img

অবশেষে মুক্তি পেলো 'ছায়াদের সংখ্যা' হরর মুভির ট্রেইলার!

প্রকাশিত :  ১৬:৩২, ১১ মে ২০২৬

অবশেষে মুক্তি পেলো 'ছায়াদের সংখ্যা' হরর মুভির ট্রেইলার!

হরর গল্পকার নাফে মোহাম্মদ এনামের গল্প এবং প্রযোজনায় বাংলা ভাষায়, বাংলাদেশে একদল নবাগত তরুণদের নিয়ে নির্মিত একটি সাইকোলোজিক্যাল হরর মুভি \'The Number of Shadows\' (বাংলায় \'ছায়াদের সংখ্যা\'), যা লন্ডনে বের হতে যাচ্ছে এটির একটি  অফিসিয়াল ট্রেইলার উপভোগ করা যাচ্ছে ইউটিউবে। ইউটিউবে \'Uncle Nafee\' লিখে সার্চ করলেই চলচ্চিত্রটির একটি এক মিনিট ঊনচল্লিশ সেকেন্ডের ট্রেইলার পাওয়া যাচ্ছে। 

ছবিতে দেখা যাবে নায়লা নামের প্রসূতি এক নারী তার একাকিত্ব কাটাতে সে তার পেটের বাচ্চার সাথে খেলার জন্য এক অদ্ভুত খেলা আবিষ্কার করে!

ছবিটি ইংরেজি সাবটাইটেলসহ ইউটিউবে রিলিজ হবে শিগ্রই। আমাজন প্রাইমেও প্রচারের অপেক্ষায় আছে ছবিটি। নাফে মোহাম্মদ এনামের (Uncle Nafee) গল্প অবলম্বনে মুভিটি  নির্মাণ করেছেন এমডি শাহাজাহান এনি এবং অঙ্কন দে অনিমেষ। অভিনয়ে জুলিয়েট কুইয়া। প্রচারে আছে হররপত্রিকা টীম ড. তামান্না, মনীষা, তন্ময়, মাহতাব, জাবেদ, শারমিন, সাখাওয়াত, দুর্জয় এবং আরো অনেকে। ওয়ার্ল্ডওয়াইড পরিবেশনায় লন্ডনের কাপ অফ টী ষ্টুডিও। উল্লেখযোগ্য যে, কাপ অফ টী ষ্টুডিও কর্তৃক নাফে মোহাম্মদ এনামের একক একটি হরর গল্প সংকলন ইংরিজিতে বিশ্বব্যাপি প্রকাশিত হয়েছে যা ব্রিটেনের সরকারি লাইব্রেরি এবং কিছু মাধ্যমিক স্কুল লাইব্রেরিতে পাওয়া যাচ্ছে। এমনকি ব্রিটেনের অক্সফোর্ড য়ুনিভার্সিটি, কেমব্রিজ য়ুনিভার্সিটি, ন্যাশনাল লাইব্রেরি অফ ওয়েলস বইটি তাদের পাঠকদের জন্য তালিকাবদ্ধ করেছে।  

ছবিটি কিংবা হররপত্রিকা, হররপত্রিকা কর্তৃক প্রকাশিত কোনো বই নিয়ে প্রশ্ন বা জানার আগ্রহ থাকলে অনুগ্রহ করে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে। হররপত্রিকা বাংলাদেশের বাইরে যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা ভাষার ভৌতিক পত্রিকা। অথবা নিচে আমাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের লিংক থেকেও জানা যাবে অনেক চমৎকার আপডেট!

কমিউনিটি এর আরও খবর

img

সানু মিয়া ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবেন: স্মরণষভায় বক্তাগণ

প্রকাশিত :  ১৬:৪৪, ১১ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৭:৩০, ১১ মে ২০২৬

পূর্ব লন্ডনের জনপ্রিয় যুব সংগঠক প্রয়াত কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট সানু মিয়া (১৯৬৬ – ২০১৬) স্মরণে গত ৮ মে ২০২৬ পূর্ব লন্ডনের মাইক্রোবিজনেস সেন্টারে এক আবেগঘন স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। পরিবার-পরিজন, বন্ধু, সহযোদ্ধা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ একত্রিত হয়ে তাঁর জীবন ও কর্মের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। বক্তারা তাঁকে কমিউনিটির জন্য নিরলসভাবে কাজ করা একজন নিবেদিতপ্রাণ মানুষ হিসেবে স্মরণ করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আবদুল মালিক খোকন এবং সঞ্চালনা করেন স্বাধীন খসরু । অনুষ্ঠানের শুরুতে যৌথ আয়োজক ও সানু মিয়াকে নিয়ে প্রকাশিত স্মারকগ্রন্থের যুগ্ম সম্পাদক আবদুল মালিক খোকন তাঁর বক্তব্যে সানু মিয়ার দীর্ঘদিনের কমিউনিটি সেবা, অসাম্প্রদায়িক আন্দোলন ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অবদানের কথা তুলে ধরেন।

সানু মিয়ার শৈশবের বন্ধু ও শাপলা ইয়ুথ ফোর্স এর সদস্য আলী, জয়নাল উদ্দিন, তুরণ মিয়া, হারিস আলী ও জামাল তাঁদের স্মৃতিচারণায় সানু মিয়াকে একজন প্রাণবন্ত, নেতৃত্বগুণসম্পন্ন ও মানুষের পাশে থাকা ব্যক্তি হিসেবে বর্ণনা করেন।

অনুষ্ঠানে আরও স্মৃতিচারণ করেন সানু মিয়ার বোন জানা, সাবেক টাওয়ার হ্যামলেটস্ কাউন্সিলর নূরউদ্দিন আহমদ, কবি শামীম আজাদ, লেখক ময়নুর রহমান বাবুল, রাজনীতিবিদ খসরুজ্জামান, সম্প্রচার ব্যক্তিত্ব রবিন হায়দার খান, অ্যাক্টিভিস্ট জামাল আহমেদ খান, ইয়াসমিন, সালেহা, সেচ্ছাসেবক লীগের চেয়ারম্যান সাদ আহমেদ সাদ , যুক্তরাজ্য নির্মূল কমিটির চেয়ারম্যান সৈয়দ এনামুল ইসলাম, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট রাজনউদ্দিন জালাল এবং বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হরমুজ আলী।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সানু মিয়ার স্ত্রী মনোয়ারা খাতুন পারভীন ও ছেলে তানিম। পারভীন কথা বলতে গিয়ে এক সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন। বক্তারা বলেন, সানু মিয়া ছিলেন একজন অনুপ্রেরণাদায়ী মানুষ, যিনি সারাজীবন কমিউনিটির কল্যাণে কাজ করে গেছেন এবং ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবেন। তিনি ছিলেন শাপলা ইয়ুথ ফোর্স এর প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর নেতৃত্বে শাপলা ইয়ুথ ফোর্স  ফুটবল দল বাংলাদেশে গিয়ে সেনাবাহিনী, বিডিআর, বিমানবাহিনীসহ বিভিন্ন জাতীয় দলের বিরুদ্ধে খেলেছিল। তিনি যুক্তরাজ্য নির্মূল কমিটির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন এবং একজন সুপরিচিত কর্মী হিসেবে সম্মান অর্জন করেন। পাশাপাশি তিনি ছিলেন লেবার পার্টির সক্রিয় কর্মী, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সেচ্ছাসেবক লীগের সেক্রেটারি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ছিলেন একজন সাংস্কৃতিক সংগঠক।

সানু মিয়ার জীবন ও কর্ম নিয়ে প্রকাশিত স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন আনসার আহমদ উল্লাহ। তিনি সানু মিয়ার মা, হামিদা বেগমের হাতে স্মারকগ্রন্থের একটি কপি তুলে দেন এবং পরে উপস্থিত অতিথিদের মধ্যেও তা বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের সমাপ্তি বক্তব্যে স্বাধীন খসরু স্মারকগ্রন্থ প্রকাশে সহায়তা প্রদানকারীদের ধন্যবাদ জানান। বিশেষভাবে তিনি জুয়েল রাজকে পুরো গ্রন্থটি টাইপ করার জন্য, হামিদ মোহাম্মদকে সম্পাদনার জন্য, মুসলেহ উদ্দিন আহমেদকে প্রকাশনার জন্যে এবং আরিফকে ডিজাইনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানের শেষদিকে সানু মিয়ার জীবন ও কর্ম নিয়ে নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের সময় অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং একজন নিবেদিতপ্রাণ সমাজকর্মীর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।


 

কমিউনিটি এর আরও খবর