img

লন্ডনে মানসিক প্রশান্তি ও সুস্থ জীবনের লক্ষ্যে ‘কোয়ান্টাম মেডিটেশন’ –এর সাপ্তাহিক ধ্যান কর্মসূচির নতুন উদ্যোগ

প্রকাশিত :  ১৪:২৮, ০৭ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৪:৩৬, ০৭ মে ২০২৬

লন্ডনে মানসিক প্রশান্তি ও সুস্থ জীবনের লক্ষ্যে ‘কোয়ান্টাম মেডিটেশন’ –এর সাপ্তাহিক ধ্যান কর্মসূচির নতুন উদ্যোগ

আধুনিক জীবনের কর্মব্যস্ততা, পড়াশোনার চাপ এবং মানসিক দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দিয়ে মানুষকে একটি সুস্থ ও সুন্দর জীবন উপহার দিতে লন্ডনে অনেকদিন ধরেই নিয়মিত মেডিটেশন বা ধ্যানচর্চার আয়োজন করে আসছে ‘কোয়ান্টাম মেথড’। আধুনিক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় স্বীকৃত এই মেডিটেশন পদ্ধতি মানসিক চাপ কমিয়ে মনোযোগ বৃদ্ধি ও সার্বিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত কার্যকর হিসেবে প্রমাণিত।

এই কর্মসূচির আওতায় আগামী ১০ মে ২০২৬  থেকে সরাসরি উপস্থিত থেকে বা অনলাইনে—উভয় মাধ্যমেই এই মেডিটেশন সেশনে অংশগ্রহণ করা যাবে। এটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সকল স্তরের মানুষের জন্য উন্মুক্ত।

সরাসরি সেশন: প্রতি মাসের দ্বিতীয় রবিবার।

সময়: সকাল ১০:০০ টা (বাংলা) এবং সকাল ১১:৩০ মিনিট (ইংরেজি)

স্থান: রয়্যাল ডকস সেন্টার ফর সাসটেইনেবিলিটি (Royal Docks Centre for Sustainability), ইউনিভার্সিটি অফ ইস্ট লন্ডন, ইউনিভার্সিটি ওয়ে, লন্ডন, E16 2RD।

এছাড়াও, যারা সরাসরি উপস্থিত হতে পারবেন না, তাদের জন্য প্রতি রবিবার সকাল ১০:০০ টায় (বাংলা) এবং ১১:৩০ মিনিটে (ইংরেজি) অনলাইনে বিশেষ মেডিটেশন সেশনের ব্যবস্থা রয়েছে। 

বিস্তারিত তথ্যের জন্যঃ www.QuantumLondon.org.uk 

ইমেইল: info@QuantumLondon.org.uk   

ফোনঃ 02034322672

কমিউনিটি এর আরও খবর

img

আমরা সবাই মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য পদক্ষেপ নিতে পারি

প্রকাশিত :  ১৮:১৬, ০৭ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৯:২৬, ০৭ মে ২০২৬

মে মাসের প্রথম দুই সপ্তাহজুড়ে টাওয়ার হ্যামলেটস - এ মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সপ্তাহ পালন করা হচ্ছে। ৪ থেকে ১০ মে পর্যন্ত উদযাপিত হচ্ছে মাতৃত্বকালীন মানসিক স্বাস্থ্য সপ্তাহ (ম্যাটারনাল মেন্টাল হেলথ উইক), আর ১১ থেকে ১৭ মে পর্যন্ত চলছে মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা সপ্তাহ (মেন্টাল হেলথ এওয়ারনেস উইক)।

এ বছরের মূল বার্তা হলো ‘এ্যাকশন’ বা পদক্ষেপ নেওয়া - এর মানে নিজের জন্য, অন্যের জন্য এবং সবার জন্য মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে ছোট ছোট হলেও ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়া।

এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে “হেলদি টাওয়ার হ্যামলেটস” ক্যাম্পেইন চালু করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো, এমন পাঁচটি প্রতিরোধযোগ্য ঝুঁকির বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করা, যেগুলো দীর্ঘমেয়াদী শারীরিক অসুস্থতার সঙ্গে জড়িত। এর মধ্যে অন্যতম হলো মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি। ক্যাম্পেইনটি শুধু তথ্য দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি মানুষকে বাস্তব পরিবর্তনের দিকে উৎসাহিত করছে, যেন তারা নিজেদের জীবনধারায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।

এই ক্যাম্পেইনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো স্থানীয় মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরা। এর মাধ্যমে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সমাজে যে লজ্জা বা ভুল ধারণা আছে, তা কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এই ক্যাম্পেইনের মুখ হিসেবে আছেন স্থানীয় বাসিন্দা মমতাজ। সন্তান জন্মের পর তিনি মানসিকভাবে কঠিন সময় পার করেছিলেন। তিনি জানান, সেই সময় তিনি জিপির মাধ্যমে থেরাপি গ্রহণ করেন, যা তাকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, নিজের যত্ন নেওয়ার অংশ হিসেবে তিনি একটি ফিটনেস ক্লাসে যোগ দেন এবং এখন নিয়মিতভাবে প্রতি সপ্তাহে সেখানে অংশ নেন।

মমতাজের গল্প অনেকের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে। এটি দেখায় যে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলা এবং সাহায্য চাওয়া দুর্বলতা নয়, বরং এটি একটি সাহসী সিদ্ধান্ত।

এই দুই সপ্তাহের কার্যক্রম মানুষকে মনে করিয়ে দিচ্ছে যে মানসিক স্বাস্থ্য সবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ছোট ছোট পদক্ষেপ, যেমন কারও সাথে কথা বলা, সাহায্য চাওয়া বা নিজের জন্য সময় বের করা, বড় পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে।

ভিডিওটি দেখতে হলে ভিজিট করুনঃ  www.youtube.com/watch?v=PuNqsOsoIXE

মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকলে শুধু ব্যক্তি নয়, পুরো পরিবার এবং সমাজও আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে।

কমিউনিটি এর আরও খবর