img

স্বর্ণের দাম আরেক দফা কমল দেশের বাজারে

প্রকাশিত :  ০৫:১২, ০৯ মার্চ ২০২৬

স্বর্ণের দাম আরেক দফা কমল দেশের বাজারে

দেশের বাজারে আরেক দফা স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

আজ সোমবার সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫২ হাজার ৮৭৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৬ হাজার ৭৭৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯৪৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে, সবশেষ গত ৪ মার্চ সকালে দেশের বাজারে বড় ব্যবধানে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ৯ হাজার ২১৪ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬৮ হাজার ২১৪ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৬ হাজার ২৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৯ হাজার ৪৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৯ হাজার ১৫৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০ টা থেকেই।

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৩৮ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ২৪ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ১৪ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।


অর্থনীতি এর আরও খবর

img

ইসলামী ব্যাংককে আরো ২৫০০ কোটি টাকা বিশেষ ধার দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

প্রকাশিত :  ১০:০২, ১৫ জুন ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংক তারল্যসংকট কমাতে বেসরকারি খাতের ইসলামী ব্যাংককে আরো ২৫০০ কোটি টাকা বিশেষ ধার দিয়েছে। আজ সোমবার (১৫ জুন) ইসলামী ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে রবিবার ইসলামী ব্যাংককে আড়াই হাজার কোটি টাকা তারল্য সহায়তা দেওয়ার কথা জানায় বাংলাদেশ ব্যাংক। ১০ হাজার কোটি টাকা চাওয়ার বিপরীতে প্রাথমিকভাবে এই অঙ্কের অর্থ দেওয়া হয়েছে ব্যাংকটিকে। চলতি মাসে প্রথম ১০ দিনে আমানতকারীদের নগদ টাকা উত্তোলনের চাপ সামাল দিতেই মূলত এই বিশেষ ধার দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত শুক্রবার ইসলামী ব্যাংকের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে জানিয়ে গভর্নর প্রয়োজনে নগদ সহায়তার বিষয়ে নিশ্চিত করেন।

একই সঙ্গে প্রয়োজনে পরবর্তী সময়ে আরো সহায়তার বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে বলে জানায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দায়িত্বশীল সূত্র।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, ইসলামী ব্যাংক থেকে ১ থেকে ৯ জুন পর্যন্ত ৯ দিনে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা আমানত তুলে নিয়েছেন গ্রাহকরা। এ ছাড়া ব্যাংকের আমানতকারীদের অর্থ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ রয়েছে।

ব্যাংকটির অভ্যন্তরীণ হিসাব অনুযায়ী, ১ জুন থেকে ৭ জুন পর্যন্ত আমানত কমেছে ৪ হাজার ২০৪ কোটি টাকা।

পরবর্তী দুই দিনে আরো প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা তুলে নেওয়া হয়। এতে কয়েকটি শাখা ও এটিএম বুথে নগদ অর্থের চাপ তৈরি হয়।

এরপর বিকেলে ইসলামী ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান। এ ছাড়া ইসলামী ব্যাংকের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব), দুইজন অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং ছয়জন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক উপস্থিত ছিলেন।

পরে রাতে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ পরিচালনা পর্ষদের সব নিয়োগ বাতিল করে বোর্ডের সার্বিক দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক জহির হোসেনকে নিযুক্ত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।