img

দ্বিতীয়বার বিয়ের ৪ মাসেই বিচ্ছেদ, মুখ খুললেন সাবিকুন নাহার

প্রকাশিত :  ০৭:৫৯, ১০ মে ২০২৬

দ্বিতীয়বার বিয়ের ৪ মাসেই বিচ্ছেদ, মুখ খুললেন সাবিকুন নাহার

আলোচিত তরুণ ইসলামী বক্তা আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনান ও তার স্ত্রী সাবিকুন নাহার সারার ফের বিচ্ছেদ হয়েছে। দ্বিতীয়বার বিয়ের মাত্র চার মাসের মাথায় তাদের বিচ্ছেদ হলো।

গতকাল শনিবার (৯ মে) সাবিকুন নাহার সারা নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সাবিকুন নাহার জানান, পারিবারিক অশান্তি ও মতবিরোধের জেরে তাদের সম্পর্কের অবনতি ঘটে।

একপর্যায়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে বিচ্ছেদের পথ বেছে নেন তারা।

তিনি বলেন, ‘আমরা নতুনভাবে সংসার শুরু করার চেষ্টা করেছিলাম। দুই পরিবারও বিষয়টি ইতিবাচকভাবে নিয়েছিল। কিন্তু নানা কারণে সেই সম্পর্ক আর টেকেনি।

শেষ পর্যন্ত রমজানের চাঁদরাতে আমাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়।’

বিচ্ছেদের পর গত বছরের ২ ডিসেম্বর পারিবারিকভাবে দ্বিতীয়বারের মতো বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন আবু ত্বহা আদনান ও সাবিকুন নাহার। প্রথম বিচ্ছেদের পর দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনদের উদ্যোগে তাদের মধ্যে পুনর্মিলন ঘটে। নতুন করে সংসার শুরু করলেও সেই সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হলো না।

বাংলাদেশ এর আরও খবর

img

হামে মৃত্যু ৩৫২ শিশুর প্রতি পরিবারকে দুই কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে রিট

প্রকাশিত :  ০৮:৩৮, ১০ মে ২০২৬

হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করা ৩৫২ শিশুর প্রত্যেক পরিবারকে ২ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। আজ রোববার (১০ মে) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার হুমায়ন কবীর পল্লব জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন।

;এই রিটে স্বাস্থ্য সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে গত ৫৫ দিনে ৩৫২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সরকারি হিসাবেই গড়ে প্রতিদিন অন্তত ছয়জন করে শিশুর মৃত্যু হচ্ছে। তবে গত এক সপ্তাহে সেই সংখ্যা গিয়ে ঠেকেছে গড়ে প্রতিদিন ১০ জনে। হামে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা কমে আসার আশ্বাস দেওয়ার মধ্যেই মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দেড়গুণ হয়েছে। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ঢাকা বিভাগ আর কম রংপুর। গতকাল আরও ৯ জন শিশু হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা সরকারি হিসাব সঠিক বলে ধরে নিলেও পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক। প্রতিদিনই নতুন করে আক্রান্ত ও হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে সংক্রমণের হার বেশি হওয়ায় পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেছেন, টিকার সংকট এবং হামে শিশুমৃত্যুর ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে সরকার। হামে কেন এতগুলো শিশুর মৃত্যু হলো, এ ক্ষেত্রে কারও কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্তে খতিয়ে দেখা হবে।

চিকিৎসকদের মতে, শিশুদের নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির বাইরে থাকা এবং গরমে ভাইরাসের দ্রুত বিস্তার এই প্রাদুর্ভাবের অন্যতম কারণ হতে পারে। শিশুর শরীরে জ্বর ও র‌্যাশ দেখা দিলে কালক্ষেপণ না করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে। বিশেষ করে ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।