img

১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষি ঋণ মওকুফের প্রস্তাব অনুমোদন

প্রকাশিত :  ১০:৩৯, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৩:২৬, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষি ঋণ মওকুফের প্রস্তাব অনুমোদন

১২ লাখ কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ সুদসহ মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। সকালে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সভাপতিত্ব করেন।

এটি নতুন সরকারের আনুষ্ঠানিক প্রথম মন্ত্রিপরিষদ বৈঠক।

নাসিমুল গনি বলেন, ‘সরকার তার নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এর মূল লক্ষ্য হলো দরিদ্র কৃষকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কৃষি খাতের মেরুদণ্ডকে শক্তিশালী করা।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, সরকারি বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংক এবং বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সুদসহ কৃষকদের কাছে পাওনা রয়েছে প্রায় এক হাজার ৫৫০ কোটি টাকা, যা এ মওকুফের আওতাভুক্ত হবে।

অর্থনীতি এর আরও খবর

img

হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি ইরানের নিয়ন্ত্রণে, টোল দিতে হবে রিয়ালে: তেহরান

প্রকাশিত :  ১২:১৯, ১২ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১২:৩৭, ১২ এপ্রিল ২০২৬

পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের শান্তি আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে। আলোচনার অন্যতম প্রধান বাধা ছিল কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি। এ জলপথ দিয়ে বিশ্বের মোট ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের প্রায় ২০ শতাংশ ও এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) পরিবহন করা হয়।

ইরানের সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজ বলেছে, দেশটির পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার হাজি বাবেয়ি হরমুজ প্রণালিকে তেহরানের জন্য একটি ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত সীমা হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, প্রণালিটি পুরোপুরি ইরানের নিয়ন্ত্রণে আছে এবং এখান দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য অবশ্যই ইরানি মুদ্রা ‘রিয়ালে’ টোল পরিশোধ করতে হবে।

অন্যদিকে, গতকাল শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, এ জলপথ ‘শিগগিরই খুলে দেওয়া’ হবে। 

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তাদের দুটি সামরিক জাহাজ ইতিমধ্যে প্রণালিটি অতিক্রম করেছে। সমুদ্র থেকে মাইন অপসারণের একটি ব্যাপক অভিযানের অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে তারা দাবি করে।

তবে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) যুক্তরাষ্ট্রের এ দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যেকোনো সামরিক জাহাজ চলাচলের চেষ্টা করা হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আইআরআইবির বরাতে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, বিপ্লবী গার্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সাধারণ বেসামরিক জাহাজগুলোকে সুনির্দিষ্ট শর্তে এখান দিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হতে পারে।

সূত্র: বিবিসি