img

ব্রঙ্কসে নাচে গানে এবিএম মাল্টি মিডিয়ার ঈদ পুনর্মিলনী সম্পনান

প্রকাশিত :  ১৪:১২, ৩১ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৪:১৮, ৩১ মার্চ ২০২৬

ব্রঙ্কসে নাচে গানে এবিএম মাল্টি মিডিয়ার ঈদ পুনর্মিলনী সম্পনান

নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান করেছে এবিএম মাল্টি মিডিয়া। অনুষ্ঠানের আয়োজনে ছিল ঈদ ম্যাগাজিন আনন্দ মেলা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। গত ২৮শে মার্চ শনিবার ব্রঙ্কসের স্ট্রালিন বাংলাবাজারে আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের।

সংগঠনের নির্বাহী জামাল আহমেদ মাসুদের সভাপতিত্বে ও রেজা আব্দুল্লাহ এর সঞ্চালনায় শুরুতেই লাল ফিতা কেটে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ খালেক ও বিশিষ্ট লিয়েলস্টিট ব্যবসায়ী সালেহ উদ্দিন সালে। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন আব্দুল মুহিত, জহিরুল ইসলাম, সাদিকুর রহমান, গোলাম রব্বানী, আজাদ খান, কলি চৌধুরী, সালমা জাহান, শেখ শফিকুর রহমান, কবি আবু তাহের চৌধুরী, মনির উদ্দিন, রেজাউল করিম।

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা জানাতে উপস্থিত ছিলেন সিপিএ জাকির হোসেন চৌধুরী,ইমরান শাহ রন, শেখ জামাল হোসেন, নুরুল ইসলাম মিলন, শ্যামল চন্দ্র চন্দ, মোশাহিদ চৌধুরী, বীরমুক্তিযোদ্ধা এমএ নাসির, বীরমুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।

ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানে কৌতুক পরিবেশন করেন জহিরুল ইসলাম দম্পতি।

ছিল উপস্থিত দর্শকদের নিয়ে কুইজ প্রতিযোগিতা।প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হন প্রথম রওশন আরা কাজল দ্বিতীয় হন শেখ শফিকুর রহমান এবং তৃতীয় হন আরিফ হোসেন।বিশিষ্ট লিয়েলস্টিট ব্যবসায়ী সালেহ উদ্দিন সালে কে এবিএম মাল্টি মিডিয়ার পক্ষ থেকে বিশেষ এওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিল মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

জনপ্রিয় গান পরিবেশন করেন সুপরিচিত শিল্পীবৃন্দ।সংগীত পরিবেশন করেন টিভি চ্যানেলের শিল্পী সালমা জাহান,রওশন আরা কাজল, রুমা, মেহজাবীন মেহা, আসাদ, নাসির।

অনুষ্ঠানে দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী বিন্দু কনা আসার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তিনি আসেননি এতে উপস্থিত দর্শকরা কিছুটা হতাশ হয়েছেন।

সন্ধ্যা থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত চলে এক ঢানা সংগীত পরিবেশনা।সেই সাথে বিখ্যাত ঢোল বাদক সফিকের ঢোলের তালে দর্শককে নাচিয়ে রাখেন শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত। বিপুল সংখ্যক প্রবাসী পুরুষ মহিলা বাংলাদেশি দর্শকদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে ছিল আনন্দের বন্যা।

সবশেষে সংগঠনের সিইও জামাল আহমেদ মাসুদ অনুষ্ঠানের সকল স্পন্সর ও উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

কমিউনিটি এর আরও খবর

img

টাওয়ার হ্যামলেটসে নতুন স্পিকার ও ক্যাবিনেট ও কমিটির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা

প্রকাশিত :  ১৫:৪৬, ২৯ মে ২০২৬

টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম)-এ নতুন স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার এবং প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বপ্রাপ্তদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। সভাটি বুধবার ২০ মে হোয়াইটচ্যাপেল রোডস্থ টাউন হলে অনুষ্ঠিত হয়।

বেথনাল গ্রিন ওয়েস্ট ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মুস্তাক আহমেদ স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন এবং ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ল্যান্সবারি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ইকবাল হোসেন। স্পিকার হিসেবে তিনি বারার প্রথম নাগরিক (ফা‍‍রস্ট সিটিজেন) হিসেবে বিভিন্ন নাগরিক ও আনুষ্ঠানিক আয়োজনে  প্রতিনিধিত্ব করবেন এবং বারার একজন দূত হিসেবে কাজ করবেন। তিনি কাউন্সিল সভায় সভাপতিত্ব করবেন এবং গুরুত্বপূর্ণ অতিথিদের স্বাগত জানাবেন।

নির্বাচনের পর এক প্রতিক্রিয়ায় স্পিকার বলেন, “এটি আমার জন্য গভীর সম্মান, বিনয় এবং বড় দায়িত্বের মুহূর্ত। টাওয়ার হ্যামলেটসের জনগণের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ, যাদের আস্থা আমার জনসেবার আকাঙ্খাকে সম্ভব করে তোলে এবং যা একজন নির্বাচিত প্রতিনিধির জন্য সর্বোচ্চ সম্মান।” তিনি আরও বলেন, “আমার জীবনের শুরুটা ছিল সাধারণ কাজ, দীর্ঘ পরিশ্রম এবং দৃঢ় মনোবলের মাধ্যমে গড়ে ওঠা। রেস্টুরেন্টে কাজ থেকে শুরু করে ব্যবসা এবং পরবর্তীতে পরিবার লালন-পালনের পাশাপাশি শিক্ষায় ফিরে আসা - এসব অভিজ্ঞতা আমাকে কাজের মর্যাদা, সুযোগের গুরুত্ব এবং সাধারণ মানুষের ত্যাগ সম্পর্কে গভীরভাবে উপলব্ধি করতে সাহায্য করেছে।” তিনি টাওয়ার হ্যামলেটসকে আধুনিক ব্রিটেনের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, \"এটি বৈচিত্র্যময়, দৃঢ়, উচ্চাকাঙ্ক্ষী এবং কমিউনিটি-কেন্দ্রিক একটি বারা।\"

তিনি জানান, পরবর্তী কাউন্সিল সভায় তাঁর নির্বাচিত দাতব্য সংস্থাগুলোর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।

গত ৭ মে ২০২৬ অনুষ্ঠিত স্থানীয় নির্বাচনের পর নতুন প্রশাসনের ক্যাবিনেট পোর্টফোলিও ও দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যদের নামও এই এজিএম-এ চূড়ান্ত করা হয়। কাউন্সিলর মাইউম তালুকদার বিধিবদ্ধ (স্ট্যাটুটরি) ডেপুটি মেয়র হিসেবে বৈষম্য ও জীবনযাত্রার ব্যয় মোকাবেলা, গ্রাহক সেবা উন্নয়ন এবং স্বেচ্ছাসেবী খাত সম্পৃক্ততা বিষয়ক পোর্টফোলিও (ক্যাবিনেট মেম্বার ফর ট্যাকলিং ইনইকুয়ালিটি অ্যান্ড দ্য কস্ট অব লিভিং, ইমপ্রুভিং কাস্টমার সার্ভিসেস, অ্যান্ড ভলান্টারি সেক্টর এনগেজমেন্ট) পরিচালনা করবেন। ক্যাবিনেট মেম্বার ফর হোমবিল্ডিং অ্যান্ড এনহ্যান্সিং কাউন্সিল হোমস অ্যান্ড নেবারহুডস (গৃহনির্মাণ ও কাউন্সিল আবাসন এবং আশপাশের এলাকার উন্নয়ন) হিসেবে কাউন্সিলর সাইদ আহমেদ, ক্যাবিনেট মেম্বার ফর ফাইন্যান্স, অ্যাসেটস অ্যান্ড গভর্নেন্স (অর্থ, সম্পদ ও প্রশাসন) হিসেবে কাউন্সিলর আবু তালহা চৌধুরী, ক্যাবিনেট মেম্বার ফর সেফ কমিউনিটিজ অ্যান্ড কমিউনিটি কোহেশন (নিরাপদ সম্প্রদায় ও সামাজিক সংহতি বিষয়ক) হিসেবে কাউন্সিলর কবির আহমেদ এবং ক্যাবিনেট মেম্বার ফর এ ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন বারা (পরিচ্ছন্ন ও সবুজ বারা) হিসেবে কাউন্সিলর শফি আহমেদ দায়িত্ব পালন করবেন।

এছাড়া, ক্যাবিনেট মেম্বার ফর হেলদি, কেয়ারিং অ্যান্ড ইনক্লুসিভ কমিউনিটিজ সুস্বাস্থ্য, সেবা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ) হিসেবে কাউন্সিলর সাবিনা আক্তার, ক্যাবিনেট মেম্বার ফর লেজার, কালচার অ্যান্ড ট্যুরিজম (অবকাশ, সংস্কৃতি ও পর্যটন) হিসেবে কাউন্সিলর মিনারা খাতুন, এবং ক্যাবিনেট মেম্বার ফর জবস, এন্টারপ্রাইজ, স্কিলস অ্যান্ড গ্রোথ (কর্মসংস্থান, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, দক্ষতা ও প্রবৃদ্ধি) হিসেবে কাউন্সিলর সোনালি মিয়া এবং ক্যাবিনেট মেম্বার ফর চিলড্রেন, ইয়াং পিপল অ্যান্ড লাইফ চান্সেস (শিশু, তরুণ ও জীবনমান উন্নয়ন) হিসেবে কাউন্সিলর ফয়সাল আহমেদ দায়িত্ব পালন করবেন।

একই সঙ্গে কাউন্সিলের গুরুত্বপূর্ণ কমিটিগুলোর চেয়ারদের নামও নিশ্চিত করা হয়েছে। ওভারভিউ অ্যান্ড স্ক্রুটিনি কমিটির (সার্বিক পর্যালোচনা ও যাচাই কমিটি) চেয়ার হয়েছেন কাউন্সিলর হালিমা ইসলাম, ডেভেলপমেন্ট (উন্নয়ন) কমিটির চেয়ার কাউন্সিলর আবদুল ওয়াহিদ এবং স্ট্র্যাটেজিক ডেভেলপমেন্ট (কৌশলগত উন্নয়ন) কমিটির চেয়ার হয়েছেন কাউন্সিলর আমিন রহমান। জেনারেল পারপোসেস (সাধারণ উদ্দেশ্য) কমিটির চেয়ার হিসেবে রয়েছেন কাউন্সিলর কামরুল হোসেন, পেনশনস কমিটির চেয়ার কাউন্সিলর সুলুক আহমেদ এবং লাইসেন্সিং কমিটি ও লাইসেন্সিং রেগুলেটরি (লাইসেন্সিং কমিটি ও লাইসেন্সিং নিয়ন্ত্রণ) কমিটির চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন কাউন্সিলর পিটার গোল্ডস। হিউম্যান রিসোর্সেস (মানবসম্পদ) কমিটির চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন কাউন্সিলর হারুন মিয়া।

কাউন্সিলের এজিএমের পূর্ণাঙ্গ এজেন্ডা কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

কমিউনিটি এর আরও খবর