img

শিশু ধর্ষণ: রণক্ষেত্র চট্টগ্রাম, পুলিশের গাড়িতে আগুন ও দফায় দফায় সংঘর্ষ

প্রকাশিত :  ০৬:০৮, ২২ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৬:১০, ২২ মে ২০২৬

শিশু ধর্ষণ: রণক্ষেত্র চট্টগ্রাম, পুলিশের গাড়িতে আগুন ও দফায় দফায় সংঘর্ষ

চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ জনতার সঙ্গে পুলিশের কয়েক দফা সংঘর্ষ হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত চলা এ সংঘর্ষে দুই সাংবাদিকসহ অন্তত ২৩ জন আহত হয়েছেন।

এসময় উত্তেজিত জনতা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, রাতে চট্টগ্রামের একটি এলাকায় স্থানীয়রা শিশু ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে জড়ো হন। একপর্যায়ে তাদের সঙ্গে পুলিশের উত্তেজনা তৈরি হলে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। পরে পরিস্থিতি চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।

সংঘর্ষ চলাকালে বিক্ষুব্ধ জনতা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। এ সময় গুলিতে দুই সাংবাদিকসহ তিনজন আহত হন। এ ছাড়া থেমে থেমে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় আরও অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পরে র‌্যাব ও আর্মড পুলিশের অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে রাত ১১টার দিকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে আহত সাংবাদিকসহ অন্যদের খোঁজখবর নেন।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ এর আরও খবর

img

রামিসা হত্যার বিচারের দাবিতে কালশীতে সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ

প্রকাশিত :  ১৬:২৬, ২২ মে ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে ৭ বছরের শিশু রামিসাকে পাশবিকভাবে হত্যার ঘটনায় ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী। হত্যাকারীদের দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় জনতা। 

আজ শুক্রবার (২২ মে) সন্ধ্যার পর থেকে কালশী রোডের ফুলকলি ও আধুনিকের মোড় এলাকায় সড়ক অবরোধ করায় সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

বিক্ষোভকারীরা ‘জাস্টিস ফর রামিসা’, ‘ফাঁসি চাই’, ‘আমার বোন খুন হলো কেন?’ এবং ‘অপরাধীর আস্তানা, ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’ স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত করে তোলেন। এসময় নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।

বিক্ষুব্ধ জনতা বলেন, শিশু রামিসা হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। বিচার প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের দীর্ঘসূত্রতা মেনে নেওয়া হবে না। তারা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যেই রায় কার্যকর করার দাবি জানান।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি ও দীর্ঘসূত্রতার কারণেই একের পর এক এমন নৃশংস ঘটনা ঘটছে। শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও কঠোর হওয়ার আহ্বান জানান তারা।

এর আগে, মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে পল্লবীর একটি বাসা থেকে শিশু রামিসা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর মামলার প্রধান আসামি জাকির হোসেন ওরফে সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

বাংলাদেশ এর আরও খবর