেট-৫ আসনে বিজয়ী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিস নেতা মুফতি আবুল হাসান পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৩৫৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপি জোটের প্রার্থী জমিয়তে ইসলামের উবায়দুল্লাহ ফারুক পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৭৭৪ ভোট। এ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী মামুনুর রশিদ চাকসু মামুন ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৬১৪ ভোট।

সিলেট-৬ আসনে বিজয়ী বিএনপির এমরান আহমদ চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ১০৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি জামায়াতের মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন ১ লাখ ১ হাজার ৫৫৯ ভোট।

সিলেটের খবর এর আরও খবর

img

বানিয়াচং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ছাদ থেকে খসে পড়ছে পলেস্তারা, আতঙ্কে চিকিৎসক-রোগীরা

প্রকাশিত :  ১২:৪৯, ১১ জুন ২০২৬

হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পুরাতন ভবনের বহির্বিভাগসহ বিভিন্ন কক্ষের ছাদ থেকে পলেস্তারা খসে পড়ছে। ভবনের একাধিক স্থানে ফাটল দেখা দেওয়ায় আতঙ্কের মধ্যে দায়িত্ব পালন করছেন চিকিৎসকরা, আর সেবা নিতে আসা রোগীরাও রয়েছেন উদ্বেগে।

সরেজমিনে বুুধবার গিয়ে দেখা যায়, বহির্বিভাগের কক্ষ করিডোর এবং অন্যান্য রুমের ছাদের পলেস্তার বিভিন্ন স্থানে ঝরে পড়ে আছে। কোথাও কোথাও ছাদের অংশে বড় ধরনের ফাটল সৃষ্টি হয়েছে যা যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি করছে। এছাড়া বারান্দার কয়েকটি স্থানে জমে থাকা শেওলা ভবনের দীর্ঘদিনের অবহেলা ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবের চিত্র তুলে ধরছে।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, প্রতিনিয়ত ছাদ থেকে পলেস্তার খসে পড়ায় তারা আতঙ্ক নিয়ে সেবা নিচ্ছেন। যে কোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে এমন শঙ্কা তাদের মধ্যে বিরাজ করছে। অনেকেই দ্রুত সংস্কার কাজের দাবি জানিয়েছেন।

ডাক্তার দেখাতে আসা রোগী কমির উদ্দিন বলেন, চিকিৎসা নিতে এসে যদি নিজের নিরাপত্তা নিয়েই চিন্তা করতে হয়, তাহলে বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। ভবনটি দ্রুত মেরামত প্রয়োজন।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান সহকারী কাম হিসাব রক্ষক গোবিন্দ লাল দাস জানান, রুমের দরজা খোলা মাত্রই বারান্দার ছাদের পলেস্তার আমার মাথার উপর পরার উপক্রম হয়েছিল, সামান্যর জন্য বড় ধরণের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছি।

এ বিষয়ে বানিয়াচং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা: শামীমা আক্তার বলেন, “ভবনের কিছু অংশে পলেস্তার খসে পড়া ও ফাটল দেখা দিয়েছে। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। দ্রুত সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়রা মনে করছেন, স্বাস্থ্যসেবার মতো গুরুত্বপুর্ণ প্রতিষ্ঠানে এমন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা অবিলম্বে নিরসন করা জরুরি। অন্যথায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

সিলেটের খবর এর আরও খবর