img

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির পর তেলের দাম কমলো প্রায় ১৪ শতাংশ

প্রকাশিত :  ০৫:৩৩, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৫:৩৬, ০৮ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির পর তেলের দাম কমলো প্রায় ১৪ শতাংশ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধবিরতি এবং শর্তসাপেক্ষে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আশ্বাসের পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম কমতে শুরু করেছে। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে তেলের দাম প্রায় ১৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাতে ১৫ দিনের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। সেই সঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি এক এক্সবার্তায় জানান, যুদ্ধবিরতির এই ১৫ দিন হরমুজ প্রণালি সব দেশের জাহাজের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। তবে হরমুজ পেরোনোর আগে অবশ্যই ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর অনুমোদন নিতে হবে।

এই দুই ঘোষণা পর পর পরই কমতে শুরু করে তেলের দাম। বাজার সংস্থাগুলোর বরাত দিয়ে আজ বুধবার এক প্রতিবেদনে রয়টার্স জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি এবং হরমুজে অবরোধ শিথিলের খবরের পর থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুড বিক্রি হচ্ছে ৯৪ দশমিক ৪৩ ডলারে, যা আগের তুলনায় ১৩ দশমিক ০৬ শতাংশ কম। প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুডে দাম কমেছে ১৪ দশমিক ৮৪ ডলার।

আর অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের অপর বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই)- এর দাম কমেছে ১৬ দশমিক ১৩ ডলার। শতকরা হিসেবে প্রতি ব্যারেল ডব্লিউটিআইয়ের দাম কমেছে ১৪ দশমিক ৩৭ শতাংশ।

জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজার বিশ্লেষকরা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের এই অবস্থাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তেলের বৈশ্বিক বাজার বিশ্লেষক টনি সাইক্যামোর রয়টার্সকে বলেছেন, “যুদ্ধবিরতি এবং হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ অবসানের ঘটনা বাজারের জন্য খুবই ইতিবাচক। উত্তেজনা নিরসনের এই প্রাথমিক পর্যায়টি খুবই চমৎকার। তবে আমাদের মনে রাখতে হবে যে বাজার এখনও স্থিতিশীল হয়নি। বৈশ্বিক তেলের বাজারকে স্থিতিশীল করতে আরও অনেক কাজ এখনও বাকি আছে।”

সূত্র : রয়টার্স


অর্থনীতি এর আরও খবর

img

রুশ জ্বালানি আমদানিতে বাংলাদেশকে আরও ৬০ দিনের ছাড় দিলো যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত :  ১০:৪৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১১:০৬, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে আরও ৬০ দিনের জন্য নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সুযোগ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে রুশ জ্বালানি পণ্য আমদানির ওপর বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা সাময়িকভাবে শিথিল থাকবে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ১১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া এই ছাড়ের মেয়াদ আগামী ৯ জুন পর্যন্ত বহাল থাকবে।

এর আগে ১১ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

গত ১২ মার্চ মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য সংক্রান্ত লেনদেনে ৩০ দিনের একটি ছাড় দিয়েছিল, যার মেয়াদ ১১ এপ্রিল শেষ হয়।

নতুন এই ৬০ দিনের ছাড়ের ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার মধ্যে বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতিতে সাময়িক স্বস্তি আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।