img

সংসদ সদস্যদের খেলাপি ঋণ ৩ হাজার ৩৩০ কোটি : অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত :  ১১:২৮, ০৬ এপ্রিল ২০২৬

সংসদ সদস্যদের খেলাপি ঋণ ৩ হাজার ৩৩০ কোটি : অর্থমন্ত্রী

বর্তমান সংসদ সদস্য (এমপি) ও তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ১১৭ কোটি ৩১ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৩ হাজার ৩৩০ কোটি ৮ লাখ টাকা খেলাপি ঋণ হিসেবে রয়েছে।

আজ সোমবার (৬ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের নবম দিনে প্রশ্নোত্তর পর্বে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই তথ্য জানান। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কাইসার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশনটি পরিচালিত হয়।

কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাতের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, বর্তমানে সংসদ সদস্য এবং তাদের মালিকানাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে দেশের ব্যাংক ও ফাইন্যান্স কম্পানিগুলো থেকে নেওয়া মোট ঋণের স্থিতি ১১ হাজার ১১৭ কোটি ৩১ লাখ টাকা।

ঋণের একটি বড় অংশই বর্তমানে খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত। অর্থমন্ত্রী সংসদকে জানান, উল্লিখিত ঋণের মধ্যে ৩ হাজার ৩৩০ কোটি ৮ লাখ টাকা খেলাপি। তবে তিনি বিশেষ দ্রষ্টব্য হিসেবে উল্লেখ করেন যে, আদালতের নির্দেশনা বা স্থগিতাদেশের কারণে এই খেলাপি ঋণের একটি অংশ নিয়মিত ঋণ হিসেবে দেখানো হতে পারে, যা আইনি মারপ্যাঁচে খেলাপি তালিকার বাইরে ছিল।

অর্থনীতি এর আরও খবর

img

হরমুজ প্রণালি খোলার ঘোষণায় কমল তেলের দাম

প্রকাশিত :  ১৭:২৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

দীর্ঘ কয়েক সপ্তাহের তীব্র উত্তেজনা ও অনিশ্চয়তার পর ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারে বড় ধরনের পতন দেখা গেছে।

\r\n

ইরানের পক্ষ থেকে এই সমুদ্রপথ উন্মুক্ত করার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক ধাক্কায় প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে এই রুটটি কার্যত বন্ধ ছিল, যা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটায়। ফলে তেলের দাম অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছিল। তবে এখন এই গুরুত্বপূর্ণ রুটটি পুনরায় চালু হওয়ায় জ্বালানি সরবরাহ দ্রুত স্বাভাবিক হবে—এমন জোরালো প্রত্যাশায় বিনিয়োগকারীরা তেলের মজুত ছাড়তে শুরু করেছেন।

আন্তর্জাতিক তেলের বাজারের মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ব্যারেল প্রতি ৯০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালিটি দিয়ে প্রতিদিন কোটি কোটি ব্যারেল তেল পরিবহন করা হয়। এটি খুলে যাওয়া মানেই বিশ্ববাজারে জ্বালানির সংকট কেটে যাওয়া। 

এই স্বস্তিদায়ক খবর আসার পরপরই তেলের দামের গ্রাফ দ্রুত নিচের দিকে নামতে শুরু করে, যা বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।