img

বেথনাল গ্রিনে সাশ্রয়ী আবাসন প্রকল্পে বড় অগ্রগতি: এমএএইচপি-এর প্রথম প্ল্যানিং এপ্লিকেশন জমা

প্রকাশিত :  ১৭:১১, ১৩ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৭:৫২, ১৩ মে ২০২৬

বেথনাল গ্রিনে সাশ্রয়ী আবাসন প্রকল্পে বড় অগ্রগতি: এমএএইচপি-এর প্রথম প্ল্যানিং এপ্লিকেশন জমা

টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের উচ্চাভিলাষি আবাসন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মেয়রের অ্যাক্সেলারেটেড হাউজিং প্রোগ্রাম (এমএএইচপি)-এর অধীনে প্রথম পরিকল্পনা আবেদন আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেওয়া হয়েছে। বেথনাল গ্রিন এলাকার একটি সাবেক ভিক্টোরিয়ান স্কুল সাইটকে ঘিরে এই প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়েছে, যা কাউন্সিলের পক্ষ থেকে দ্রুতগতিতে প্রকৃত সাশ্রয়ী বাসস্থান নির্মাণের লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্থানীয় নির্বাচনের আগেই এই আবেদন জমা দেওয়া হয়, যা প্রমাণ করে যে এই কর্মসূচি কেবল পরিকল্পনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং বাস্তবায়নের দিকেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। ৭ মে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে পুনর্নির্বাচিত হওয়ায় মেয়রের নেতৃত্বে এই উদ্যোগ আরও ধারাবাহিকতা পাবে এবং পরিকল্পনা থেকে নির্মাণ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।

টাওয়ার হ্যামলেটসের এক্সিকিউটিভ মেয়র লুৎফুর রহমান বলেন, “এই প্রথম প্ল্যানিং এপ্লিকেশন জমা দেওয়ার মাধ্যমে কাউন্সিলের লক্ষ্য বাস্তবায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ সম্পন্ন হয়েছে।“ তিনি উল্লেখ করেন, “কাউন্সিলের নিজস্ব জমিতে দ্রুতগতিতে প্রকৃত সাশ্রয়ী আবাসন নির্মাণের জন্যই এই প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছিল এবং বেথনাল গ্রিনের এই প্রকল্পটি নতুন বাসস্থান ও কমিউনিটি সুবিধা একসঙ্গে কীভাবে প্রদান করা সম্ভব, তার একটি দৃষ্টান্ত।”

এই প্রকল্পটি ম্যাথিউ লয়েড আর্কিটেক্টস-এর নেতৃত্বে, মেইজ কনসাল্ট এবং স্পিয়ার ২৫-এর সহযোগিতায় তৈরি করা হয়েছে এবং এটি এমএএইচপি-এর অধীনে প্রথম প্রকল্প যা পরিকল্পনার স্তরে পৌঁছেছে। পুরো কর্মসূচির মাধ্যমে টাওয়ার হ্যামলেটস জুড়ে কাউন্সিলের মালিকানাধীন অন্তত ৩৭টি সাইটে প্রায় ৩,৩০০ নতুন বাড়ি-ঘর দ্রুত নির্মাণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই উদ্যোগটি লন্ডন এবং টাওয়ার হ্যামলেটসের তীব্র আবাসন সংকট মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

বেথনাল গ্রিন প্রকল্পে মোট ৪৪টি নতুন ফ্ল্যাট বা বাসস্থান নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছে, যার মধ্যে ৬০ শতাংশেরও বেশি হবে সাশ্রয়ী ভাড়ার। পরিবারভিত্তিক (ফ্যামিলি সাইজ ফ্ল্যাট) এবং প্রতিবন্ধী-বান্ধব সহজপ্রবেশযোগ্য (এক্সেসিবল) ঘরের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী একই এলাকায় বসবাস চালিয়ে যেতে পারেন।

উন্নয়নটি দুইটি ভবনের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে। একটি অংশে ঐতিহ্যবাহী ভিক্টোরিয়ান স্কুল ভবনকে সংরক্ষণ করে সংস্কার ও সম্প্রসারণ করা হবে, যেখানে ২০টি আবাসন তৈরি করা হবে। অন্যদিকে, একটি নতুন পাঁচতলা ভবনে ২৪টি সোশ্যাল রেন্ট বাসা তৈরি করা হবে, পাশাপাশি থাকবে এক হাজার বর্গমিটারেরও বেশি কমিউনিটি স্পেস।

প্রকল্পটির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে একটি নতুন আইডিয়া স্টোর এবং রেসিডেন্টস’ হাব, যা স্থানীয় জনগণের জন্য শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কাউন্সিলের বিভিন্ন সেবায় সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করবে। এর পাশাপাশি একটি ওয়ান স্টপ শপও গড়ে তোলা হবে, যার মাধ্যমে বাসিন্দারা এক জায়গা থেকেই প্রয়োজনীয় সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। ভবনের নিচতলায় বহুমুখী ব্যবহারযোগ্য শেখার স্থান রাখা হয়েছে, যা ভবিষ্যতের কমিউনিটি প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করা যাবে, আর পড়াশোনা, মিটিং এবং কমিউনিটি কার্যক্রমের জন্য উপরের স্তরগুলোতে ছোট ছোট কক্ষ থাকবে।

নকশাগতভাবে প্রকল্পটি পুরনো ঐতিহাসিক স্থাপনা এবং আধুনিক স্থাপত্যের সমন্বয়ে তৈরি, যেখানে আলো-বাতাস এবং মানুষের পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়ানোর জন্য আঙিনাভিত্তিক (কোর্টইয়ার্ড) বিন্যাস রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে আশপাশের পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভবনের উচ্চতা ও কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে আবাসন সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি এলাকার স্বাভাবিক সৌন্দর্য বজায় থাকে।

ল্যান্ডস্কেপ ডিজাইনের মাধ্যমে পরিবেশগত উন্নয়ন এবং জীববৈচিত্র্য বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যা এই সাইটকে একটি সবুজ ও বাসযোগ্য কমিউনিটি সম্পদে রূপান্তর করবে।

এই প্রকল্পটি এখন পরিকল্পনা অনুমোদনের জন্য বিবেচনাধীন রয়েছে এবং ২০২৬ সালের গ্রীষ্মে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসার সম্ভাবনা রয়েছে। বেথনাল গ্রিনের এই উদ্যোগটি এমএএইচপি কর্মসূচির বাস্তব অগ্রগতির একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে ভবিষ্যতের প্রকল্পগুলোর পথপ্রদর্শক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


 

কমিউনিটি এর আরও খবর

img

উৎসবের উচ্ছ্বাস আর গভীর আবেগে ঢাকা ইউনিভার্সিটি আ্যলামনাই ইন দ্য ইউকের বর্ষবরণ

প্রকাশিত :  ১৮:৩২, ১৩ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৯:০৯, ১৩ মে ২০২৬

লন্ডন: ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই ইন দ্য ইউকে (DUAUK) অত্যন্ত আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ‘বর্ষবরণ ১৪৩৩ – বৈশাখী মেলা ও ভর্তা উৎসব’ আয়োজনের মাধ্যমে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করেছে। বর্ণিল আয়োজনে বাঙালির ঐতিহ্য ধারণ করে নাচ, গান, আবৃত্তি, ফ্যাশন শো, আনন্দ উল্লাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলায় অনুষ্ঠানটি এক প্রাণবন্ত পরিবেশ সৃষ্টি করে। গত ৯ই মে শনিবার পূর্ব লন্ডনের ‘লন্ডন এন্টারপ্রাইজ একাডেমিতে’ বর্ষবরনের আয়োজন করা হয়েছিল। 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব এবং স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সংগঠনের সভাপতি সিরাজুল বাছিত চৌধুরী, পুরো অনুষ্ঠান পরিচালনা ও অনুষ্ঠান সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরে বক্তব্য প্রদান করেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুল হাসান। সিনিয়র সহ-সভাপতি ও অনুষ্ঠান সমন্বয়কারী মেসবাহ উদ্দিন ইকো সংক্ষিপ্ত ব্ক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ জাফরসহ একটি নিবেদিতপ্রাণ টিম। চমৎকারভাবে সাস্কৃতিক পর্ব সঞ্চালনা করেন সাংস্কৃতিক সম্পাদক এরিনা সিদ্দিকী সুপ্রভা।

সাধারণ সম্পাদক এম কিউ হাসান তাঁর বক্তব্য প্রদানকালে বলেন, বাংলা নববর্ষ আমাদের জাতীয় জীবনের সাথে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। ব্যবসায়িক হালখাতা, বৈশাখী মেলা, পান্তা-ইলিশ, আর লোকজ গান-বাজনার মধ্য দিয়ে এই দিনটি হয়ে ওঠে এক আনন্দঘন উৎসব। পহেলা বৈশাখ আমাদেরকে শেকড়ের সাথে যুক্ত করে, আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় বাঙালির সমৃদ্ধ ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কথা। এই উৎসব তাই শুধু উদযাপন নয়, এটি আমাদের পরিচয়ের এক গর্বিত প্রকাশ।

বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কালজয়ী গান ‘এসো হে বৈশাখ এসো এসো’ গান সমবেতভাবে পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। 

অনুষ্ঠানে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির নানা পরিবেশনা উপস্থাপন করা হয়। যা বাংলা নববর্ষের আবহকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। সদস্যদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাস্কৃতিক অনুষ্ঠান মুগ্ধ হয়ে সকলে উপভোগ করেছেন। মুহুর্মুহু করতালির মাধ্যমে উপস্থিত সকলে আনন্দ প্রকাশ করেছেন।

অনুষ্ঠানে গান, নাচ, সমবেত ছড়া, প্রেম-বিরহ-রোমান্টিক কবিতা পরিবেশন,ফ্যাশনশো, ঐতিহ্যবাহী ধামাইল নৃত্য, অতিথি আপ্যায়ন এবং খাবার পরিবেশনে যারা অংশগ্রহন করেছেন এবং যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে, প্রশংসীয় উদ্যোগে একটি সফল অনুষ্ঠান হয়েছে তাঁরা হলেন: 

রীপা সুলতানা রাকীব, সৈয়দ জুবায়ের, তারেক সৈয়দ, নীলা নিকি খান, মেহেরুন আহমেদ মালা, এরিনা সিদ্দিকী, সৈয়াদা তামান্না, সৈয়দা ফারহানা সুবর্ণা, হাবিব, সৈয়দা লাভলী চৌধুরী, দেওয়ান গৌস সুলতান, ইসমাইল হোসেন, মতিন চৌধুরী, সাবিতা শামসাদ, এম কিউ হাসান, মাহফুজা রহমান, মারুফ চৌধুরী, মেসবাহ উদ্দিন ইকো, নিলুফা ইয়াসমীন হাসান, সৈয়দ হামিদুল হক, সৈয়দ জাফর, এমদাদ তালুকদার, মিজানুর রহমান, ডা. হাসনীন চৌধুরী, বিভা মোশাররফ, মাহমুদা চৌধুরী, খালেদা জামান পূর্ণি, আসমা আক্তার, নুসরাত জাহান, শাকির আহমেদ, খাদিজা আহমেদ বন্যা, কংকন কান্তি ঘোষ, শিরিন উল্লাহ প্রমুখ।

গানের সাথে একক নৃত্য পরিবেশন করে শিশু শিল্পী শ্রেয়সী রাজভি ইসলাম।

সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় আরও সংগীত পরিবেশন করে Ocopot Bangla Band UK। 

অনুষ্ঠানে সংগঠনের সদস্য ও তাঁদের পরিবারের পক্ষ থেকে আনা ঘরে তৈরি ঐতিহ্যবাহী খাবার পরিবেশন করা হয়। মুড়ি, চানাচুর, চটপটি, পিঠা, পুলি, পায়েস, শুঁটকিসহ বিভিন্ন ধরনের ভর্তা, সরিষা ইলিশ, বিরিয়ানী, সাদা ভাত, খিচুড়ি, ডাল কোন খাবারের কমতি ছিলনা। ঘরে তৈরি সুস্বাদু খাবার সকলে তৃপ্তি সহকারে ভোজন করেছেন।

বিশেষ সম্মাননা পর্ব - ‘মাস্টার শেফ’ খেতাব:

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল “মাস্টার শেফ” সম্মাননা প্রদান। ঘরে তৈরি খাবার প্রস্তুতকারী ৩৩ জন সদস্য এবং পরিবারকে সংগঠনের লোগো সংবলিত পদক প্রদান করে সম্মানিত করা হয়। এই পর্বটি পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুল হাসান এবং সমন্বয় করেন মেসবাহ উদ্দিন ইকো। উপস্থিত সবাই পর্বটি অত্যন্ত উপভোগ করেন।

উপদেষ্টা সম্মাননা:

উপদেষ্টাদের সংগঠনের জন‍্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মঞ্চে ডেকে ফুলের তোড়া দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়। তাঁরা হলেন হাবিব রহমান (অনুপস্থিত), এস বি ফারুক, মুহাম্মাদ আব্দুব রাকীব, আবু মুসা হাসান, নাজির উদ্দিন চৌধুরী বাবর এবং সোহুল আহমেদ মকু।

নতুন সদস্যদের স্বাগত:

মঞ্চে স্বাগত জানানো হয় নতুন নিবন্ধিত সদস্যদের। তাঁরা হলেন:

রফিকুল ইসলাম (কম্পিউটার সায়েন্স), বিভা মোশাররফ (আইন), খালেদা জামান পূর্ণি (রাষ্ট্রবিজ্ঞান), চৌধুরী রেজওয়ানা বাশার (মৃত্তিকা বিজ্ঞান) এবং ড. অধ্যাপক মশফিক উদ্দিন (ফাইন্যান্স), লিডস ইউনিভার্সিটি।

স্পন্সর সম্মাননা:

বর্ষবরণ অনুষ্ঠানকে স্মরণীয়  করে রাখার জন‍্য ‘বৈশাখী’ নামে একটি স্মরনীকা প্রকাশ করা হয়। বর্ষবরণ ১৪৩৩ উপলক্ষে প্রকাশিত বর্ণিল স্মরণিকাটি স্পন্সরদের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হয়। বিশেষভাবে মাহফুজা রহমান স্মরণিকাটির মোড়ক উন্মোচন করেন এবং অন্যান্য স্পন্সরবৃন্দ এতে অংশগ্রহণ করেন। স্মরণিকা প্রকাশনার স্পন্সরদের মঞ্চে আমন্ত্রণ জানিয়ে সম্মাননা প্রদান করা হয়। তাঁরা হলেন: মাহফুজা রহমান,  Advocacy for Green — সৈয়দ ইকবাল ও সৈয়দা তামান্না,  LURIS VINCE Solicitors — নজির উদ্দিন চৌধুরী, Liberty Law Solicitors — সোহুল আহমেদ মকু এবং MQ Hassan Solicitors — এম কিউ হাসান।

সংগঠনের সাবেক নেতৃবৃন্দকে অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে সম্মাননা জানানো হয়। সাবেক সভাপতিদের স্বীকৃতিস্বরূপ মঞ্চে ডেকে ফুলের তোড়া দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়। তাঁরা হলেন ব্যারিস্টার আনিসুর রহমান (অনুপস্থিত), দেওয়ান গৌস সুলতান, মারুফ চৌধুরী এবং প্রশান্ত পুরকায়স্থ BEM (অনুপস্থিত)। সাবেক সাধারণ সম্পাদকদেরও স্বীকৃতিস্বরূপ মঞ্চে ডেকে ফুলের তোড়া দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়। তাঁরা হলেন: মারুফ চৌধুরী, মুহাম্মাদ আব্দুর রাকীব, ইসমাইল হোসেন এবং মেসবাহ উদ্দিন ইকো। 

সাবেক কোষাধ্যক্ষদের স্বীকৃতিস্বরূপ মঞ্চে ডেকে ফুলের তোড়া দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়। তাঁরা হলেন এম এ কালাম এবং সৈয়দ হামিদুল হক। এছাড়াও “Slum in Mega City” শীর্ষক গবেষণার মাধ্যমে পিএইচডি সম্পন্ন করায় সংগঠনের সদস্য  ড. মুসফিকা আশরাফ-কে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে কমিউনির অনেক গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে সভাপতি সিরাজুল বাছিত চৌধুরীর পক্ষে সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মেজবাহ উদ্দিন ইকো ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং সকল সদস্য, পরিবার, অতিথি, শিল্পী, স্বেচ্ছাসেবক, স্পন্সর ও সংগঠকদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অনুষ্ঠানটির সফল সমাপ্তির জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানান। নববর্ষের কেক কেটে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। 

অনুষ্ঠান শেষে কারোই বাড়ি ফেরার তাড়া ছিলনা।  নববর্ষ উদযাপনের এতো চমৎকার অনুষ্ঠানের রেশ দীর্ঘদিন মনে থাকবে।

-সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

কমিউনিটি এর আরও খবর